নেপাল ও তিব্বত সীমান্তসংলগ্ন এলাকায় আকস্মিক বন্যা ও ভয়াবহ ভূমিধসে এখনো কোনো বাংলাদেশি নাগরিক হতাহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি। কাঠমান্ডুতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) দুপুরে নেপালে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. শফিকুর রহমান জানান, পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং কাঠমান্ডুর বাংলাদেশ দূতাবাস নেপাল সরকারের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ বজায় রাখছে। এখন পর্যন্ত কোনো বাংলাদেশির নিহত বা আহত হওয়ার তথ্য মিলেনি।
এদিকে কাঠমান্ডু-পোখারা মহাসড়কে সাময়িকভাবে যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকায় গতকাল কিছু বাংলাদেশি পর্যটক আটকে পড়েছিলেন। পরে সড়ক যোগাযোগ স্বাভাবিক হলে তারা নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছেছেন বলে জানা গেছে।
বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপত্তার বিষয়টি নিশ্চিত করতে এবং উদ্ধারকাজে সহায়তার লক্ষ্যে নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শিশির খানালের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটলে তা দ্রুত বাংলাদেশকে জানাতে নেপাল সরকারের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি।
নেপালে এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিপুল প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতিতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানানোর পাশাপাশি আহত ও নিখোঁজদের দ্রুত উদ্ধার কামনা করেছে বাংলাদেশ সরকার। উদ্ধার ও ত্রাণ তৎপরতায় নেপালকে যেকোনো প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে ঢাকা প্রস্তুত রয়েছে বলেও জানানো হয়েছে।
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, নেপাল-তিব্বত সীমান্তে এই ভয়াবহ দুর্যোগে এ পর্যন্ত দেড় শতাধিক মানুষের মৃত্যু হয়েছে এবং নিখোঁজ রয়েছেন এক হাজারের বেশি মানুষ, যাদের মধ্যে অনেক বিদেশি পর্যটকও রয়েছেন।
\

বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ আগস্ট ২০২৬
নেপাল ও তিব্বত সীমান্তসংলগ্ন এলাকায় আকস্মিক বন্যা ও ভয়াবহ ভূমিধসে এখনো কোনো বাংলাদেশি নাগরিক হতাহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি। কাঠমান্ডুতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) দুপুরে নেপালে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. শফিকুর রহমান জানান, পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং কাঠমান্ডুর বাংলাদেশ দূতাবাস নেপাল সরকারের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ বজায় রাখছে। এখন পর্যন্ত কোনো বাংলাদেশির নিহত বা আহত হওয়ার তথ্য মিলেনি।
এদিকে কাঠমান্ডু-পোখারা মহাসড়কে সাময়িকভাবে যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকায় গতকাল কিছু বাংলাদেশি পর্যটক আটকে পড়েছিলেন। পরে সড়ক যোগাযোগ স্বাভাবিক হলে তারা নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছেছেন বলে জানা গেছে।
বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপত্তার বিষয়টি নিশ্চিত করতে এবং উদ্ধারকাজে সহায়তার লক্ষ্যে নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শিশির খানালের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটলে তা দ্রুত বাংলাদেশকে জানাতে নেপাল সরকারের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি।
নেপালে এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিপুল প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতিতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানানোর পাশাপাশি আহত ও নিখোঁজদের দ্রুত উদ্ধার কামনা করেছে বাংলাদেশ সরকার। উদ্ধার ও ত্রাণ তৎপরতায় নেপালকে যেকোনো প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে ঢাকা প্রস্তুত রয়েছে বলেও জানানো হয়েছে।
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, নেপাল-তিব্বত সীমান্তে এই ভয়াবহ দুর্যোগে এ পর্যন্ত দেড় শতাধিক মানুষের মৃত্যু হয়েছে এবং নিখোঁজ রয়েছেন এক হাজারের বেশি মানুষ, যাদের মধ্যে অনেক বিদেশি পর্যটকও রয়েছেন।
\

আপনার মতামত লিখুন