গত বছর ‘অপারেশন সিঁদুর’ চলাকালে পাকিস্তানের অত্যন্ত সংবেদনশীল ও পারমাণবিক স্থাপনা সংশ্লিষ্ট কিরানা হিলস এলাকায় একটি ভারতীয় ড্রোন আঘাত হেনেছিল বলে জানিয়েছেন ভারতের সাবেক চিফ অব ডিফেন্স স্টাফ (সিডিএস) জেনারেল অনিল চৌহান।
তবে এই হামলাটি কোনো পূর্বপরিকল্পিত লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার জন্য চালানো হয়নি বলে দাবি করেছেন তিনি।
পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং পারমাণবিক অস্ত্র সক্ষমতার সঙ্গে যুক্ত কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত এই কিরানা হিলস।
জেনারেল চৌহান জানান, অপারেশন সিঁদুরের ঠিক আগে সারগোধা ও কিরানা হিলস সংলগ্ন এলাকায় বেশ কয়েকটি ‘লোইটারিং মিউনিশন’ বা নির্দিষ্ট লক্ষ্য খুঁজে আঘাত হানতে সক্ষম ড্রোন পাঠিয়েছিল ভারত।
ঘটনার বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, একটি ড্রোন দীর্ঘ সময় ধরে সংশ্লিষ্ট এলাকায় চক্কর কেটে রাডার খুঁজছিল। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্দিষ্ট লক্ষ্য খুঁজে না পাওয়ায় এবং ড্রোনটির জ্বালানি শেষ হয়ে যাওয়ার কারণে এটি অনিচ্ছাকৃতভাবে কিরানা হিলসের একটি স্থাপনার ওপর গিয়ে পড়ে।
ইচ্ছাকৃতভাবে পারমাণবিক স্থাপনা বা অস্ত্রকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়নি উল্লেখ করে তিনি জানান, অপারেশন সিঁদুর চলাকালীন ভারতীয় বিমানবাহিনীর তৎকালীন ডিরেক্টর জেনারেল অব এয়ার অপারেশনস অবসরপ্রাপ্ত এয়ার মার্শাল এ কে ভারতীও একই কথা পরিষ্কার করেছিলেন।
এদিকে রণকৌশলগত বিভিন্ন গোপনীয়তা তুলে ধরে সাবেক এই প্রতিরক্ষা প্রধান আরও জানান যে, অপারেশন সিঁদুরের সময় পাকিস্তান-অধিকৃত কাশ্মীরের স্কারদুতেও বড় ধরনের হামলার অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। সারগোধার পাশাপাশি স্কারদুসহ মোট কয়েকটি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হলেও শেষ মুহূর্তে প্রতিকূল আবহাওয়া ও খারাপ আবহাওয়ার কারণে সেই অভিযান স্থগিত করা হয়। পরবর্তী সময়ে বিকল্প লক্ষ্য হিসেবে ভোলারিকে চূড়ান্ত করা হয়।

বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ আগস্ট ২০২৬
গত বছর ‘অপারেশন সিঁদুর’ চলাকালে পাকিস্তানের অত্যন্ত সংবেদনশীল ও পারমাণবিক স্থাপনা সংশ্লিষ্ট কিরানা হিলস এলাকায় একটি ভারতীয় ড্রোন আঘাত হেনেছিল বলে জানিয়েছেন ভারতের সাবেক চিফ অব ডিফেন্স স্টাফ (সিডিএস) জেনারেল অনিল চৌহান।
তবে এই হামলাটি কোনো পূর্বপরিকল্পিত লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার জন্য চালানো হয়নি বলে দাবি করেছেন তিনি।
পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং পারমাণবিক অস্ত্র সক্ষমতার সঙ্গে যুক্ত কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত এই কিরানা হিলস।
জেনারেল চৌহান জানান, অপারেশন সিঁদুরের ঠিক আগে সারগোধা ও কিরানা হিলস সংলগ্ন এলাকায় বেশ কয়েকটি ‘লোইটারিং মিউনিশন’ বা নির্দিষ্ট লক্ষ্য খুঁজে আঘাত হানতে সক্ষম ড্রোন পাঠিয়েছিল ভারত।
ঘটনার বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, একটি ড্রোন দীর্ঘ সময় ধরে সংশ্লিষ্ট এলাকায় চক্কর কেটে রাডার খুঁজছিল। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্দিষ্ট লক্ষ্য খুঁজে না পাওয়ায় এবং ড্রোনটির জ্বালানি শেষ হয়ে যাওয়ার কারণে এটি অনিচ্ছাকৃতভাবে কিরানা হিলসের একটি স্থাপনার ওপর গিয়ে পড়ে।
ইচ্ছাকৃতভাবে পারমাণবিক স্থাপনা বা অস্ত্রকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়নি উল্লেখ করে তিনি জানান, অপারেশন সিঁদুর চলাকালীন ভারতীয় বিমানবাহিনীর তৎকালীন ডিরেক্টর জেনারেল অব এয়ার অপারেশনস অবসরপ্রাপ্ত এয়ার মার্শাল এ কে ভারতীও একই কথা পরিষ্কার করেছিলেন।
এদিকে রণকৌশলগত বিভিন্ন গোপনীয়তা তুলে ধরে সাবেক এই প্রতিরক্ষা প্রধান আরও জানান যে, অপারেশন সিঁদুরের সময় পাকিস্তান-অধিকৃত কাশ্মীরের স্কারদুতেও বড় ধরনের হামলার অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। সারগোধার পাশাপাশি স্কারদুসহ মোট কয়েকটি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হলেও শেষ মুহূর্তে প্রতিকূল আবহাওয়া ও খারাপ আবহাওয়ার কারণে সেই অভিযান স্থগিত করা হয়। পরবর্তী সময়ে বিকল্প লক্ষ্য হিসেবে ভোলারিকে চূড়ান্ত করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন