দক্ষিণ আমেরিকার দেশ কলম্বিয়ায় শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৬৪ জনে দাঁড়িয়েছে। ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনো অনেক মানুষ আটকা পড়ে থাকায় প্রাণহানির সংখ্যা আরও বাড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) দ্বিতীয় দিনের মতো উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রেখেছেন জরুরি বিভাগের কর্মীরা।
সোমবার (১০ আগস্ট) কলম্বিয়ার পশ্চিমাঞ্চলীয় কফি উৎপাদনকারী অঞ্চলে ৭.৪ মাত্রার এই শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে। এটি কয়েক দশকের মধ্যে দেশটিতে হওয়া সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্প।
ভূমিকম্পে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কালি ও পেরেইরা শহর। কালিতে অন্তত ৮৫ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ১৮৮ জন এখনো নিখোঁজ রয়েছেন। শহরের একটি হাসপাতালের শিশু বিভাগের ওপরের তলাগুলো ধসে পড়ায় পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। হাসপাতালের পরিচালক ইর্নে তোরেস কাস্ত্রো জানান, ভবনের ভেতর অনেক রোগী আটকা পড়ে আছেন এবং প্রায় ৬০০ রোগীকে রাস্তায় খোলা আকাশের নিচে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
পেরেইরা শহরেও ধ্বংসযজ্ঞের চিত্র ভয়াবহ। সেখানে অন্তত ৬৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। শহরের বিমানবন্দরের ছাদ ধসে পড়ার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এছাড়া মানিজালেস শহরের একটি ঐতিহাসিক গির্জার চূড়াও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
দেশটির নতুন প্রেসিডেন্ট আবেলান্দো ডি লা এসপ্রিয়েলা জানান, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে উদ্ধারকাজকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। দুর্গত এলাকায় লুটপাটের খবর পাওয়ায় কালি ও পেরেইরা শহরে সান্ধ্য আইন (কারফিউ) জারি করা হয়েছে। শৃঙ্খলা বজায় রাখতে মঙ্গলবার ভোরে কালিতে এক হাজার অতিরিক্ত নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন করা হয়েছে।
এই দুর্যোগ কলম্বিয়ার মানুষকে ১৯৯৯ সালের ভয়াবহ ভূমিকম্পের স্মৃতি মনে করিয়ে দিচ্ছে, যাতে এক হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। গত জুনে প্রতিবেশী দেশ ভেনেজুয়েলায় হওয়া ভূমিকম্পেও ৬ হাজার ৩০০ মানুষের প্রাণহানি ঘটেছিল।
\

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ আগস্ট ২০২৬
দক্ষিণ আমেরিকার দেশ কলম্বিয়ায় শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৬৪ জনে দাঁড়িয়েছে। ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনো অনেক মানুষ আটকা পড়ে থাকায় প্রাণহানির সংখ্যা আরও বাড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) দ্বিতীয় দিনের মতো উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রেখেছেন জরুরি বিভাগের কর্মীরা।
সোমবার (১০ আগস্ট) কলম্বিয়ার পশ্চিমাঞ্চলীয় কফি উৎপাদনকারী অঞ্চলে ৭.৪ মাত্রার এই শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে। এটি কয়েক দশকের মধ্যে দেশটিতে হওয়া সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্প।
ভূমিকম্পে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কালি ও পেরেইরা শহর। কালিতে অন্তত ৮৫ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ১৮৮ জন এখনো নিখোঁজ রয়েছেন। শহরের একটি হাসপাতালের শিশু বিভাগের ওপরের তলাগুলো ধসে পড়ায় পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। হাসপাতালের পরিচালক ইর্নে তোরেস কাস্ত্রো জানান, ভবনের ভেতর অনেক রোগী আটকা পড়ে আছেন এবং প্রায় ৬০০ রোগীকে রাস্তায় খোলা আকাশের নিচে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
পেরেইরা শহরেও ধ্বংসযজ্ঞের চিত্র ভয়াবহ। সেখানে অন্তত ৬৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। শহরের বিমানবন্দরের ছাদ ধসে পড়ার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এছাড়া মানিজালেস শহরের একটি ঐতিহাসিক গির্জার চূড়াও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
দেশটির নতুন প্রেসিডেন্ট আবেলান্দো ডি লা এসপ্রিয়েলা জানান, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে উদ্ধারকাজকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। দুর্গত এলাকায় লুটপাটের খবর পাওয়ায় কালি ও পেরেইরা শহরে সান্ধ্য আইন (কারফিউ) জারি করা হয়েছে। শৃঙ্খলা বজায় রাখতে মঙ্গলবার ভোরে কালিতে এক হাজার অতিরিক্ত নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন করা হয়েছে।
এই দুর্যোগ কলম্বিয়ার মানুষকে ১৯৯৯ সালের ভয়াবহ ভূমিকম্পের স্মৃতি মনে করিয়ে দিচ্ছে, যাতে এক হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। গত জুনে প্রতিবেশী দেশ ভেনেজুয়েলায় হওয়া ভূমিকম্পেও ৬ হাজার ৩০০ মানুষের প্রাণহানি ঘটেছিল।
\

আপনার মতামত লিখুন