চলতি বছর একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি প্রক্রিয়ায় বড় ধরনের পরিবর্তন আনার উদ্যোগ নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
শিক্ষা বোর্ডগুলোর আগের নিয়মে তৈরি করা নীতিমালায় সায় না দিয়ে কিছু বিষয়ে পরিবর্তন এনে নতুন নীতি প্রণয়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, তিন ধাপের পরিবর্তে এবার এক ধাপেই নেওয়া হবে অনলাইনে ভর্তির আবেদন এবং থাকবে না কোনো মাইগ্রেশন বা কলেজ পরিবর্তনের সুযোগ। সেই সঙ্গে আগামী নভেম্বরের পরিবর্তে চলতি সেপ্টেম্বর মাসের শেষ সপ্তাহের মধ্যেই ভর্তিপ্রক্রিয়া সম্পন্ন করে ক্লাস শুরুর পরিকল্পনা করেছে কর্তৃপক্ষ।
গত ১৬ আগস্ট শিক্ষা মন্ত্রণালয়, শিক্ষা বোর্ড ও বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) বিশেষজ্ঞদের নিয়ে গঠিত ভর্তি নীতিমালা কমিটির বৈঠকে এসব সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
নতুন এই নিয়মে বিগত বছরগুলোর মতো তিন ধাপে আবেদন করার বদলে শিক্ষার্থীরা প্রথম পর্যায়ে কেবল একবারই অনলাইনে আবেদনের সুযোগ পাবে। আবেদন একবার হওয়ায় বন্ধ থাকছে মাইগ্রেশনের সুযোগও।
তবে খাতা পুনর্নিরীক্ষায় ফল পরিবর্তন হওয়া শিক্ষার্থী, কোনো কারণে আগে নিশ্চায়ন না করা বা কলেজ না পাওয়া প্রার্থীরা দ্বিতীয় দফায় আবেদন করার সুযোগ পাবে। বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির প্রাথমিক প্রস্তাবে ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে আবেদন শুরু করে ১২ নভেম্বর ক্লাস শুরুর কথা বলা হয়েছিল।
তবে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এতে সম্মতি না দিয়ে সেপ্টেম্বরের প্রথম দিকেই অনলাইন আবেদন শুরু করে একই মাসের শেষ সপ্তাহে ক্লাস চালুর নির্দেশ দিয়েছে। পরবর্তীতে পুনর্নিরীক্ষার ফলে যারা নির্বাচিত হবে, ১ অক্টোবরের মধ্যে তাদের ক্লাস শুরু হবে।
অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডার অনুযায়ী জুলাই মাসে একাদশের ক্লাস শুরু হওয়ার কথা থাকলেও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তা পিছিয়ে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত গড়ায়। চলতি বছর গত ১০ আগস্ট এসএসসির ফল প্রকাশিত হওয়ায় দ্রুততম সময়ের মধ্যে অ্যাকাডেমিক শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে চায় মন্ত্রণালয়।
এ বিষয়ে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আকতারুজ্জামান জানান, একাদশ শ্রেণির ভর্তি নীতিমালা নিয়ে কাজ চলছে এবং আগামী বৃহস্পতিবারের মধ্যে তা চূড়ান্ত হলে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা হবে।
নীতিমালায় পরিবর্তনের বিষয়ে তিনি বলেন, "অ্যাকাডেমিক কার্যক্রমে ডিসিপ্লিন ফিরিয়ে আনা খুবই জরুরি। এজন্য ভর্তি কার্যক্রম ও ক্লাস এগিয়ে আনার ব্যাপারে আলোচনা হয়েছে। সেগুলো মাথায় রেখে আমরা নীতিমালা করছি এবং প্রস্তাব আকারে তা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে, তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে মন্ত্রণালয়।"

বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ আগস্ট ২০২৬
চলতি বছর একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি প্রক্রিয়ায় বড় ধরনের পরিবর্তন আনার উদ্যোগ নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
শিক্ষা বোর্ডগুলোর আগের নিয়মে তৈরি করা নীতিমালায় সায় না দিয়ে কিছু বিষয়ে পরিবর্তন এনে নতুন নীতি প্রণয়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, তিন ধাপের পরিবর্তে এবার এক ধাপেই নেওয়া হবে অনলাইনে ভর্তির আবেদন এবং থাকবে না কোনো মাইগ্রেশন বা কলেজ পরিবর্তনের সুযোগ। সেই সঙ্গে আগামী নভেম্বরের পরিবর্তে চলতি সেপ্টেম্বর মাসের শেষ সপ্তাহের মধ্যেই ভর্তিপ্রক্রিয়া সম্পন্ন করে ক্লাস শুরুর পরিকল্পনা করেছে কর্তৃপক্ষ।
গত ১৬ আগস্ট শিক্ষা মন্ত্রণালয়, শিক্ষা বোর্ড ও বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) বিশেষজ্ঞদের নিয়ে গঠিত ভর্তি নীতিমালা কমিটির বৈঠকে এসব সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
নতুন এই নিয়মে বিগত বছরগুলোর মতো তিন ধাপে আবেদন করার বদলে শিক্ষার্থীরা প্রথম পর্যায়ে কেবল একবারই অনলাইনে আবেদনের সুযোগ পাবে। আবেদন একবার হওয়ায় বন্ধ থাকছে মাইগ্রেশনের সুযোগও।
তবে খাতা পুনর্নিরীক্ষায় ফল পরিবর্তন হওয়া শিক্ষার্থী, কোনো কারণে আগে নিশ্চায়ন না করা বা কলেজ না পাওয়া প্রার্থীরা দ্বিতীয় দফায় আবেদন করার সুযোগ পাবে। বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির প্রাথমিক প্রস্তাবে ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে আবেদন শুরু করে ১২ নভেম্বর ক্লাস শুরুর কথা বলা হয়েছিল।
তবে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এতে সম্মতি না দিয়ে সেপ্টেম্বরের প্রথম দিকেই অনলাইন আবেদন শুরু করে একই মাসের শেষ সপ্তাহে ক্লাস চালুর নির্দেশ দিয়েছে। পরবর্তীতে পুনর্নিরীক্ষার ফলে যারা নির্বাচিত হবে, ১ অক্টোবরের মধ্যে তাদের ক্লাস শুরু হবে।
অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডার অনুযায়ী জুলাই মাসে একাদশের ক্লাস শুরু হওয়ার কথা থাকলেও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তা পিছিয়ে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত গড়ায়। চলতি বছর গত ১০ আগস্ট এসএসসির ফল প্রকাশিত হওয়ায় দ্রুততম সময়ের মধ্যে অ্যাকাডেমিক শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে চায় মন্ত্রণালয়।
এ বিষয়ে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আকতারুজ্জামান জানান, একাদশ শ্রেণির ভর্তি নীতিমালা নিয়ে কাজ চলছে এবং আগামী বৃহস্পতিবারের মধ্যে তা চূড়ান্ত হলে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা হবে।
নীতিমালায় পরিবর্তনের বিষয়ে তিনি বলেন, "অ্যাকাডেমিক কার্যক্রমে ডিসিপ্লিন ফিরিয়ে আনা খুবই জরুরি। এজন্য ভর্তি কার্যক্রম ও ক্লাস এগিয়ে আনার ব্যাপারে আলোচনা হয়েছে। সেগুলো মাথায় রেখে আমরা নীতিমালা করছি এবং প্রস্তাব আকারে তা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে, তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে মন্ত্রণালয়।"

আপনার মতামত লিখুন