রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে কোনো রাজনৈতিক দলের অনুরাগী না হয়ে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে কাজ করার অঙ্গীকার করেছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণের আগে আমি দল, সংসদ ও মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করে এসেছি। আমি এখন সম্পূর্ণভাবে একজন দলনিরপেক্ষ মানুষ। দলনিরপেক্ষভাবেই আমি আমার দায়িত্ব পালন করে যাব।’
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টায় বঙ্গভবনের দরবার হলে কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সঙ্গে আয়োজিত প্রথম ‘দরবারে’ রাষ্ট্রপতি এসব কথা বলেন।
রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় কারো প্রতি কোনো রাগ বা অনুরাগ থাকবে না উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, দেশ, রাষ্ট্র ও জনগণের স্বার্থই হবে তার একমাত্র লক্ষ্য। তিনি যেকোনো পরিস্থিতিতে জনগণের আস্থা অর্জন এবং সততা, নিষ্ঠা ও স্বচ্ছতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
বঙ্গভবনকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা ও সার্বভৌমত্বের প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি এর কর্মকর্তাদের কঠোরভাবে গোপনীয়তা বজায় রাখার নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, ‘বঙ্গভবনের দৈনন্দিন কার্যক্রম এবং গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্তের বিষয়গুলো এমনভাবে পরিচালনা করতে হবে, যাতে রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা বিঘ্নিত না হয়।’
রাষ্ট্রীয় সম্পদ ব্যবহারের ক্ষেত্রে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘দেশের জনগণের অর্থেই সরকারি সম্পদ পরিচালিত হয়। তাই এসব সম্পদের সঠিক ও স্বচ্ছ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। অপচয় কোনোভাবেই কাম্য নয়।’ তিনি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিজেদের জীবনে শৃঙ্খলা ও নৈতিক মনোবল বজায় রাখারও পরামর্শ দেন।
ভাষণের শুরুতে রাষ্ট্রপতি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। একই সঙ্গে তিনি স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার অবদান এবং পূর্ববর্তী সকল রাষ্ট্রপতির কথা শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন।
বঙ্গভবনের সবাইকে একটি ‘পরিবার’ হিসেবে উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘আমরা সবাই একই জায়গায় কাজ করি। পরস্পরের সঙ্গে কথা বলে আমরা যেকোনো সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করব।’
\

বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ আগস্ট ২০২৬
রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে কোনো রাজনৈতিক দলের অনুরাগী না হয়ে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে কাজ করার অঙ্গীকার করেছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণের আগে আমি দল, সংসদ ও মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করে এসেছি। আমি এখন সম্পূর্ণভাবে একজন দলনিরপেক্ষ মানুষ। দলনিরপেক্ষভাবেই আমি আমার দায়িত্ব পালন করে যাব।’
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টায় বঙ্গভবনের দরবার হলে কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সঙ্গে আয়োজিত প্রথম ‘দরবারে’ রাষ্ট্রপতি এসব কথা বলেন।
রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় কারো প্রতি কোনো রাগ বা অনুরাগ থাকবে না উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, দেশ, রাষ্ট্র ও জনগণের স্বার্থই হবে তার একমাত্র লক্ষ্য। তিনি যেকোনো পরিস্থিতিতে জনগণের আস্থা অর্জন এবং সততা, নিষ্ঠা ও স্বচ্ছতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
বঙ্গভবনকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা ও সার্বভৌমত্বের প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি এর কর্মকর্তাদের কঠোরভাবে গোপনীয়তা বজায় রাখার নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, ‘বঙ্গভবনের দৈনন্দিন কার্যক্রম এবং গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্তের বিষয়গুলো এমনভাবে পরিচালনা করতে হবে, যাতে রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা বিঘ্নিত না হয়।’
রাষ্ট্রীয় সম্পদ ব্যবহারের ক্ষেত্রে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘দেশের জনগণের অর্থেই সরকারি সম্পদ পরিচালিত হয়। তাই এসব সম্পদের সঠিক ও স্বচ্ছ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। অপচয় কোনোভাবেই কাম্য নয়।’ তিনি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিজেদের জীবনে শৃঙ্খলা ও নৈতিক মনোবল বজায় রাখারও পরামর্শ দেন।
ভাষণের শুরুতে রাষ্ট্রপতি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। একই সঙ্গে তিনি স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার অবদান এবং পূর্ববর্তী সকল রাষ্ট্রপতির কথা শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন।
বঙ্গভবনের সবাইকে একটি ‘পরিবার’ হিসেবে উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘আমরা সবাই একই জায়গায় কাজ করি। পরস্পরের সঙ্গে কথা বলে আমরা যেকোনো সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করব।’
\

আপনার মতামত লিখুন