সংবাদ

খোলা আকাশের নিচে থাকা পরিবারগুলো পেল নতুন আশ্রয়


আফতাব হোসেন, গাইবান্ধা
আফতাব হোসেন, গাইবান্ধা
প্রকাশ: ১১ আগস্ট ২০২৬, ১১:৪৫ এএম

খোলা আকাশের নিচে থাকা পরিবারগুলো পেল নতুন আশ্রয়
নতুন স্যানিটারি ল্যাট্রিন ও টিন পেয়ে স্বস্তিতে চরের ক্ষতিগ্রস্ত বাসিন্দারা।ছবি : সংবাদ

গাইবান্ধা সদর উপজেলার ব্রহ্মপুত্র নদ পরিবেষ্টিত খারজানি চরে কালবৈশাখী ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো বেসরকারি সহায়তায় ফের ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করেছে।

প্রায় দুই বছর আগে নদীভাঙনের শিকার হয়ে এই চরে আশ্রয় নিয়েছিল প্রায় ৭০টি পরিবার। চলতি বছরের ১৮ মে সকালে মাত্র পাঁচ মিনিটের কালবৈশাখী ঝড়ে তাদের ঘরবাড়ি, গাছপালা ও স্যানিটারি ল্যাট্রিনসহ সহায়-সম্পদ লন্ডভন্ড হয়ে যায়। এতে খোলা আকাশের নিচে দিনযাপন করতে বাধ্য হয় পরিবারগুলো।

সরকারিভাবে কিছু চাল সহায়তা মিললেও ঘরবাড়ি মেরামতের সামর্থ্য ছিল না দুস্থ পরিবারগুলোর। এগিয়ে আসে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা গণ উন্নয়ন কেন্দ্র (জিইউকে)। সংস্থাটি ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা তৈরি করে নতুন স্যানিটারি ল্যাট্রিন স্থাপন এবং ঘর মেরামত ও নির্মাণে ঢেউটিন বিতরণ করে।

স্থানীয় বাসিন্দা হবিবুর রহমান বলেন, ঝড়ে সব হারিয়ে কিছুদিন খোলা আকাশের নিচে ছিলেন তারা; ঢেউটিন ও ল্যাট্রিন পেয়ে এখন নিরাপদে আছেন। আরেক সুবিধাভোগী সোনাবান বেগম জানান, ল্যাট্রিন উড়ে যাওয়ায় নারী ও শিশুদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছিল, নতুন ল্যাট্রিনে সেই সমস্যার সমাধান হয়েছে।

গণ উন্নয়ন কেন্দ্রের নির্বাহী প্রধান এম. আবদুস সালাম জানান, দাতা সংস্থা এডব্লিউও ইন্টারন্যাশনালের সহযোগিতায় গাইবান্ধা সদর ও ফুলছড়ি উপজেলার ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে এই সহায়তা দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, ঝড়ের ক্ষত পুরোপুরি পুষিয়ে নেওয়া কঠিন হলেও পরিবারগুলো এখন গবাদিপশুসহ নিরাপদে বসবাস করতে পারছে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬


খোলা আকাশের নিচে থাকা পরিবারগুলো পেল নতুন আশ্রয়

প্রকাশের তারিখ : ১১ আগস্ট ২০২৬

featured Image

গাইবান্ধা সদর উপজেলার ব্রহ্মপুত্র নদ পরিবেষ্টিত খারজানি চরে কালবৈশাখী ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো বেসরকারি সহায়তায় ফের ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করেছে।

প্রায় দুই বছর আগে নদীভাঙনের শিকার হয়ে এই চরে আশ্রয় নিয়েছিল প্রায় ৭০টি পরিবার। চলতি বছরের ১৮ মে সকালে মাত্র পাঁচ মিনিটের কালবৈশাখী ঝড়ে তাদের ঘরবাড়ি, গাছপালা ও স্যানিটারি ল্যাট্রিনসহ সহায়-সম্পদ লন্ডভন্ড হয়ে যায়। এতে খোলা আকাশের নিচে দিনযাপন করতে বাধ্য হয় পরিবারগুলো।

সরকারিভাবে কিছু চাল সহায়তা মিললেও ঘরবাড়ি মেরামতের সামর্থ্য ছিল না দুস্থ পরিবারগুলোর। এগিয়ে আসে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা গণ উন্নয়ন কেন্দ্র (জিইউকে)। সংস্থাটি ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা তৈরি করে নতুন স্যানিটারি ল্যাট্রিন স্থাপন এবং ঘর মেরামত ও নির্মাণে ঢেউটিন বিতরণ করে।

স্থানীয় বাসিন্দা হবিবুর রহমান বলেন, ঝড়ে সব হারিয়ে কিছুদিন খোলা আকাশের নিচে ছিলেন তারা; ঢেউটিন ও ল্যাট্রিন পেয়ে এখন নিরাপদে আছেন। আরেক সুবিধাভোগী সোনাবান বেগম জানান, ল্যাট্রিন উড়ে যাওয়ায় নারী ও শিশুদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছিল, নতুন ল্যাট্রিনে সেই সমস্যার সমাধান হয়েছে।

গণ উন্নয়ন কেন্দ্রের নির্বাহী প্রধান এম. আবদুস সালাম জানান, দাতা সংস্থা এডব্লিউও ইন্টারন্যাশনালের সহযোগিতায় গাইবান্ধা সদর ও ফুলছড়ি উপজেলার ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে এই সহায়তা দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, ঝড়ের ক্ষত পুরোপুরি পুষিয়ে নেওয়া কঠিন হলেও পরিবারগুলো এখন গবাদিপশুসহ নিরাপদে বসবাস করতে পারছে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত