সংবাদ

ছয় মাস ধরে অদৃশ্য ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি


সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক
প্রকাশ: ২৮ আগস্ট ২০২৬, ০৬:৫৯ পিএম

ছয় মাস ধরে অদৃশ্য ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি

যুদ্ধ শুরুর দীর্ঘ ছয় মাস পেরিয়ে গেলেও ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনিকে এখনো প্রকাশ্যে দেখা যায়নি বা তাঁর কোনো কণ্ঠ শোনা যায়নি।

এর ফলে তাঁর শারীরিক অবস্থা দেশের নেতৃত্বে তাঁর ভূমিকা নিয়ে খোদ ইরানজুড়ে প্রশ্ন ক্রমেই বাড়ছে। ছয় মাস আগে শুরু হওয়া তীব্র বিমান হামলার পর গুরুতর আহত অবস্থায় মোজতবা খামেনি ইরানের সর্বোচ্চ নেতার দায়িত্বভার গ্রহণ করেন।

তবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে তিনি পুরোপুরি আড়ালে থাকায় চলমান যুদ্ধের মধ্যে দেশটির নেতৃত্বের কেন্দ্রে এক ধরনের গভীর শূন্যতা তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা। বর্তমান সময়ে ইরান এমন এক সংকটময় সময় পার করছে, যখন দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধ পুরো মধ্যপ্রাচ্যকে চরম অস্থির করে তুলেছে এবং দেশটির আগে থেকেই ভঙ্গুর অর্থনীতিতে বড় ধরনের চাপ তৈরি করেছে।

ছায়া থেকে শাসন কঠোর গোপনীয়তা

ইরানের সরকারি কর্মকর্তা দেশটির কয়েকজন শীর্ষস্থানীয় সূত্রের দাবি, মোজতবা এখনও ক্ষমতা গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণের পুরো নিয়ন্ত্রণে রয়েছেন। কঠোর নিরাপত্তার কারণে তিনি প্রকাশ্যে আসছেন না এবং গুরুতর আঘাত থেকে সুস্থ হওয়ার প্রক্রিয়া চলার পাশাপাশি দৈনন্দিন প্রশাসনিক দায়িত্বের বড় একটি অংশ তিনি কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তার হাতে অর্পণ করেছেন।

তবে দায়িত্ব নেওয়ার এক সপ্তাহ পর থেকে এখন পর্যন্ত তাঁর কোনো ছবি, ভিডিও বা মোটেও কোনো অডিও বার্তা জনসমক্ষে প্রকাশ করা হয়নি। ইসলামি প্রজাতন্ত্রের রাজনৈতিক কাঠামোয় সর্বোচ্চ নেতার বক্তব্যকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়ে থাকে।

ফলে তাঁর এই দীর্ঘ অনুপস্থিতি নিয়ে সাধারণ সাধারণ মানুষ সমর্থকদের মনে নানা সন্দেহের সৃষ্টি হচ্ছে। ওয়াশিংটনের মিডল ইস্ট ইনস্টিটিউটের বিশ্লেষক অ্যালেক্স ভাতানকা এই প্রসঙ্গে বলেন, এখন প্রশ্ন কেবল মোজতবা বেঁচে আছেন কি না, তা নয়; বরং ইরানের কার্যকর সর্বোচ্চ নেতা আদনান আদৌ কেউ আছেন কি না, সেটিই সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মোজতবার পক্ষ থেকে দেশের জনগণের উদ্দেশে এখন পর্যন্ত যেসব বার্তা দেওয়া হয়েছে, সেগুলোর সবই কেবল কয়েকটি লিখিত বিবৃতির মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছে এবং এসব বিবৃতি দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমে শুধু পড়ে শোনানো হয়েছে। এমনকি গত মাসে তাঁর বাবা প্রয়াত আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যুর পর আয়োজিত জাঁকজমকপূর্ণ সপ্তাহব্যাপী শোক শেষকৃত্যের অনুষ্ঠানেও মোজতবাকে প্রকাশ্যে দেখা যায়নি।

হত্যার আশঙ্কা জনমনে সংশয়

ইরানের শীর্ষ কর্মকর্তারা সরকারের অতিঘনিষ্ঠ ব্যক্তিরা দাবি করছেন, মোজতবার প্রকাশ্যে না আসার মূল কারণ সর্বোচ্চ পর্যায়ের নিরাপত্তা। তাঁর ওপর হামলা বা তাঁকে হত্যার তীব্র আশঙ্কা রয়েছে বলেই তিনি আড়ালে রয়েছেন।

