দেশের জ্বালানি চাহিদা মেটাতে ও নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করতে ২০২৭ পঞ্জিকাবর্ষে সৌদি আরব ও আবুধাবি থেকে ১৪ লাখ মেট্রিক টন অপরিশোধিত জ্বালানি তেল বা ক্রুড অয়েল সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে আমদানির বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
বুধবার সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এই গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাবের নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়। একই সঙ্গে ২০২৭ সালের জানুয়ারি থেকে জুন সময়কালের জন্য পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানির ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্রের বিডিং সময়সীমা ৪২ দিন থেকে কমিয়ে ২১ দিনে নামিয়ে আনার সিদ্ধান্তও অনুমোদন লাভ করেছে।
বৈঠকে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে জি টু জি বা সরকারি পর্যায়ে চুক্তির আওতায় সৌদি আরবের সৌদি আরামকো এবং আবুধাবির আবুধাবি ন্যাশনাল অয়েল কোম্পানি বা এডনক থেকে এই ক্রুড অয়েল আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন বা বিপিসি এই তেল আমদানি করে ইস্টার্ন রিফাইনারি পিএলসিতে প্রক্রিয়াজাত করবে। সংশ্লিষ্টরা জানান, ইস্টার্ন রিফাইনারির প্ল্যান্টটি তুলনামূলক পুরোনো হওয়ায় সেখানে প্রক্রিয়াজাতকরণের জন্য অ্যারাবিয়ান লাইট ক্রুড অয়েল এবং মারবান ক্রুড অয়েল অত্যন্ত উপযোগী ও লাভজনক।
তাছাড়া চাহিদা অনুযায়ী অন্য কোনো উৎস থেকে এসব তেল পাওয়ার সহজ নিশ্চয়তা না থাকায় রাষ্ট্রীয় জরুরি প্রয়োজনে সরকারি ক্রয় আইন ও বিধিমালা অনুযায়ী সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে বা ডিপিএমে এই আমদানির প্রস্তাব করা হয়। এই পুরো প্রক্রিয়ায় আন্তর্জাতিক ইসলামিক বাণিজ্য অর্থায়ন সংস্থা বা আইটিএফসি থেকে ঋণ সহায়তা নেওয়া হবে।
পাশাপাশি, ২০২৭ পঞ্জিকাবর্ষে পরিশোধিত জ্বালানি তেল সরাসরি ক্রয় পদ্ধতির আওতায় জি টু জি প্রক্রিয়ায় আমদানির আরেকটি প্রস্তাবও কমিটিতে নীতিগত অনুমোদনের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে।
অন্যদিকে, পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানির ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্র আহ্বানের প্রচলিত বিডিং সময়সীমা ৪২ দিনের পরিবর্তে ২১ দিন করায় দ্রুততম সময়ের মধ্যে জ্বালানি আমদানির প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা সম্ভব হবে বলে আশা করছে সংশ্লিষ্ট বিভাগ। দেশের সার্বিক জ্বালানি নিরাপত্তা ও জনস্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে মন্ত্রিসভা কমিটির এই যুগোপযোগী সিদ্ধান্ত দেশের জ্বালানি খাতের কার্যকারিতা আরও গতিশীল করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট নীতি নির্ধারকরা।

বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ অক্টোবর ২০২৬
দেশের জ্বালানি চাহিদা মেটাতে ও নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করতে ২০২৭ পঞ্জিকাবর্ষে সৌদি আরব ও আবুধাবি থেকে ১৪ লাখ মেট্রিক টন অপরিশোধিত জ্বালানি তেল বা ক্রুড অয়েল সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে আমদানির বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
বুধবার সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এই গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাবের নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়। একই সঙ্গে ২০২৭ সালের জানুয়ারি থেকে জুন সময়কালের জন্য পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানির ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্রের বিডিং সময়সীমা ৪২ দিন থেকে কমিয়ে ২১ দিনে নামিয়ে আনার সিদ্ধান্তও অনুমোদন লাভ করেছে।
বৈঠকে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে জি টু জি বা সরকারি পর্যায়ে চুক্তির আওতায় সৌদি আরবের সৌদি আরামকো এবং আবুধাবির আবুধাবি ন্যাশনাল অয়েল কোম্পানি বা এডনক থেকে এই ক্রুড অয়েল আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন বা বিপিসি এই তেল আমদানি করে ইস্টার্ন রিফাইনারি পিএলসিতে প্রক্রিয়াজাত করবে। সংশ্লিষ্টরা জানান, ইস্টার্ন রিফাইনারির প্ল্যান্টটি তুলনামূলক পুরোনো হওয়ায় সেখানে প্রক্রিয়াজাতকরণের জন্য অ্যারাবিয়ান লাইট ক্রুড অয়েল এবং মারবান ক্রুড অয়েল অত্যন্ত উপযোগী ও লাভজনক।
তাছাড়া চাহিদা অনুযায়ী অন্য কোনো উৎস থেকে এসব তেল পাওয়ার সহজ নিশ্চয়তা না থাকায় রাষ্ট্রীয় জরুরি প্রয়োজনে সরকারি ক্রয় আইন ও বিধিমালা অনুযায়ী সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে বা ডিপিএমে এই আমদানির প্রস্তাব করা হয়। এই পুরো প্রক্রিয়ায় আন্তর্জাতিক ইসলামিক বাণিজ্য অর্থায়ন সংস্থা বা আইটিএফসি থেকে ঋণ সহায়তা নেওয়া হবে।
পাশাপাশি, ২০২৭ পঞ্জিকাবর্ষে পরিশোধিত জ্বালানি তেল সরাসরি ক্রয় পদ্ধতির আওতায় জি টু জি প্রক্রিয়ায় আমদানির আরেকটি প্রস্তাবও কমিটিতে নীতিগত অনুমোদনের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে।
অন্যদিকে, পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানির ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্র আহ্বানের প্রচলিত বিডিং সময়সীমা ৪২ দিনের পরিবর্তে ২১ দিন করায় দ্রুততম সময়ের মধ্যে জ্বালানি আমদানির প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা সম্ভব হবে বলে আশা করছে সংশ্লিষ্ট বিভাগ। দেশের সার্বিক জ্বালানি নিরাপত্তা ও জনস্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে মন্ত্রিসভা কমিটির এই যুগোপযোগী সিদ্ধান্ত দেশের জ্বালানি খাতের কার্যকারিতা আরও গতিশীল করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট নীতি নির্ধারকরা।

আপনার মতামত লিখুন