সংবাদ

আদমজীর তৈরি স্যুটে সাজছে বিশ্ব, বছরে রপ্তানি ৯৮ মিলিয়ন ডলার


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ১৮ আগস্ট ২০২৬, ০২:১১ পিএম

আদমজীর তৈরি স্যুটে সাজছে বিশ্ব, বছরে রপ্তানি ৯৮ মিলিয়ন ডলার
ছবি : সংগৃহীত

নারায়ণগঞ্জের আদমজী রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলের (ইপিজেড) একটি কারখানায় তৈরি হচ্ছে বিশ্বখ্যাত সব ব্র্যান্ডের স্যুট, ব্লেজার ও ট্রাউজার। রোমানিয়া ও বাংলাদেশের যৌথ বিনিয়োগে প্রতিষ্ঠিত ‘ইউনিভার্সাল মেনসওয়্যার লিমিটেড’ বছরে প্রায় ৫০ লাখ পিস পোশাক সরবরাহ করছে আন্তর্জাতিক বাজারে। সবশেষ অর্থবছরে প্রতিষ্ঠানটির রপ্তানি আয় দাঁড়িয়েছে প্রায় ৯৮ মিলিয়ন ডলারে।

২০১২ সালে যাত্রা শুরু করা এই কারখানাটি বর্তমানে দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ স্যুট উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে স্বীকৃত। প্রায় ৫ লাখ ৩৫ হাজার বর্গফুট আয়তনের এই কারখানায় আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি করা হয় উচ্চমানের ফরমাল পোশাক। এইচঅ্যান্ডএম, জারা, মার্কস অ্যান্ড স্পেনসার এবং সিঅ্যান্ডএ-র মতো বিশ্বখ্যাত ব্র্যান্ডগুলো এখন এই কারখানার প্রধান ক্রেতা।

সরেজমিনে দেখা যায়, কারখানার বিশাল ফ্লোরজুড়ে চলছে দক্ষ শ্রমিকদের কর্মযজ্ঞ। কেউ কাপড় কাটছেন, কেউ সেলাই করছেন, আবার কেউ তৈরি পোশাক নিখুঁতভাবে আয়রন করে রপ্তানির জন্য প্রস্তুত করছেন। বর্তমানে এখানে ৮ হাজার ১৯৪ জন কর্মী কাজ করছেন, যাদের বড় একটি অংশই নারী।

প্রতিষ্ঠানটির সিনিয়র জেনারেল ম্যানেজার মো. বিল্লাল হোসেন জানান, রোমানিয়ার আধুনিক যন্ত্রপাতি ও প্রযুক্তি ব্যবহার করে এখানে উৎপাদন চলে। বর্তমানে মাসে প্রায় ৫ লাখ পিস পোশাক তৈরির সক্ষমতা রয়েছে তাদের। আন্তর্জাতিক বাজারে ২০ হাজার থেকে শুরু করে ১ লাখ টাকা মূল্যের স্যুটও এখান থেকে রপ্তানি হয়।

পরিবেশবান্ধব উৎপাদনের জন্য কারখানাটি ইতোমধ্যে ইউএস গ্রিন বিল্ডিং কাউন্সিলের ‘লিড গোল্ড’ সনদ পেয়েছে। কারখানায় রয়েছে নিজস্ব সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা।

কেবল উৎপাদন নয়, কর্মীদের শিক্ষাগত ও দক্ষতা উন্নয়নেও ভূমিকা রাখছে প্রতিষ্ঠানটি। 

আদমজী ইপিজেডের নির্বাহী পরিচালক মো. আবদুর রহমান ভূঁইয়া বলেন, "বিনিয়োগকারীদের জন্য নিরবচ্ছিন্ন সেবা নিশ্চিত করায় এখানে উৎপাদন ও রপ্তানি বাড়ছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে এই ইপিজেডের ৪৭টি প্রতিষ্ঠান ১.১৭৯ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে।"

'\ 

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬


আদমজীর তৈরি স্যুটে সাজছে বিশ্ব, বছরে রপ্তানি ৯৮ মিলিয়ন ডলার

প্রকাশের তারিখ : ১৮ আগস্ট ২০২৬

featured Image

নারায়ণগঞ্জের আদমজী রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলের (ইপিজেড) একটি কারখানায় তৈরি হচ্ছে বিশ্বখ্যাত সব ব্র্যান্ডের স্যুট, ব্লেজার ও ট্রাউজার। রোমানিয়া ও বাংলাদেশের যৌথ বিনিয়োগে প্রতিষ্ঠিত ‘ইউনিভার্সাল মেনসওয়্যার লিমিটেড’ বছরে প্রায় ৫০ লাখ পিস পোশাক সরবরাহ করছে আন্তর্জাতিক বাজারে। সবশেষ অর্থবছরে প্রতিষ্ঠানটির রপ্তানি আয় দাঁড়িয়েছে প্রায় ৯৮ মিলিয়ন ডলারে।

২০১২ সালে যাত্রা শুরু করা এই কারখানাটি বর্তমানে দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ স্যুট উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে স্বীকৃত। প্রায় ৫ লাখ ৩৫ হাজার বর্গফুট আয়তনের এই কারখানায় আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি করা হয় উচ্চমানের ফরমাল পোশাক। এইচঅ্যান্ডএম, জারা, মার্কস অ্যান্ড স্পেনসার এবং সিঅ্যান্ডএ-র মতো বিশ্বখ্যাত ব্র্যান্ডগুলো এখন এই কারখানার প্রধান ক্রেতা।

সরেজমিনে দেখা যায়, কারখানার বিশাল ফ্লোরজুড়ে চলছে দক্ষ শ্রমিকদের কর্মযজ্ঞ। কেউ কাপড় কাটছেন, কেউ সেলাই করছেন, আবার কেউ তৈরি পোশাক নিখুঁতভাবে আয়রন করে রপ্তানির জন্য প্রস্তুত করছেন। বর্তমানে এখানে ৮ হাজার ১৯৪ জন কর্মী কাজ করছেন, যাদের বড় একটি অংশই নারী।

প্রতিষ্ঠানটির সিনিয়র জেনারেল ম্যানেজার মো. বিল্লাল হোসেন জানান, রোমানিয়ার আধুনিক যন্ত্রপাতি ও প্রযুক্তি ব্যবহার করে এখানে উৎপাদন চলে। বর্তমানে মাসে প্রায় ৫ লাখ পিস পোশাক তৈরির সক্ষমতা রয়েছে তাদের। আন্তর্জাতিক বাজারে ২০ হাজার থেকে শুরু করে ১ লাখ টাকা মূল্যের স্যুটও এখান থেকে রপ্তানি হয়।

পরিবেশবান্ধব উৎপাদনের জন্য কারখানাটি ইতোমধ্যে ইউএস গ্রিন বিল্ডিং কাউন্সিলের ‘লিড গোল্ড’ সনদ পেয়েছে। কারখানায় রয়েছে নিজস্ব সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা।

কেবল উৎপাদন নয়, কর্মীদের শিক্ষাগত ও দক্ষতা উন্নয়নেও ভূমিকা রাখছে প্রতিষ্ঠানটি। 

আদমজী ইপিজেডের নির্বাহী পরিচালক মো. আবদুর রহমান ভূঁইয়া বলেন, "বিনিয়োগকারীদের জন্য নিরবচ্ছিন্ন সেবা নিশ্চিত করায় এখানে উৎপাদন ও রপ্তানি বাড়ছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে এই ইপিজেডের ৪৭টি প্রতিষ্ঠান ১.১৭৯ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে।"

'\ 


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত