সাতক্ষীরার দেবহাটায় সুবর্ণাবাদ মহাশ্মশানের জমি দখলের অভিযোগে মানববন্ধন ও গণমিছিল করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) বিকেলে সুবর্ণাবাদ মন্দিরের সামনের সড়কে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।
বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, সুবর্ণাবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক জগদীশ সরকার মহাশ্মশানের দাহ্য কাঠ রাখার স্থান ও শিশু শ্মশানের জমি দখল করে রেখেছেন। এতে দীর্ঘদিনের ধর্মীয় ও সামাজিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে বলে দাবি তাদের। তারা বিষয়টি তদন্ত করে শ্মশানের জমি দখলমুক্ত এবং স্থায়ী সমাধানের দাবি জানান।
মানববন্ধনে বক্তব্য দেন দেবহাটা উপজেলা যুবদলের সদস্যসচিব মেহেদী হাসান সবুজ, উপজেলা হিন্দু-বৈদ্য-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি চন্দ্র কান্ত মল্লিক, স্থানীয় ইউপি সদস্য বিধান সরদারসহ অনেকে।
অভিযোগের বিষয়ে জগদীশ সরকারের ব্যবহৃত মুঠোফোন নম্বরে যোগাযোগ করা হলে তার স্ত্রী ফোন ধরে জানান, তিনি বাড়িতে নেই। তিনি কখন ফিরবেন, সেটিও জানা নেই বলে জানান তিনি।
দেবহাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এইচ এম শাহিন বলেন, বিষয়টি তার জানা নেই। আইনশৃঙ্খলার অবনতি হওয়ার আশঙ্কা থাকলে বা প্রয়োজন হলে ঘটনাস্থলে গিয়ে বিষয়টি তদারক করবেন।

বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ আগস্ট ২০২৬
সাতক্ষীরার দেবহাটায় সুবর্ণাবাদ মহাশ্মশানের জমি দখলের অভিযোগে মানববন্ধন ও গণমিছিল করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) বিকেলে সুবর্ণাবাদ মন্দিরের সামনের সড়কে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।
বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, সুবর্ণাবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক জগদীশ সরকার মহাশ্মশানের দাহ্য কাঠ রাখার স্থান ও শিশু শ্মশানের জমি দখল করে রেখেছেন। এতে দীর্ঘদিনের ধর্মীয় ও সামাজিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে বলে দাবি তাদের। তারা বিষয়টি তদন্ত করে শ্মশানের জমি দখলমুক্ত এবং স্থায়ী সমাধানের দাবি জানান।
মানববন্ধনে বক্তব্য দেন দেবহাটা উপজেলা যুবদলের সদস্যসচিব মেহেদী হাসান সবুজ, উপজেলা হিন্দু-বৈদ্য-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি চন্দ্র কান্ত মল্লিক, স্থানীয় ইউপি সদস্য বিধান সরদারসহ অনেকে।
অভিযোগের বিষয়ে জগদীশ সরকারের ব্যবহৃত মুঠোফোন নম্বরে যোগাযোগ করা হলে তার স্ত্রী ফোন ধরে জানান, তিনি বাড়িতে নেই। তিনি কখন ফিরবেন, সেটিও জানা নেই বলে জানান তিনি।
দেবহাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এইচ এম শাহিন বলেন, বিষয়টি তার জানা নেই। আইনশৃঙ্খলার অবনতি হওয়ার আশঙ্কা থাকলে বা প্রয়োজন হলে ঘটনাস্থলে গিয়ে বিষয়টি তদারক করবেন।

আপনার মতামত লিখুন