ছোটবেলা থেকেই গানের সঙ্গে পথচলা মেহজাবিন রুবার। শরীয়তপুরের জাজিরার এই তরুণ শিল্পী শৈশবেই গানের প্রতি নিজের ভালোবাসা ও প্রতিভার পরিচয় দিয়েছেন। বর্তমানে পড়াশোনার পাশাপাশি গান নিয়েই নিজের স্বপ্নকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন তিনি।
জাজিরা শিল্পকলা
একাডেমির মিজানের কাছে গানের তালিম দিয়ে সংগীতচর্চা শুরু করেন রুবা। পরবর্তীতে ঢাকায়
অপূর্ব কুমারের কাছেও তালিম নিয়েছেন তিনি। ২০১৭ সালে ‘সেরাকণ্ঠ’ প্রতিযোগিতায় অংশ নেন
রুবা। পরের বছর, ২০১৮ সালে নবম শ্রেণির ছাত্রী থাকাকালে ‘জাতীয় শিশু পুরস্কার প্রতিযোগিতা’য়
দেশের বিভিন্ন বিভাগ থেকে অংশ নেওয়া প্রতিযোগীদের মধ্যে প্রথম স্থান অর্জন করেন তিনি।
শিক্ষাজীবনেও মেধার
স্বাক্ষর রেখেছেন রুবা। পিএসসি ও জেএসসি পরীক্ষায় ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেয়েছেন তিনি।
বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে পরিচালিত বরিশালের হোম ইকোনমিক্স কলেজে ফুড অ্যান্ড
নিউট্রিশন বিষয়ে অনার্স তৃতীয় বর্ষে পড়ছেন।
ছোটবেলায় সাবিনা
ইয়াসমীন-এর গান গাইতে ভালোবাসতেন রুবা। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আরও অনেক শিল্পীর গান
তার ভালো লাগার তালিকায় যুক্ত হয়েছে। শৈশব থেকে এখন পর্যন্ত বিভিন্ন শিল্পীর গান নিজের
কণ্ঠে তুলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করে আসছেন তিনি।
সম্প্রতি বাংলা
গানের জীবন্ত কিংবদন্তি হৈমন্তী শুক্লার জনপ্রিয় গান ‘খুঁজবে আমায় সেদিন যেদিন আমি
থাকবো না’ নিজের কণ্ঠে গেয়ে ফেসবুকে প্রকাশ করেছেন রুবা। শঙ্কর ভট্টাচার্যের লেখা ও
সুর করা গানটি একদিকে যেমন জনপ্রিয়, অন্যদিকে তেমনি কঠিনও। গানটি গেয়ে শ্রোতাদের কাছ
থেকে ইতিবাচক সাড়া পেয়েছেন এই তরুণ শিল্পী।
রুবা বলেন, “কঠিন
এই গানটি একটু শিখে নিয়ে চর্চা করে তারপর গাওয়ার চেষ্টা করেছি। ফেসবুকে পোস্ট করার
পর সবার অনুপ্রেরণায় আরও গান গাওয়ার সাহস পাচ্ছি। সত্যি বলতে, আমার স্বপ্ন কিছু ভালো
মৌলিক গান করা। জানি না সেই স্বপ্ন কবে পূরণ হবে। তবে আমার বিশ্বাস, হয়তো শিগগিরই সেই
স্বপ্ন পূরণ হবে। বাকিটা আল্লাহ জানেন।”
গানের স্বপ্ন পূরণে
পরিবারের কাছ থেকেও নিয়মিত অনুপ্রেরণা পাচ্ছেন রুবা। বিশেষ করে তার মা ও ছোট বোন মুনি
তাকে সবসময় উৎসাহ দেন। পড়াশোনার পাশাপাশি সংগীতচর্চা চালিয়ে গিয়ে ভবিষ্যতে নিজের মৌলিক
গান দিয়ে শ্রোতাদের কাছে পরিচিত হতে চান মেহজাবিন রুবা।

মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ছোটবেলা থেকেই গানের সঙ্গে পথচলা মেহজাবিন রুবার। শরীয়তপুরের জাজিরার এই তরুণ শিল্পী শৈশবেই গানের প্রতি নিজের ভালোবাসা ও প্রতিভার পরিচয় দিয়েছেন। বর্তমানে পড়াশোনার পাশাপাশি গান নিয়েই নিজের স্বপ্নকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন তিনি।
জাজিরা শিল্পকলা
একাডেমির মিজানের কাছে গানের তালিম দিয়ে সংগীতচর্চা শুরু করেন রুবা। পরবর্তীতে ঢাকায়
অপূর্ব কুমারের কাছেও তালিম নিয়েছেন তিনি। ২০১৭ সালে ‘সেরাকণ্ঠ’ প্রতিযোগিতায় অংশ নেন
রুবা। পরের বছর, ২০১৮ সালে নবম শ্রেণির ছাত্রী থাকাকালে ‘জাতীয় শিশু পুরস্কার প্রতিযোগিতা’য়
দেশের বিভিন্ন বিভাগ থেকে অংশ নেওয়া প্রতিযোগীদের মধ্যে প্রথম স্থান অর্জন করেন তিনি।
শিক্ষাজীবনেও মেধার
স্বাক্ষর রেখেছেন রুবা। পিএসসি ও জেএসসি পরীক্ষায় ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেয়েছেন তিনি।
বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে পরিচালিত বরিশালের হোম ইকোনমিক্স কলেজে ফুড অ্যান্ড
নিউট্রিশন বিষয়ে অনার্স তৃতীয় বর্ষে পড়ছেন।
ছোটবেলায় সাবিনা
ইয়াসমীন-এর গান গাইতে ভালোবাসতেন রুবা। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আরও অনেক শিল্পীর গান
তার ভালো লাগার তালিকায় যুক্ত হয়েছে। শৈশব থেকে এখন পর্যন্ত বিভিন্ন শিল্পীর গান নিজের
কণ্ঠে তুলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করে আসছেন তিনি।
সম্প্রতি বাংলা
গানের জীবন্ত কিংবদন্তি হৈমন্তী শুক্লার জনপ্রিয় গান ‘খুঁজবে আমায় সেদিন যেদিন আমি
থাকবো না’ নিজের কণ্ঠে গেয়ে ফেসবুকে প্রকাশ করেছেন রুবা। শঙ্কর ভট্টাচার্যের লেখা ও
সুর করা গানটি একদিকে যেমন জনপ্রিয়, অন্যদিকে তেমনি কঠিনও। গানটি গেয়ে শ্রোতাদের কাছ
থেকে ইতিবাচক সাড়া পেয়েছেন এই তরুণ শিল্পী।
রুবা বলেন, “কঠিন
এই গানটি একটু শিখে নিয়ে চর্চা করে তারপর গাওয়ার চেষ্টা করেছি। ফেসবুকে পোস্ট করার
পর সবার অনুপ্রেরণায় আরও গান গাওয়ার সাহস পাচ্ছি। সত্যি বলতে, আমার স্বপ্ন কিছু ভালো
মৌলিক গান করা। জানি না সেই স্বপ্ন কবে পূরণ হবে। তবে আমার বিশ্বাস, হয়তো শিগগিরই সেই
স্বপ্ন পূরণ হবে। বাকিটা আল্লাহ জানেন।”
গানের স্বপ্ন পূরণে
পরিবারের কাছ থেকেও নিয়মিত অনুপ্রেরণা পাচ্ছেন রুবা। বিশেষ করে তার মা ও ছোট বোন মুনি
তাকে সবসময় উৎসাহ দেন। পড়াশোনার পাশাপাশি সংগীতচর্চা চালিয়ে গিয়ে ভবিষ্যতে নিজের মৌলিক
গান দিয়ে শ্রোতাদের কাছে পরিচিত হতে চান মেহজাবিন রুবা।

আপনার মতামত লিখুন