সংবাদ

ইরানে বিশাল গ্যাসক্ষেত্রের সন্ধান


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ২৪ আগস্ট ২০২৬, ০৮:২৮ এএম

ইরানে বিশাল গ্যাসক্ষেত্রের সন্ধান
ছবি : সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান সামরিক উত্তেজনার মধ্যেই ভূগর্ভস্থ বিশাল এক গ্যাসক্ষেত্রের সন্ধান পাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে ইরান। দেশটির দক্ষিণাঞ্চলীয় ফার্স প্রদেশে এই নতুন খনির সন্ধান পাওয়া গেছে। রোববার (২৩ আগস্ট) ইরানের তেলমন্ত্রী মোহসেন পাকনেজাদ এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম নিউজ জানিয়েছে, নতুন এই গ্যাসক্ষেত্রে প্রায় সাড়ে ৭ ট্রিলিয়ন ঘনফুট (টিসিএফ) গ্যাসের মজুত রয়েছে। এর মধ্যে ৫ দশমিক ৭ ট্রিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উত্তোলনযোগ্য। তেলমন্ত্রী পাকনেজাদ জানান, এই আবিষ্কার ইরানের জাতীয় হাইড্রোকার্বন মজুতকে আরও শক্তিশালী করবে। নতুন এই ক্ষেত্র থেকে যে পরিমাণ গ্যাস পাওয়া যাবে, তা দক্ষিণ পার্স গ্যাসক্ষেত্রের একটি পর্যায়ের প্রায় ১৫ বছরের উৎপাদনের সমান।

তেলমন্ত্রী এই গ্যাসকে ‘সুইট গ্যাস’ বা প্রক্রিয়াজাতকরণ সহজ এমন গ্যাস হিসেবে বর্ণনা করেছেন। এর ফলে উন্নয়ন ও উৎপাদন খরচ অনেক কম হবে। গ্যাস ছাড়াও এই খনিতে বিপুল পরিমাণ গ্যাস কনডেনসেট বা গ্যাসীয় তরল রয়েছে, যা থেকে ইরান কয়েক দশ বিলিয়ন ডলারের বাড়তি আয় করতে পারবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এমন এক সময়ে এই বড় আবিষ্কারের খবর এল, যখন মধ্যপ্রাচ্যে ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি বেশ উত্তপ্ত। গত জুনে পাকিস্তান ও কাতারের মধ্যস্থতায় ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক সই হয়েছিল। তবে হরমুজ প্রণালিতে নৌ-চলাচল ও চুক্তির বাস্তবায়ন নিয়ে বিরোধের জেরে বর্তমানে আলোচনা স্থবির হয়ে আছে। এই পরিস্থিতিতে নতুন গ্যাসক্ষেত্রের সন্ধান ইরানের অর্থনীতি ও কৌশলগত অবস্থানে বড় প্রভাব ফেলবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬


ইরানে বিশাল গ্যাসক্ষেত্রের সন্ধান

প্রকাশের তারিখ : ২৪ আগস্ট ২০২৬

featured Image

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান সামরিক উত্তেজনার মধ্যেই ভূগর্ভস্থ বিশাল এক গ্যাসক্ষেত্রের সন্ধান পাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে ইরান। দেশটির দক্ষিণাঞ্চলীয় ফার্স প্রদেশে এই নতুন খনির সন্ধান পাওয়া গেছে। রোববার (২৩ আগস্ট) ইরানের তেলমন্ত্রী মোহসেন পাকনেজাদ এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম নিউজ জানিয়েছে, নতুন এই গ্যাসক্ষেত্রে প্রায় সাড়ে ৭ ট্রিলিয়ন ঘনফুট (টিসিএফ) গ্যাসের মজুত রয়েছে। এর মধ্যে ৫ দশমিক ৭ ট্রিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উত্তোলনযোগ্য। তেলমন্ত্রী পাকনেজাদ জানান, এই আবিষ্কার ইরানের জাতীয় হাইড্রোকার্বন মজুতকে আরও শক্তিশালী করবে। নতুন এই ক্ষেত্র থেকে যে পরিমাণ গ্যাস পাওয়া যাবে, তা দক্ষিণ পার্স গ্যাসক্ষেত্রের একটি পর্যায়ের প্রায় ১৫ বছরের উৎপাদনের সমান।

তেলমন্ত্রী এই গ্যাসকে ‘সুইট গ্যাস’ বা প্রক্রিয়াজাতকরণ সহজ এমন গ্যাস হিসেবে বর্ণনা করেছেন। এর ফলে উন্নয়ন ও উৎপাদন খরচ অনেক কম হবে। গ্যাস ছাড়াও এই খনিতে বিপুল পরিমাণ গ্যাস কনডেনসেট বা গ্যাসীয় তরল রয়েছে, যা থেকে ইরান কয়েক দশ বিলিয়ন ডলারের বাড়তি আয় করতে পারবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এমন এক সময়ে এই বড় আবিষ্কারের খবর এল, যখন মধ্যপ্রাচ্যে ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি বেশ উত্তপ্ত। গত জুনে পাকিস্তান ও কাতারের মধ্যস্থতায় ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক সই হয়েছিল। তবে হরমুজ প্রণালিতে নৌ-চলাচল ও চুক্তির বাস্তবায়ন নিয়ে বিরোধের জেরে বর্তমানে আলোচনা স্থবির হয়ে আছে। এই পরিস্থিতিতে নতুন গ্যাসক্ষেত্রের সন্ধান ইরানের অর্থনীতি ও কৌশলগত অবস্থানে বড় প্রভাব ফেলবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত