বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার চরাদী ইউনিয়নের হলতা ফজলুল হক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে সনদপত্র ও মার্কশিট বাবদ অতিরিক্ত টাকা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এর প্রতিবাদে মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সকালে বিদ্যালয়ের সামনে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেন শিক্ষার্থীরা। এ সময় তারা হাতে প্ল্যাকার্ড নিয়ে বিদ্যালয় চত্বর প্রদক্ষিণ করে প্রধান শিক্ষকের পদত্যাগের দাবিতে স্লোগান দেন।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, সনদপত্র ও মার্কশিট তুলতে নির্ধারিত ফির চেয়ে কয়েকগুণ বেশি টাকা নেওয়া হচ্ছে এবং টাকা না দিলে সনদ আটকে রাখার হুমকি দেওয়া হচ্ছে। ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়।
অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক আনিছুর রহমান হাওলাদার দাবি করেন, স্কুল পরিচালনা কমিটির সঙ্গে পুরোনো দ্বন্দ্বের জেরে ছাত্রছাত্রীদের ব্যবহার করে তার বিরুদ্ধে অহেতুক অভিযোগ তোলা হয়েছে। তিনি জানান, কমিটি আদালতে করা ফৌজদারি মামলা থেকে তিনি বর্তমানে জামিনে আছেন এবং চলতি বছরের ১ জুন হাইকোর্ট মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়ার পর দায়িত্ব বুঝে নিয়েছেন। তিনি নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন এবং বলেন, কমিটির সভাপতি সোহাগ হাওলাদারের সনদ জাল নিয়ে অভিযোগের জেরে সৃষ্ট দ্বন্দ্বের বলি হয়েছেন তিনি।
বাকেরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় এবং পরে একাধিকবার চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। উচ্চমাধ্যমিক জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ আব্দুল জব্বার জানান, বিষয়টি তার জানা ছিল না এবং অতিরিক্ত ফি আদায়ের প্রমাণ মিললে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবু তাহের মোহাম্মদ রাশেদুল ইসলামের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও সাড়া মেলেনি।
বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির এক সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, অতিরিক্ত ফি নেওয়ার বিষয়টি আগেও আলোচনায় এসেছিল, তবে এবার শিক্ষার্থীরা রাস্তায় নামায় বিষয়টি সামনে চলে আসে। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় অভিভাবক ও সচেতন মহল।

বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ আগস্ট ২০২৬
বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার চরাদী ইউনিয়নের হলতা ফজলুল হক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে সনদপত্র ও মার্কশিট বাবদ অতিরিক্ত টাকা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এর প্রতিবাদে মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সকালে বিদ্যালয়ের সামনে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেন শিক্ষার্থীরা। এ সময় তারা হাতে প্ল্যাকার্ড নিয়ে বিদ্যালয় চত্বর প্রদক্ষিণ করে প্রধান শিক্ষকের পদত্যাগের দাবিতে স্লোগান দেন।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, সনদপত্র ও মার্কশিট তুলতে নির্ধারিত ফির চেয়ে কয়েকগুণ বেশি টাকা নেওয়া হচ্ছে এবং টাকা না দিলে সনদ আটকে রাখার হুমকি দেওয়া হচ্ছে। ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়।
অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক আনিছুর রহমান হাওলাদার দাবি করেন, স্কুল পরিচালনা কমিটির সঙ্গে পুরোনো দ্বন্দ্বের জেরে ছাত্রছাত্রীদের ব্যবহার করে তার বিরুদ্ধে অহেতুক অভিযোগ তোলা হয়েছে। তিনি জানান, কমিটি আদালতে করা ফৌজদারি মামলা থেকে তিনি বর্তমানে জামিনে আছেন এবং চলতি বছরের ১ জুন হাইকোর্ট মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়ার পর দায়িত্ব বুঝে নিয়েছেন। তিনি নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন এবং বলেন, কমিটির সভাপতি সোহাগ হাওলাদারের সনদ জাল নিয়ে অভিযোগের জেরে সৃষ্ট দ্বন্দ্বের বলি হয়েছেন তিনি।
বাকেরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় এবং পরে একাধিকবার চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। উচ্চমাধ্যমিক জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ আব্দুল জব্বার জানান, বিষয়টি তার জানা ছিল না এবং অতিরিক্ত ফি আদায়ের প্রমাণ মিললে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবু তাহের মোহাম্মদ রাশেদুল ইসলামের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও সাড়া মেলেনি।
বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির এক সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, অতিরিক্ত ফি নেওয়ার বিষয়টি আগেও আলোচনায় এসেছিল, তবে এবার শিক্ষার্থীরা রাস্তায় নামায় বিষয়টি সামনে চলে আসে। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় অভিভাবক ও সচেতন মহল।

আপনার মতামত লিখুন