দেশের মৎস্য খাত অভ্যন্তরীণ চাহিদা পূরণে স্বাবলম্বিতা অর্জন করেছে উল্লেখ করে এখন মৎস্য ও মৎস্যজাত পণ্যের রপ্তানি বাড়ানোর ওপর জোর দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।
মঙ্গলবার
মৎস্য অধিদপ্তরের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত ‘জাতীয় মৎস্য পক্ষ ২০২৬’-এর
সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা
বলেন।
প্রতিমন্ত্রী
তার বক্তব্যে মৎস্য খাতের ঐতিহাসিক ব্যাকগ্রাউন্ড তুলে ধরে বলেন,
"শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান কৃষি ও মৎস্যখাতের
উন্নয়নে নদী খনন, খাল
সংস্কারসহ বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নিয়েছিলেন। পরবর্তী
সময়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াও মৎস্যখাতের উন্নয়নে বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছেন। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কৃষি ও মৎস্যখাতের
জন্য কাজ করে যাচ্ছেন।"
এবার
ঢাকার বাইরে কিশোরগঞ্জে কেন্দ্রীয় আয়োজন করার প্রেক্ষাপট জানিয়ে
তিনি বলেন, "মৎস্য উৎপাদনে হাওরাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। তাই প্রান্তিক পর্যায়ের
মৎস্যচাষি ও জেলেদের কাছে
কর্মসূচির বার্তা পৌঁছে দিতে ঢাকার বাইরে
এ আয়োজন করা হয়েছে।"
সরকারি
কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশ্যে কড়া বার্তা দিয়ে
তিনি আরও বলেন, "রাষ্ট্রের
দেওয়া দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে হবে।
কোনো দায়িত্বে অবহেলা বা কাজে ফাঁকি
দেওয়া যাবে না। 'সবার
আগে বাংলাদেশ', এই চেতনাকে ধারণ
করে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।"
অনুষ্ঠানে
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব
মো. দেলোয়ার হোসেন বলেন, "মৎস্যচাষি ও সাধারণ মানুষ
সরকারি সেবা নিতে এসে
যেন কোনো ধরনের হয়রানির
শিকার না হন, তা
নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে
বিশেষভাবে নজর দিতে হবে।
দায়িত্ব পালনে কোনো ধরনের গাফিলতি
হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে জবাবদিহির আওতায় আনা হবে।"
সভাপতির
বক্তব্যে মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. খালেদ
কনক বলেন, "জাতীয় মৎস্য পক্ষের কেন্দ্রীয় আয়োজন ২০০৩ সালের পর
দীর্ঘ সময় পেরিয়ে এবার
কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে অত্যন্ত জাঁকজমকপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। মাঠপর্যায়ের মৎস্যচাষিদের হাতে পুরস্কার তুলে
দেওয়ায় এই আয়োজন প্রান্তিক
মানুষের মাঝে নতুন উদ্দীপনা
সৃষ্টি করেছে।"
অনুষ্ঠানে
মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের উচ্চপদস্থ
কর্মকর্তা, মৎস্যচাষি এবং জেলে প্রতিনিধিরা
উপস্থিত ছিলেন।

বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ আগস্ট ২০২৬
দেশের মৎস্য খাত অভ্যন্তরীণ চাহিদা পূরণে স্বাবলম্বিতা অর্জন করেছে উল্লেখ করে এখন মৎস্য ও মৎস্যজাত পণ্যের রপ্তানি বাড়ানোর ওপর জোর দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।
মঙ্গলবার
মৎস্য অধিদপ্তরের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত ‘জাতীয় মৎস্য পক্ষ ২০২৬’-এর
সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা
বলেন।
প্রতিমন্ত্রী
তার বক্তব্যে মৎস্য খাতের ঐতিহাসিক ব্যাকগ্রাউন্ড তুলে ধরে বলেন,
"শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান কৃষি ও মৎস্যখাতের
উন্নয়নে নদী খনন, খাল
সংস্কারসহ বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নিয়েছিলেন। পরবর্তী
সময়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াও মৎস্যখাতের উন্নয়নে বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছেন। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কৃষি ও মৎস্যখাতের
জন্য কাজ করে যাচ্ছেন।"
এবার
ঢাকার বাইরে কিশোরগঞ্জে কেন্দ্রীয় আয়োজন করার প্রেক্ষাপট জানিয়ে
তিনি বলেন, "মৎস্য উৎপাদনে হাওরাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। তাই প্রান্তিক পর্যায়ের
মৎস্যচাষি ও জেলেদের কাছে
কর্মসূচির বার্তা পৌঁছে দিতে ঢাকার বাইরে
এ আয়োজন করা হয়েছে।"
সরকারি
কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশ্যে কড়া বার্তা দিয়ে
তিনি আরও বলেন, "রাষ্ট্রের
দেওয়া দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে হবে।
কোনো দায়িত্বে অবহেলা বা কাজে ফাঁকি
দেওয়া যাবে না। 'সবার
আগে বাংলাদেশ', এই চেতনাকে ধারণ
করে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।"
অনুষ্ঠানে
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব
মো. দেলোয়ার হোসেন বলেন, "মৎস্যচাষি ও সাধারণ মানুষ
সরকারি সেবা নিতে এসে
যেন কোনো ধরনের হয়রানির
শিকার না হন, তা
নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে
বিশেষভাবে নজর দিতে হবে।
দায়িত্ব পালনে কোনো ধরনের গাফিলতি
হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে জবাবদিহির আওতায় আনা হবে।"
সভাপতির
বক্তব্যে মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. খালেদ
কনক বলেন, "জাতীয় মৎস্য পক্ষের কেন্দ্রীয় আয়োজন ২০০৩ সালের পর
দীর্ঘ সময় পেরিয়ে এবার
কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে অত্যন্ত জাঁকজমকপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। মাঠপর্যায়ের মৎস্যচাষিদের হাতে পুরস্কার তুলে
দেওয়ায় এই আয়োজন প্রান্তিক
মানুষের মাঝে নতুন উদ্দীপনা
সৃষ্টি করেছে।"
অনুষ্ঠানে
মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের উচ্চপদস্থ
কর্মকর্তা, মৎস্যচাষি এবং জেলে প্রতিনিধিরা
উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন