সংবাদ

৩৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ২৬টি পরিবার


প্রতিনিধি, শেরপুর (বগুড়া)
প্রতিনিধি, শেরপুর (বগুড়া)
প্রকাশ: ১৯ আগস্ট ২০২৬, ১১:৪০ এএম

৩৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ২৬টি পরিবার
ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশের সাঁকো দিয়ে পার হচ্ছে গ্রামবাসী। ছবি : সংবাদ

বগুড়ার শেরপুর উপজেলার খানপুর ইউনিয়নের শালফা দক্ষিণপাড়া মহল্লায় দীর্ঘ ৩৬ বছর ধরে যাতায়াতের কোনো রাস্তা নির্মিত হয়নি। মহল্লায় ঢোকার একমাত্র পথটি বছরের প্রায় আট মাসই পানির নিচে তলিয়ে থাকে। ফলে ওই এলাকার ২৬টি পরিবারের প্রায় ২০০ মানুষকে প্রতিদিন বাঁশের সাঁকো দিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, সামান্য বৃষ্টিতে বা বর্ষা মৌসুমে এই বাঁশের সাঁকোটি অত্যন্ত পিচ্ছিল ও বিপজ্জনক হয়ে পড়ে। যাতায়াতের সময় সাপে কাটার আতঙ্কের পাশাপাশি শিশু, বৃদ্ধ ও অসুস্থ ব্যক্তিদের নিয়ে চরম বিপাকে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দারা। স্থানীয় বাসিন্দা স্বরভানুসহ কয়েকজন নারী জানান, বিদ্যালয়ে যাওয়ার পথে সাঁকো থেকে শিশুরা প্রায়ই পানিতে পড়ে যায়।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, প্রতিটি নির্বাচনের আগে জনপ্রতিনিধিরা রাস্তা নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দিলেও পরে আর কেউ খোঁজ নেন না। কৃষিনির্ভর এই গ্রামের মানুষের উৎপাদিত ফসল বাড়িতে আনতে বা বাজারজাত করতেও অতিরিক্ত অর্থ ও শ্রম ব্যয় করতে হচ্ছে।

এ বিষয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য আবদুস সামাদ বলেন, 'আমি বেশ কয়েকবার ইউনিয়ন পরিষদে বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছি এবং রাস্তা নির্মাণের প্রস্তাব দিয়েছি। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো অনুমোদন মেলেনি।' খানপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পিয়ার হোসেন পিয়ার জানান, সমস্যাটি গুরুতর। আগামী উপজেলা সমন্বয় কমিটির সভায় বিষয়টি উত্থাপন করে দ্রুত সমাধানের চেষ্টা করা হবে।

শেরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. সাইদুজ্জামান হিমু বলেন, 'বিষয়টি সম্পর্কে আমি আগে অবগত ছিলাম না। আমি দ্রুত এলাকাটি সরেজমিনে পরিদর্শন করব এবং মানুষের যাতায়াতের কষ্ট লাঘবে প্রয়োজনীয় সড়ক নির্মাণের উদ্যোগ নেব।'

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬


৩৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ২৬টি পরিবার

প্রকাশের তারিখ : ১৯ আগস্ট ২০২৬

featured Image

বগুড়ার শেরপুর উপজেলার খানপুর ইউনিয়নের শালফা দক্ষিণপাড়া মহল্লায় দীর্ঘ ৩৬ বছর ধরে যাতায়াতের কোনো রাস্তা নির্মিত হয়নি। মহল্লায় ঢোকার একমাত্র পথটি বছরের প্রায় আট মাসই পানির নিচে তলিয়ে থাকে। ফলে ওই এলাকার ২৬টি পরিবারের প্রায় ২০০ মানুষকে প্রতিদিন বাঁশের সাঁকো দিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, সামান্য বৃষ্টিতে বা বর্ষা মৌসুমে এই বাঁশের সাঁকোটি অত্যন্ত পিচ্ছিল ও বিপজ্জনক হয়ে পড়ে। যাতায়াতের সময় সাপে কাটার আতঙ্কের পাশাপাশি শিশু, বৃদ্ধ ও অসুস্থ ব্যক্তিদের নিয়ে চরম বিপাকে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দারা। স্থানীয় বাসিন্দা স্বরভানুসহ কয়েকজন নারী জানান, বিদ্যালয়ে যাওয়ার পথে সাঁকো থেকে শিশুরা প্রায়ই পানিতে পড়ে যায়।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, প্রতিটি নির্বাচনের আগে জনপ্রতিনিধিরা রাস্তা নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দিলেও পরে আর কেউ খোঁজ নেন না। কৃষিনির্ভর এই গ্রামের মানুষের উৎপাদিত ফসল বাড়িতে আনতে বা বাজারজাত করতেও অতিরিক্ত অর্থ ও শ্রম ব্যয় করতে হচ্ছে।

এ বিষয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য আবদুস সামাদ বলেন, 'আমি বেশ কয়েকবার ইউনিয়ন পরিষদে বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছি এবং রাস্তা নির্মাণের প্রস্তাব দিয়েছি। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো অনুমোদন মেলেনি।' খানপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পিয়ার হোসেন পিয়ার জানান, সমস্যাটি গুরুতর। আগামী উপজেলা সমন্বয় কমিটির সভায় বিষয়টি উত্থাপন করে দ্রুত সমাধানের চেষ্টা করা হবে।

শেরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. সাইদুজ্জামান হিমু বলেন, 'বিষয়টি সম্পর্কে আমি আগে অবগত ছিলাম না। আমি দ্রুত এলাকাটি সরেজমিনে পরিদর্শন করব এবং মানুষের যাতায়াতের কষ্ট লাঘবে প্রয়োজনীয় সড়ক নির্মাণের উদ্যোগ নেব।'


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত