জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনের সভাপতিত্ব, রোহিঙ্গা সংকটের মানবিক সহায়তা এবং নিরাপদ অভিবাসন ইস্যুতে বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা জোরদারের লক্ষ্য নিয়ে এক গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রবিবার (২৩ আগস্ট) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক।
ঢাকার ব্রিটিশ হাইকমিশন থেকে প্রেরিত এক সংবাদ বার্তায় জানানো হয়, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) সভাপতি হিসেবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের ভবিষ্যৎ অগ্রাধিকার ও পরিকল্পনা সম্পর্কে জানতে চান ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক।
বৈঠকে ঢাকা ও লন্ডনের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের দীর্ঘমেয়াদী ভিত্তিকে সম্মান জানিয়ে বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য অভিবাসন বিষয়ক সহযোগিতার বিষয়টি বিশেষ গুরুত্বের সঙ্গে স্থান পায়।
বৈঠক শেষে ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক যৌথ অংশীদারিত্বের বিষয়ে জোর দিয়ে বলেন, "বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে বিদ্যমান দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করার দিকেই আমাদের আলোচনায় মূল নজর দেওয়া হয়েছে, বিশেষ করে রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় আমাদের দীর্ঘদিনের কৌশলগত অংশীদারিত্ব এবং নিরাপদ অভিবাসন ব্যবস্থাকে আরও উৎসাহিত করার মতো বিষয়গুলোতে।"

রোববার, ২৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ আগস্ট ২০২৬
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনের সভাপতিত্ব, রোহিঙ্গা সংকটের মানবিক সহায়তা এবং নিরাপদ অভিবাসন ইস্যুতে বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা জোরদারের লক্ষ্য নিয়ে এক গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রবিবার (২৩ আগস্ট) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক।
ঢাকার ব্রিটিশ হাইকমিশন থেকে প্রেরিত এক সংবাদ বার্তায় জানানো হয়, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) সভাপতি হিসেবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের ভবিষ্যৎ অগ্রাধিকার ও পরিকল্পনা সম্পর্কে জানতে চান ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক।
বৈঠকে ঢাকা ও লন্ডনের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের দীর্ঘমেয়াদী ভিত্তিকে সম্মান জানিয়ে বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য অভিবাসন বিষয়ক সহযোগিতার বিষয়টি বিশেষ গুরুত্বের সঙ্গে স্থান পায়।
বৈঠক শেষে ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক যৌথ অংশীদারিত্বের বিষয়ে জোর দিয়ে বলেন, "বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে বিদ্যমান দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করার দিকেই আমাদের আলোচনায় মূল নজর দেওয়া হয়েছে, বিশেষ করে রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় আমাদের দীর্ঘদিনের কৌশলগত অংশীদারিত্ব এবং নিরাপদ অভিবাসন ব্যবস্থাকে আরও উৎসাহিত করার মতো বিষয়গুলোতে।"

আপনার মতামত লিখুন