সাবেক সমাজকল্যাণমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. দীপু মনির স্বামী ব্যারিস্টার তৌফিক নেওয়াজের জানাজা ও দাফনে অংশ নিতে প্যারোলে মুক্তির আবেদন করা হচ্ছে। বুধবার (১৯ আগস্ট) সকালে মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রশাসক বরাবর এই আবেদন জমা দেওয়ার কথা জানিয়েছেন তার আইনজীবী গাজী ফয়সাল ইসলাম।
ব্যারিস্টার তৌফিক নেওয়াজ মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাত সাড়ে ১০টার দিকে রাজধানীর কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে (সাবেক ইউনাইটেড) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। তার বয়স হয়েছিল ৭৬ বছর। তিনি দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভুগছিলেন।
দীপু মনির আইনজীবী জানান, বর্তমানে দীপু মনি মুন্সীগঞ্জ জেলা কারাগারে বন্দী রয়েছেন। তার স্বামীর মৃত্যুতে শেষ দেখা ও জানাজায় অংশ নেওয়ার জন্য সাময়িকভাবে প্যারোলে মুক্তির আবেদন করা হচ্ছে। এই আবেদনের বিষয়ে মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রশাসক সিদ্ধান্ত নেবেন।
দীপু মনির বড় ভাই জে আর ওয়াদুদ টিপু জানান, তৌফিক নেওয়াজ দীর্ঘদিন ধরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। ২০১৯ সালে স্ট্রোক করার পর থেকে তিনি গুরুতর অসুস্থ ছিলেন। জানাজা ও দাফনের স্থান ও সময় বুধবার দুপুরের পর চূড়ান্ত করা হবে।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ১৯ আগস্ট রাতে রাজধানীর বারিধারা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার হন ডা. দীপু মনি। তার বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন স্থানে কয়েক ডজন মামলা রয়েছে। এর আগে গত ২৭ মে অসুস্থ স্বামীকে হুইলচেয়ারে করে আদালতে নিয়ে এসেছিলেন স্বজনেরা, যাতে তিনি কারাবন্দী স্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে পারেন। সেটিই ছিল তাদের শেষ দেখা।
প্যারোল নীতিমালা অনুযায়ী, নিকটাত্মীয়ের মৃত্যুতে সাধারণত ১২ ঘণ্টার জন্য একজন বন্দীকে সাময়িক মুক্তি দেওয়া হয়। ডা. দীপু মনির ক্ষেত্রেও এই নিয়ম অনুসরণ করে প্যারোল চাওয়া হবে বলে আইনজীবীরা জানিয়েছেন।

বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ আগস্ট ২০২৬
সাবেক সমাজকল্যাণমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. দীপু মনির স্বামী ব্যারিস্টার তৌফিক নেওয়াজের জানাজা ও দাফনে অংশ নিতে প্যারোলে মুক্তির আবেদন করা হচ্ছে। বুধবার (১৯ আগস্ট) সকালে মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রশাসক বরাবর এই আবেদন জমা দেওয়ার কথা জানিয়েছেন তার আইনজীবী গাজী ফয়সাল ইসলাম।
ব্যারিস্টার তৌফিক নেওয়াজ মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাত সাড়ে ১০টার দিকে রাজধানীর কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে (সাবেক ইউনাইটেড) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। তার বয়স হয়েছিল ৭৬ বছর। তিনি দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভুগছিলেন।
দীপু মনির আইনজীবী জানান, বর্তমানে দীপু মনি মুন্সীগঞ্জ জেলা কারাগারে বন্দী রয়েছেন। তার স্বামীর মৃত্যুতে শেষ দেখা ও জানাজায় অংশ নেওয়ার জন্য সাময়িকভাবে প্যারোলে মুক্তির আবেদন করা হচ্ছে। এই আবেদনের বিষয়ে মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রশাসক সিদ্ধান্ত নেবেন।
দীপু মনির বড় ভাই জে আর ওয়াদুদ টিপু জানান, তৌফিক নেওয়াজ দীর্ঘদিন ধরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। ২০১৯ সালে স্ট্রোক করার পর থেকে তিনি গুরুতর অসুস্থ ছিলেন। জানাজা ও দাফনের স্থান ও সময় বুধবার দুপুরের পর চূড়ান্ত করা হবে।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ১৯ আগস্ট রাতে রাজধানীর বারিধারা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার হন ডা. দীপু মনি। তার বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন স্থানে কয়েক ডজন মামলা রয়েছে। এর আগে গত ২৭ মে অসুস্থ স্বামীকে হুইলচেয়ারে করে আদালতে নিয়ে এসেছিলেন স্বজনেরা, যাতে তিনি কারাবন্দী স্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে পারেন। সেটিই ছিল তাদের শেষ দেখা।
প্যারোল নীতিমালা অনুযায়ী, নিকটাত্মীয়ের মৃত্যুতে সাধারণত ১২ ঘণ্টার জন্য একজন বন্দীকে সাময়িক মুক্তি দেওয়া হয়। ডা. দীপু মনির ক্ষেত্রেও এই নিয়ম অনুসরণ করে প্যারোল চাওয়া হবে বলে আইনজীবীরা জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন