মক্কা চুক্তিতে (প্যাক্ট) বাংলাদেশের যোগদানের বিষয়টি নির্ভর করছে চুক্তিভুক্ত সদস্য দেশগুলোর অভিপ্রায়ের ওপর বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) জাতীয় সংসদে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কথা জানান। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে বিকেলে ত্রয়োদশ সংসদের তৃতীয় অধিবেশন শুরু হয়।
স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা সম্পূরক প্রশ্নে বলেন, ৭ আগস্ট সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তান মিলে মক্কা প্যাক্ট সই করেছে। তিনি জানতে চান, ওই প্যাক্টে যুক্ত হলে বাংলাদেশের সুবিধাটা কী হবে?
জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান বলেন, ‘এই প্যাক্ট তিনটি দেশের মধ্যে হয়েছে। এই প্যাক্টটিকে আমরা ইতিবাচক হিসেবে দেখছি। এতে যোগদান বা যোগদান না করার বিষয়টি এখনো আসেনি, কারণ এটা নির্ভর করছে প্যাক্টের সদস্যদের অভিপ্রায়ের ওপর। তারা যদি বাংলাদেশকে এই প্যাক্টে নেওয়ার বিষয়ে অভিপ্রায় প্রকাশ করে, তাহলে আমরা নিশ্চয়ই এটাকে ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করব।’
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘তার আগে এর (প্যাক্ট) ভালো–মন্দ নিয়ে আলোচনা করাটা সম্ভবত সে সময় আসেনি। আমরা নিশ্চয়ই এসব বিষয় বিবেচনা করব। তবে আমাদের মনে রাখতে হবে একটা কথা, এই প্যাক্ট যদি বিস্তৃত হয়, এটা হচ্ছে বিশ্ব মুসলিম সমাজের আত্মরক্ষার ব্যবস্থা। এটা আমাদের পরিবার। এটা মুসলিম পরিবারের অভ্যন্তরীণ বিষয়। তা নিয়ে কারও, অন্যান্যদের উদ্বেগের অবকাশ নেই।’
উল্লেখ্য, গত ৭ আগস্ট মক্কায় সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মধ্যে এই যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তি অনুযায়ী, এই তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর সশস্ত্র হামলা হলে সেটাকে তিন দেশের ওপরই হামলা হিসেবে ধরা হবে। সম্প্রতি বাংলাদেশের পক্ষ থেকেও এই জোটে আগ্রহ প্রকাশ করা হয়েছে বলে গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ আগস্ট ২০২৬
মক্কা চুক্তিতে (প্যাক্ট) বাংলাদেশের যোগদানের বিষয়টি নির্ভর করছে চুক্তিভুক্ত সদস্য দেশগুলোর অভিপ্রায়ের ওপর বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) জাতীয় সংসদে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কথা জানান। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে বিকেলে ত্রয়োদশ সংসদের তৃতীয় অধিবেশন শুরু হয়।
স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা সম্পূরক প্রশ্নে বলেন, ৭ আগস্ট সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তান মিলে মক্কা প্যাক্ট সই করেছে। তিনি জানতে চান, ওই প্যাক্টে যুক্ত হলে বাংলাদেশের সুবিধাটা কী হবে?
জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান বলেন, ‘এই প্যাক্ট তিনটি দেশের মধ্যে হয়েছে। এই প্যাক্টটিকে আমরা ইতিবাচক হিসেবে দেখছি। এতে যোগদান বা যোগদান না করার বিষয়টি এখনো আসেনি, কারণ এটা নির্ভর করছে প্যাক্টের সদস্যদের অভিপ্রায়ের ওপর। তারা যদি বাংলাদেশকে এই প্যাক্টে নেওয়ার বিষয়ে অভিপ্রায় প্রকাশ করে, তাহলে আমরা নিশ্চয়ই এটাকে ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করব।’
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘তার আগে এর (প্যাক্ট) ভালো–মন্দ নিয়ে আলোচনা করাটা সম্ভবত সে সময় আসেনি। আমরা নিশ্চয়ই এসব বিষয় বিবেচনা করব। তবে আমাদের মনে রাখতে হবে একটা কথা, এই প্যাক্ট যদি বিস্তৃত হয়, এটা হচ্ছে বিশ্ব মুসলিম সমাজের আত্মরক্ষার ব্যবস্থা। এটা আমাদের পরিবার। এটা মুসলিম পরিবারের অভ্যন্তরীণ বিষয়। তা নিয়ে কারও, অন্যান্যদের উদ্বেগের অবকাশ নেই।’
উল্লেখ্য, গত ৭ আগস্ট মক্কায় সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মধ্যে এই যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তি অনুযায়ী, এই তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর সশস্ত্র হামলা হলে সেটাকে তিন দেশের ওপরই হামলা হিসেবে ধরা হবে। সম্প্রতি বাংলাদেশের পক্ষ থেকেও এই জোটে আগ্রহ প্রকাশ করা হয়েছে বলে গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন