সংবাদ

আমদানির বিধিবিধান একীভূত করে সার্কুলার


নিজস্ব বার্তা পরিবেশক
নিজস্ব বার্তা পরিবেশক
প্রকাশ: ১৩ আগস্ট ২০২৬, ০৮:৫৫ পিএম

আমদানির বিধিবিধান একীভূত করে সার্কুলার
ছবি : সংগৃহীত

আমদানি বাণিজ্যে বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেন সংক্রান্ত সর্বশেষ বিধিবিধান একীভূত করে নতুন সার্কুলার জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এর মাধ্যমে গত বছরের আগস্টে জারি করা সার্কুলার হালনাগাদ করা হয়েছে। এর ফলে আগের সব আমদানি সংক্রান্ত নির্দেশনা বাতিল হবে। তবে আমদানি বিষয় রিপোর্টিং সংক্রান্ত নির্দেশনা বহাল থাকবে।

বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রানীতি বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত পরিপত্র জারি করে দেশে কার্যরত সকল তফসিলি ব্যাংকে পাঠানো হয়েছে।

গত এক বছরে জারি করা পরবর্তী নির্দেশনাগুলো এতে অন্তর্ভুক্ত করে আমদানি সংক্রান্ত বৈদেশিক মুদ্রা বিধিবিধান এক জায়গায় আনা হয়েছে। নতুন কাঠামোতে আমদানি বাণিজ্য, অনলাইন রিপোর্টিং, ঋণপত্র (এলসি), অনুমোদিত পরিশোধ পদ্ধতি, অগ্রিম অর্থ প্রেরণ, বিল অব এন্ট্রি দাখিল, সরবরাহকারী ও ক্রেতার ঋণ, আমদানি দায় পরিশোধ এবং ব্যাক-টু-ব্যাক এলসি সংক্রান্ত বিধান সংযুক্ত রয়েছে।

এছাড়া বিকল্প বাণিজ্য অর্থায়ন ব্যবস্থা, ডিজিটাল পদ্ধতিতে আমদানি ডকুমেন্ট প্রক্রিয়াকরণ, আমদানি পরিশোধে রপ্তানি আয় সংরক্ষণ, বৈদেশিক মুদ্রায় অভ্যন্তরীণ এলসি, বিশেষায়িত ও মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল এবং স্বর্ণ, রুপা, গহনা ও বৈদেশিক মুদ্রার নোট আমদানির বিষয়ও এতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

বৈদেশিক মুদ্রা নিয়ন্ত্রণ আইন ১৯৪৭-এর ২০(৩) ধারার ক্ষমতাবলে জারি করা সার্কুলারটির নির্দেশনা ১৩ আগস্ট ২০২৬ থেকে এক বছর কার্যকর থাকবে। এ সময়ের মধ্যে জারি করা নতুন নির্দেশনা এ সার্কুলারের সঙ্গে মিলিয়ে প্রয়োগ করা হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন কর্মকর্তা সংবাদকে বলেন, ডিজিটাল ডকুমেন্ট এবং বিকল্প অর্থায়ন ব্যবস্থার অন্তর্ভুক্তি বাংলাদেশের আমদানি বাণিজ্য খাতের পরিবর্তনশীল বাস্তবতার প্রতিফলন। তবে নতুন কাঠামোর সুফল নিশ্চিত করতে কার্যকর বাস্তবায়ন, পর্যাপ্ত ডিজিটাল অবকাঠামো এবং ব্যাংক ও আমদানিকারকদের সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

শুক্রবার, ১৪ আগস্ট ২০২৬


আমদানির বিধিবিধান একীভূত করে সার্কুলার

প্রকাশের তারিখ : ১৩ আগস্ট ২০২৬

featured Image

আমদানি বাণিজ্যে বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেন সংক্রান্ত সর্বশেষ বিধিবিধান একীভূত করে নতুন সার্কুলার জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এর মাধ্যমে গত বছরের আগস্টে জারি করা সার্কুলার হালনাগাদ করা হয়েছে। এর ফলে আগের সব আমদানি সংক্রান্ত নির্দেশনা বাতিল হবে। তবে আমদানি বিষয় রিপোর্টিং সংক্রান্ত নির্দেশনা বহাল থাকবে।

বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রানীতি বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত পরিপত্র জারি করে দেশে কার্যরত সকল তফসিলি ব্যাংকে পাঠানো হয়েছে।

গত এক বছরে জারি করা পরবর্তী নির্দেশনাগুলো এতে অন্তর্ভুক্ত করে আমদানি সংক্রান্ত বৈদেশিক মুদ্রা বিধিবিধান এক জায়গায় আনা হয়েছে। নতুন কাঠামোতে আমদানি বাণিজ্য, অনলাইন রিপোর্টিং, ঋণপত্র (এলসি), অনুমোদিত পরিশোধ পদ্ধতি, অগ্রিম অর্থ প্রেরণ, বিল অব এন্ট্রি দাখিল, সরবরাহকারী ও ক্রেতার ঋণ, আমদানি দায় পরিশোধ এবং ব্যাক-টু-ব্যাক এলসি সংক্রান্ত বিধান সংযুক্ত রয়েছে।

এছাড়া বিকল্প বাণিজ্য অর্থায়ন ব্যবস্থা, ডিজিটাল পদ্ধতিতে আমদানি ডকুমেন্ট প্রক্রিয়াকরণ, আমদানি পরিশোধে রপ্তানি আয় সংরক্ষণ, বৈদেশিক মুদ্রায় অভ্যন্তরীণ এলসি, বিশেষায়িত ও মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল এবং স্বর্ণ, রুপা, গহনা ও বৈদেশিক মুদ্রার নোট আমদানির বিষয়ও এতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

বৈদেশিক মুদ্রা নিয়ন্ত্রণ আইন ১৯৪৭-এর ২০(৩) ধারার ক্ষমতাবলে জারি করা সার্কুলারটির নির্দেশনা ১৩ আগস্ট ২০২৬ থেকে এক বছর কার্যকর থাকবে। এ সময়ের মধ্যে জারি করা নতুন নির্দেশনা এ সার্কুলারের সঙ্গে মিলিয়ে প্রয়োগ করা হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন কর্মকর্তা সংবাদকে বলেন, ডিজিটাল ডকুমেন্ট এবং বিকল্প অর্থায়ন ব্যবস্থার অন্তর্ভুক্তি বাংলাদেশের আমদানি বাণিজ্য খাতের পরিবর্তনশীল বাস্তবতার প্রতিফলন। তবে নতুন কাঠামোর সুফল নিশ্চিত করতে কার্যকর বাস্তবায়ন, পর্যাপ্ত ডিজিটাল অবকাঠামো এবং ব্যাংক ও আমদানিকারকদের সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত