বর্ষার সৌন্দর্য, বাংলা সংস্কৃতি এবং নস্টালজিয়ার আবহকে সুরে বেঁধে প্রকাশিত হয়েছে সংগীতভিত্তিক অ্যালবাম ‘বাদলা স্মৃতি’। রাজধানীর ইস্কাটে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে অ্যালবামটির আনুষ্ঠানিক মোড়ক উন্মোচন করা হয়। অনুষ্ঠানে অ্যালবামটির সৃষ্টির পেছনের ভাবনা, গল্প এবং নির্মাণপ্রক্রিয়া নিয়ে কথা বলেন সংশ্লিষ্ট শিল্পী ও নির্মাতারা।
অনুষ্ঠানে বিশেষ
অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও গীতিকার আহাসান
ইমাম এবং সংগীতশিল্পী শান সায়েক। এছাড়া সংস্কৃতি অঙ্গনের বিভিন্ন ব্যক্তিত্ব, শিল্পী
ও সাহিত্যপ্রেমীরাও অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
আহাসান ইমাম বলেন,
সাহিত্য ও সংস্কৃতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার কারণে বর্ষা তার কাছে সবসময়ই বিশেষ অনুভূতির
বিষয়। তিনি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও কাজী নজরুল ইসলামের বর্ষাবিষয়ক সৃষ্টির কথা স্মরণ করে
বলেন, বাংলাদেশের প্রকৃতি ও ঋতুবৈচিত্র্যকে নতুনভাবে উপলব্ধি করতে তাদের সাহিত্য বড়
ভূমিকা রেখেছে।
তিনি জানান, বর্ষাকে
কেন্দ্র করে তুলনামূলক কম গান তৈরি হওয়ায় প্রায় এক বছর আগে থেকেই এ বিষয় নিয়ে গানের
কথা লেখা শুরু করেন। পরে চলচ্চিত্র নির্মাণের সূত্রে সংগীতশিল্পী শান সায়েকের সঙ্গে
পরিচয় হলে দুজনের যৌথ উদ্যোগে অ্যালবামের কাজ সম্পন্ন হয়। দীর্ঘদিনের এই প্রচেষ্টা
শ্রোতাদের ভালো লাগলেই সেটিই হবে তাদের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি বলে মন্তব্য করেন তিনি।
অ্যালবাম প্রসঙ্গে
শান সায়েক বলেন, ‘বাদলা স্মৃতি’ অ্যালবামে মোট ছয়টি গান রয়েছে। এর মধ্যে শিরোনাম গান
‘বাদলা স্মৃতি’ কণ্ঠ দিয়েছেন জনপ্রিয় শিল্পী কনা। গানটির কথা লিখেছেন আহাসান ইমাম এবং
সুর ও সংগীতায়োজন করেছেন শান সায়েক।
তিনি আরও জানান,
অ্যালবামের তিনটি গানের মিউজিক ভিডিও নির্মাণ করা হয়েছে। বাকি গানগুলোতে কণ্ঠ দিয়েছেন
ঝিলিক, পিন্টু এবং শান সায়েক নিজেও। মিউজিক ভিডিও পরিচালনার দায়িত্বও পালন করেছেন আহাসান
ইমাম।
মিউজিকওয়ার্ল্ড
ও আলিফিয়া ভার্স এন্টারটেইনার-এর আয়োজনে অনুষ্ঠিত এই প্রকাশনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিরা
অ্যালবামটির সাফল্য কামনা করেন। একই সঙ্গে বাংলা গানের সমৃদ্ধি ও বিকাশে এ ধরনের সৃজনশীল
উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তারা।

সোমবার, ১০ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ আগস্ট ২০২৬
বর্ষার সৌন্দর্য, বাংলা সংস্কৃতি এবং নস্টালজিয়ার আবহকে সুরে বেঁধে প্রকাশিত হয়েছে সংগীতভিত্তিক অ্যালবাম ‘বাদলা স্মৃতি’। রাজধানীর ইস্কাটে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে অ্যালবামটির আনুষ্ঠানিক মোড়ক উন্মোচন করা হয়। অনুষ্ঠানে অ্যালবামটির সৃষ্টির পেছনের ভাবনা, গল্প এবং নির্মাণপ্রক্রিয়া নিয়ে কথা বলেন সংশ্লিষ্ট শিল্পী ও নির্মাতারা।
অনুষ্ঠানে বিশেষ
অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও গীতিকার আহাসান
ইমাম এবং সংগীতশিল্পী শান সায়েক। এছাড়া সংস্কৃতি অঙ্গনের বিভিন্ন ব্যক্তিত্ব, শিল্পী
ও সাহিত্যপ্রেমীরাও অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
আহাসান ইমাম বলেন,
সাহিত্য ও সংস্কৃতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার কারণে বর্ষা তার কাছে সবসময়ই বিশেষ অনুভূতির
বিষয়। তিনি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও কাজী নজরুল ইসলামের বর্ষাবিষয়ক সৃষ্টির কথা স্মরণ করে
বলেন, বাংলাদেশের প্রকৃতি ও ঋতুবৈচিত্র্যকে নতুনভাবে উপলব্ধি করতে তাদের সাহিত্য বড়
ভূমিকা রেখেছে।
তিনি জানান, বর্ষাকে
কেন্দ্র করে তুলনামূলক কম গান তৈরি হওয়ায় প্রায় এক বছর আগে থেকেই এ বিষয় নিয়ে গানের
কথা লেখা শুরু করেন। পরে চলচ্চিত্র নির্মাণের সূত্রে সংগীতশিল্পী শান সায়েকের সঙ্গে
পরিচয় হলে দুজনের যৌথ উদ্যোগে অ্যালবামের কাজ সম্পন্ন হয়। দীর্ঘদিনের এই প্রচেষ্টা
শ্রোতাদের ভালো লাগলেই সেটিই হবে তাদের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি বলে মন্তব্য করেন তিনি।
অ্যালবাম প্রসঙ্গে
শান সায়েক বলেন, ‘বাদলা স্মৃতি’ অ্যালবামে মোট ছয়টি গান রয়েছে। এর মধ্যে শিরোনাম গান
‘বাদলা স্মৃতি’ কণ্ঠ দিয়েছেন জনপ্রিয় শিল্পী কনা। গানটির কথা লিখেছেন আহাসান ইমাম এবং
সুর ও সংগীতায়োজন করেছেন শান সায়েক।
তিনি আরও জানান,
অ্যালবামের তিনটি গানের মিউজিক ভিডিও নির্মাণ করা হয়েছে। বাকি গানগুলোতে কণ্ঠ দিয়েছেন
ঝিলিক, পিন্টু এবং শান সায়েক নিজেও। মিউজিক ভিডিও পরিচালনার দায়িত্বও পালন করেছেন আহাসান
ইমাম।
মিউজিকওয়ার্ল্ড
ও আলিফিয়া ভার্স এন্টারটেইনার-এর আয়োজনে অনুষ্ঠিত এই প্রকাশনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিরা
অ্যালবামটির সাফল্য কামনা করেন। একই সঙ্গে বাংলা গানের সমৃদ্ধি ও বিকাশে এ ধরনের সৃজনশীল
উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তারা।

আপনার মতামত লিখুন