দেশের বৃহত্তম চালকল মোকাম কুষ্টিয়ার খাজানগরে পরিবেশদূষণে এলাকাবাসীর দুর্ভোগের মধ্যে নতুন সমস্যা হিসেবে যুক্ত হয়েছে জলাবদ্ধতা। অটো রাইস মিলের বর্জ্য পানি ও জলাবদ্ধতার কারণে চরম বিপাকে পড়েছেন কুষ্টিয়ার কবুরহাট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। বিদ্যালয়ের চারপাশে দুর্গন্ধযুক্ত ময়লা পানি জমে পরিবেশ বিষিয়ে উঠেছে, যাতে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতির হার নেমে এসেছে এক-তৃতীয়াংশে। মাঠে পানি জমে থাকায় বন্ধ হয়ে গেছে খেলাধুলা, ব্যাহত হচ্ছে যাতায়াতও। টিনশেড ভবনের ষষ্ঠ শ্রেণির ক্লাসরুম ও কম্পিউটার ল্যাবেও পানি ঢুকে পড়েছে।
শিক্ষার্থীরা জানায়, আশপাশের মিল-কারখানার বিষাক্ত পানি আটকে থাকায় তাদের বিভিন্ন চর্মরোগ দেখা দিচ্ছে এবং টিউবওয়েলের পানিও দুর্গন্ধযুক্ত হয়ে পড়েছে। জমে থাকা পানিতে মশা জন্মানোয় ঝুঁকি নিয়েই বাড়ি ফিরতে হচ্ছে তাদের। অভিভাবকেরাও সন্তানদের স্কুলে পাঠাতে ভয় পাচ্ছেন। বিদ্যালয়ের আশপাশের ১৫-২০টি পরিবারও একই সমস্যায় ভুগছে।
অভিযুক্ত মিল মালিকেরা দাবি করেছেন, জলাবদ্ধতা মূলত বৃষ্টির কারণে হচ্ছে। চিশতিয়া অটো রাইস মিলের মালিক আনোয়ার হোসেন বলেন, রাস্তার দুই পাশে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় বারবার মিল মালিকদের ওপর দোষ চাপানো হচ্ছে। তবে স্থানীয় প্রশাসনের ভাষ্য, কয়েকটি মিলের কারণেই এই জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হচ্ছে। কুষ্টিয়া সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হারুন অর রশীদ জানান, বিষয়টি স্থানীয় সংসদ সদস্যসহ সংশ্লিষ্ট সবাই অবগত এবং দ্রুত সমাধানের চেষ্টা চলছে। স্থানীয়দের দাবি, মিল মালিকেরা নিজস্ব বর্জ্য ব্যবস্থাপনা না করলে জলাবদ্ধতা দূর করা সম্ভব নয়; তাঁরা পরিবেশ অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ আগস্ট ২০২৬
দেশের বৃহত্তম চালকল মোকাম কুষ্টিয়ার খাজানগরে পরিবেশদূষণে এলাকাবাসীর দুর্ভোগের মধ্যে নতুন সমস্যা হিসেবে যুক্ত হয়েছে জলাবদ্ধতা। অটো রাইস মিলের বর্জ্য পানি ও জলাবদ্ধতার কারণে চরম বিপাকে পড়েছেন কুষ্টিয়ার কবুরহাট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। বিদ্যালয়ের চারপাশে দুর্গন্ধযুক্ত ময়লা পানি জমে পরিবেশ বিষিয়ে উঠেছে, যাতে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতির হার নেমে এসেছে এক-তৃতীয়াংশে। মাঠে পানি জমে থাকায় বন্ধ হয়ে গেছে খেলাধুলা, ব্যাহত হচ্ছে যাতায়াতও। টিনশেড ভবনের ষষ্ঠ শ্রেণির ক্লাসরুম ও কম্পিউটার ল্যাবেও পানি ঢুকে পড়েছে।
শিক্ষার্থীরা জানায়, আশপাশের মিল-কারখানার বিষাক্ত পানি আটকে থাকায় তাদের বিভিন্ন চর্মরোগ দেখা দিচ্ছে এবং টিউবওয়েলের পানিও দুর্গন্ধযুক্ত হয়ে পড়েছে। জমে থাকা পানিতে মশা জন্মানোয় ঝুঁকি নিয়েই বাড়ি ফিরতে হচ্ছে তাদের। অভিভাবকেরাও সন্তানদের স্কুলে পাঠাতে ভয় পাচ্ছেন। বিদ্যালয়ের আশপাশের ১৫-২০টি পরিবারও একই সমস্যায় ভুগছে।
অভিযুক্ত মিল মালিকেরা দাবি করেছেন, জলাবদ্ধতা মূলত বৃষ্টির কারণে হচ্ছে। চিশতিয়া অটো রাইস মিলের মালিক আনোয়ার হোসেন বলেন, রাস্তার দুই পাশে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় বারবার মিল মালিকদের ওপর দোষ চাপানো হচ্ছে। তবে স্থানীয় প্রশাসনের ভাষ্য, কয়েকটি মিলের কারণেই এই জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হচ্ছে। কুষ্টিয়া সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হারুন অর রশীদ জানান, বিষয়টি স্থানীয় সংসদ সদস্যসহ সংশ্লিষ্ট সবাই অবগত এবং দ্রুত সমাধানের চেষ্টা চলছে। স্থানীয়দের দাবি, মিল মালিকেরা নিজস্ব বর্জ্য ব্যবস্থাপনা না করলে জলাবদ্ধতা দূর করা সম্ভব নয়; তাঁরা পরিবেশ অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

আপনার মতামত লিখুন