সংবাদ

পৌর শহরের বুকেই বাঁশের সাঁকো, ৪০ পরিবারের ভরসা


প্রতিনিধি, মহেশপুর (ঝিনাইদহ)
প্রতিনিধি, মহেশপুর (ঝিনাইদহ)
প্রকাশ: ২৫ আগস্ট ২০২৬, ০৫:০৭ পিএম

পৌর শহরের বুকেই বাঁশের সাঁকো, ৪০ পরিবারের ভরসা
ছবি : সংবাদ

ঝিনাইদহের মহেশপুর পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাজীপাড়া এলাকায় খালের ওপর একটি নড়বড়ে বাঁশের সাঁকোই এখন ২৫ থেকে ৪০টি পরিবারের একমাত্র ভরসা। শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত হলেও দীর্ঘদিন ধরে কোনো স্থায়ী সেতু নির্মাণ না হওয়ায় ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে স্থানীয়দের।

সরেজমিনে দেখা যায়, স্থানীয়রা নিজেদের অর্থায়নে খালের ওপর বাঁশের খুঁটি ও কাঠ দিয়ে প্রায় ৩০-৩৫ ফুট দীর্ঘ এই সাঁকোটি তৈরি করেছেন। বর্তমানে সাঁকোটির বিভিন্ন স্থানে কাঠ ও বাঁশ ভেঙে পচে গেছে। ফলে প্রতিদিন শিশু, শিক্ষার্থী ও বৃদ্ধদের চরম জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এই সাঁকো পার হয়ে মূল সড়কে যেতে হচ্ছে।

স্থানীয় বাসিন্দা মনিরুল ইসলাম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে আমাদের এভাবে চলতে হচ্ছে। আমার মেয়ে মারা যাওয়ার পর তাকে এই সাঁকো দিয়ে পার করে মূল সড়কে নিতে পারিনি। বাড়ি থেকে মাত্র ৩০ ফুট গেলেই মেইন রোড, অথচ একটি সেতুর অভাবে আমাদের এত কষ্ট।’

সম্প্রতি এলাকাটি পরিদর্শন করেছেন মহেশপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল হাই। তিনি স্থানীয়দের সমস্যার কথা শোনেন এবং দ্রুত সমাধানের জন্য কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

এ বিষয়ে মহেশপুর উপজেলা প্রকৌশলী আজিজুল হক বলেন, ‘বিষয়টি আমাদের আগে জানানো হয়নি। এলাকাবাসী বা স্থানীয় কাউন্সিলরের পক্ষ থেকেও কোনো আবেদন আমরা পাইনি। এখন বিষয়টি জানতে পারলাম, দ্রুত সরেজমিনে দেখে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’

কাজীপাড়ার বাসিন্দাদের দাবি, শহরের প্রাণকেন্দ্রে বসবাস করেও কেন তাদের নিজেদের উদ্যোগে সাঁকো বানিয়ে ঝুঁকি নিয়ে চলতে হবে? তারা দ্রুত এই স্থানে একটি স্থায়ী সেতু নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬


পৌর শহরের বুকেই বাঁশের সাঁকো, ৪০ পরিবারের ভরসা

প্রকাশের তারিখ : ২৫ আগস্ট ২০২৬

featured Image

ঝিনাইদহের মহেশপুর পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাজীপাড়া এলাকায় খালের ওপর একটি নড়বড়ে বাঁশের সাঁকোই এখন ২৫ থেকে ৪০টি পরিবারের একমাত্র ভরসা। শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত হলেও দীর্ঘদিন ধরে কোনো স্থায়ী সেতু নির্মাণ না হওয়ায় ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে স্থানীয়দের।

সরেজমিনে দেখা যায়, স্থানীয়রা নিজেদের অর্থায়নে খালের ওপর বাঁশের খুঁটি ও কাঠ দিয়ে প্রায় ৩০-৩৫ ফুট দীর্ঘ এই সাঁকোটি তৈরি করেছেন। বর্তমানে সাঁকোটির বিভিন্ন স্থানে কাঠ ও বাঁশ ভেঙে পচে গেছে। ফলে প্রতিদিন শিশু, শিক্ষার্থী ও বৃদ্ধদের চরম জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এই সাঁকো পার হয়ে মূল সড়কে যেতে হচ্ছে।

স্থানীয় বাসিন্দা মনিরুল ইসলাম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে আমাদের এভাবে চলতে হচ্ছে। আমার মেয়ে মারা যাওয়ার পর তাকে এই সাঁকো দিয়ে পার করে মূল সড়কে নিতে পারিনি। বাড়ি থেকে মাত্র ৩০ ফুট গেলেই মেইন রোড, অথচ একটি সেতুর অভাবে আমাদের এত কষ্ট।’

সম্প্রতি এলাকাটি পরিদর্শন করেছেন মহেশপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল হাই। তিনি স্থানীয়দের সমস্যার কথা শোনেন এবং দ্রুত সমাধানের জন্য কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

এ বিষয়ে মহেশপুর উপজেলা প্রকৌশলী আজিজুল হক বলেন, ‘বিষয়টি আমাদের আগে জানানো হয়নি। এলাকাবাসী বা স্থানীয় কাউন্সিলরের পক্ষ থেকেও কোনো আবেদন আমরা পাইনি। এখন বিষয়টি জানতে পারলাম, দ্রুত সরেজমিনে দেখে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’

কাজীপাড়ার বাসিন্দাদের দাবি, শহরের প্রাণকেন্দ্রে বসবাস করেও কেন তাদের নিজেদের উদ্যোগে সাঁকো বানিয়ে ঝুঁকি নিয়ে চলতে হবে? তারা দ্রুত এই স্থানে একটি স্থায়ী সেতু নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত