নারায়ণগঞ্জের বন্দরে লাইনের লিকেজ থেকে জমে থাকা গ্যাসের বিস্ফোরণে দগ্ধ নারী বিউটি আক্তারও (২৮) মারা গেছেন। সোমবার (১০ আগস্ট) সকাল পৌনে সাতটায় রাজধানীর শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এর আগে শনিবার (৮ আগস্ট) দুপুরে একই হাসপাতালে মারা যায় তার আট বছর বয়সী ছেলে মারুফ।
হাসপাতালের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান বিউটির মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করে জানান, তার শরীরের ৮০ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল। এদিকে বিউটির স্বামী রাজমিস্ত্রি মাইদুল (৩৪) এখনো হাসপাতালের নিবিড় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে (আইসিইউ) মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছেন। তার শরীরেরও ৮৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে এবং অবস্থা আশঙ্কাজনক।
গত শুক্রবার (৭ আগস্ট) সকালে বন্দরের কুড়িপাড়া চাপাতলী এলাকার একটি ভাড়া বাসায় এই ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। পরিবারটির আদি বাড়ি নাটোরে হলেও কাজের প্রয়োজনে গত এক বছর ধরে তারা বন্দরের ওই টিনের ঘরে ভাড়া থাকতেন।
নারায়ণগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক আবদুল্লাহ আল আরেফিন জানান, ঘরটির পাশেই ছিল রান্নাঘর। তিতাস গ্যাসের লাইনের লিকেজ থেকে সারারাত গ্যাস জমে ঘরের ভেতর এক ধরনের গ্যাস চেম্বার তৈরি হয়েছিল। সকালে আগুন জ্বালানোর সঙ্গে সঙ্গেই বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে এবং পুরো ঘরে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। এতে পরিবারের তিন সদস্যই গুরুতর দগ্ধ হন।
সন্তান ও স্ত্রীর মৃত্যুর পর এখন পরিবারটির একমাত্র সদস্য হিসেবে সংকটাপন্ন অবস্থায় হাসপাতালে পড়ে আছেন মাইদুল। মর্মান্তিক এই ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

সোমবার, ১০ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ আগস্ট ২০২৬
নারায়ণগঞ্জের বন্দরে লাইনের লিকেজ থেকে জমে থাকা গ্যাসের বিস্ফোরণে দগ্ধ নারী বিউটি আক্তারও (২৮) মারা গেছেন। সোমবার (১০ আগস্ট) সকাল পৌনে সাতটায় রাজধানীর শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এর আগে শনিবার (৮ আগস্ট) দুপুরে একই হাসপাতালে মারা যায় তার আট বছর বয়সী ছেলে মারুফ।
হাসপাতালের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান বিউটির মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করে জানান, তার শরীরের ৮০ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল। এদিকে বিউটির স্বামী রাজমিস্ত্রি মাইদুল (৩৪) এখনো হাসপাতালের নিবিড় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে (আইসিইউ) মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছেন। তার শরীরেরও ৮৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে এবং অবস্থা আশঙ্কাজনক।
গত শুক্রবার (৭ আগস্ট) সকালে বন্দরের কুড়িপাড়া চাপাতলী এলাকার একটি ভাড়া বাসায় এই ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। পরিবারটির আদি বাড়ি নাটোরে হলেও কাজের প্রয়োজনে গত এক বছর ধরে তারা বন্দরের ওই টিনের ঘরে ভাড়া থাকতেন।
নারায়ণগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক আবদুল্লাহ আল আরেফিন জানান, ঘরটির পাশেই ছিল রান্নাঘর। তিতাস গ্যাসের লাইনের লিকেজ থেকে সারারাত গ্যাস জমে ঘরের ভেতর এক ধরনের গ্যাস চেম্বার তৈরি হয়েছিল। সকালে আগুন জ্বালানোর সঙ্গে সঙ্গেই বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে এবং পুরো ঘরে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। এতে পরিবারের তিন সদস্যই গুরুতর দগ্ধ হন।
সন্তান ও স্ত্রীর মৃত্যুর পর এখন পরিবারটির একমাত্র সদস্য হিসেবে সংকটাপন্ন অবস্থায় হাসপাতালে পড়ে আছেন মাইদুল। মর্মান্তিক এই ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

আপনার মতামত লিখুন