মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলায় ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের পাশ থেকে অজ্ঞাতনামা এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (১০ আগস্ট) সকালে উপজেলার পুখুরিয়া বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন একটি ব্রিজের নিচ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সকালে পুখুরিয়া বাসস্ট্যান্ডের পূর্ব পাশে হাজী সুপার মার্কেট সংলগ্ন ব্রিজের নিচে এক ব্যক্তির নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। খবর পেয়ে ঘিওর থানা-পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহটি উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের ধারণা, নিহত ব্যক্তি ভবঘুরে বা মানসিক ভারসাম্যহীন হতে পারেন। রাস্তা পার হওয়ার সময় দ্রুতগামী কোনো যানবাহনের ধাক্কায় তার মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে। তবে এটি দুর্ঘটনা নাকি হত্যাকাণ্ড, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত নয় পুলিশ।
ঘিওর থানা-পুলিশ জানায়, নিহতের কাছে পরিচয় শনাক্ত করার মতো কোনো নথিপত্র পাওয়া যায়নি। ফিঙ্গারপ্রিন্ট ও আধুনিক প্রযুক্তির সহায়তায় তার পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন হাতে পেলেই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ স্পষ্ট হবে।

সোমবার, ১০ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ আগস্ট ২০২৬
মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলায় ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের পাশ থেকে অজ্ঞাতনামা এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (১০ আগস্ট) সকালে উপজেলার পুখুরিয়া বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন একটি ব্রিজের নিচ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সকালে পুখুরিয়া বাসস্ট্যান্ডের পূর্ব পাশে হাজী সুপার মার্কেট সংলগ্ন ব্রিজের নিচে এক ব্যক্তির নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। খবর পেয়ে ঘিওর থানা-পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহটি উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের ধারণা, নিহত ব্যক্তি ভবঘুরে বা মানসিক ভারসাম্যহীন হতে পারেন। রাস্তা পার হওয়ার সময় দ্রুতগামী কোনো যানবাহনের ধাক্কায় তার মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে। তবে এটি দুর্ঘটনা নাকি হত্যাকাণ্ড, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত নয় পুলিশ।
ঘিওর থানা-পুলিশ জানায়, নিহতের কাছে পরিচয় শনাক্ত করার মতো কোনো নথিপত্র পাওয়া যায়নি। ফিঙ্গারপ্রিন্ট ও আধুনিক প্রযুক্তির সহায়তায় তার পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন হাতে পেলেই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ স্পষ্ট হবে।

আপনার মতামত লিখুন