তাঁদের ভাষ্য অনুযায়ী, মোজতবা আড়ালে থেকেও নিয়মিত শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে গোপন বৈঠক করছেন, সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ গোয়েন্দা প্রতিবেদন পাচ্ছেন এবং দেশের স্পর্শকাতর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত তিনিই গ্রহণ করে চলেছেন। ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান ১০ আগস্ট দাবি করেছিলেন যে তিনি মোজতবার সঙ্গে একটানা সাত ঘণ্টার একটি দীর্ঘ বৈঠক করেছেন।

তবে দেশের কট্টরপন্থি সমর্থকদের মধ্যেও এখন এই পরিস্থিতি নিয়ে তীব্র সংশয় দেখা দিয়েছে। কোম শহরের বাসিজ স্বেচ্ছাসেবী বাহিনীর এক সদস্য বলেন, দেশের নেতৃত্বে মোজতবার উপস্থিতি সম্পর্কে সাধারণ মানুষের আস্থা বাড়াতে তাঁর সরাসরি কণ্ঠ শোনা কিংবা তিনি যে বাস্তবে নেতৃত্ব দিচ্ছেনএমন কোনো দৃশ্যমান প্রমাণ পাওয়া অত্যন্ত জরুরি।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই ব্যক্তি জানান, তিনি বিশ্বাস করেন মোজতবা এখনও সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন, কিন্তু তাঁর একটি ছবি বা প্রমাণ না থাকায় জনমনে মনোবল ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

অন্যদিকে, ইরানের শাসকগোষ্ঠীর বিরোধী সংস্কারপন্থিদের সন্দেহ আরও তীব্র আকার ধারণ করেছে।

তেহরানের সংস্কারপন্থি ব্যবসায়ী শাহরোখ প্রশ্ন তুলে বলেন, মোজতবা যে বিমান হামলায় নিহত হননি, তার শতভাগ নিশ্চয়তা জনগণ কীভাবে পাবে?

তাঁর মতে, নেতার একটিমাত্র জীবিত ছবি না থাকলে তিনি দেশের সিদ্ধান্তে যুক্ত আছেন কি না, তা বিশ্বাস করা অসম্ভব।

ক্ষমতার কাঠামোয় রেভল্যুশনারি গার্ডসের দাপট

সবচেয়ে শক্তিশালী প্রতিপক্ষগুলোর সঙ্গে টানা ছয় মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর ইরান নানাভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হলেও রাষ্ট্র হিসেবে এখনো টিকে আছে। দেশটির রাজনৈতিক কাঠামো শাসনব্যবস্থা এখনো কার্যকর রয়েছে এবং সামরিক বাহিনীর কাছে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের প্রভাব ফেলার পাশাপাশি উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্রদের ওপর পাল্টা হামলা চালানোর সামরিক সক্ষমতাও বজায় রয়েছে।

এই জটিল পরিস্থিতিতে ইরানের মূল ক্ষমতার কাঠামোয় ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডসের ভূমিকা অত্যন্ত নির্ণায়ক শক্তিশালী হয়ে উঠেছে। মোজতবা খামেনি দীর্ঘদিন ধরে জনচক্ষুর অন্তরালে থাকায় তাঁর শাসনতান্ত্রিক নেতৃত্ব কতটা কার্যকর এবং অদূর ভবিষ্যতে দেশটির ক্ষমতার ভারসাম্য কোন বিপজ্জনক মোড় নেয়, তা নিয়ে বিশ্বজুড়ে অনিশ্চয়তা বেড়েই চলেছে।

 

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


ছয় মাস ধরে অদৃশ্য ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি

প্রকাশের তারিখ : ২৮ আগস্ট ২০২৬

featured Image

যুদ্ধ শুরুর দীর্ঘ ছয় মাস পেরিয়ে গেলেও ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনিকে এখনো প্রকাশ্যে দেখা যায়নি বা তাঁর কোনো কণ্ঠ শোনা যায়নি।

এর ফলে তাঁর শারীরিক অবস্থা দেশের নেতৃত্বে তাঁর ভূমিকা নিয়ে খোদ ইরানজুড়ে প্রশ্ন ক্রমেই বাড়ছে। ছয় মাস আগে শুরু হওয়া তীব্র বিমান হামলার পর গুরুতর আহত অবস্থায় মোজতবা খামেনি ইরানের সর্বোচ্চ নেতার দায়িত্বভার গ্রহণ করেন।

তবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে তিনি পুরোপুরি আড়ালে থাকায় চলমান যুদ্ধের মধ্যে দেশটির নেতৃত্বের কেন্দ্রে এক ধরনের গভীর শূন্যতা তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা। বর্তমান সময়ে ইরান এমন এক সংকটময় সময় পার করছে, যখন দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধ পুরো মধ্যপ্রাচ্যকে চরম অস্থির করে তুলেছে এবং দেশটির আগে থেকেই ভঙ্গুর অর্থনীতিতে বড় ধরনের চাপ তৈরি করেছে।

ছায়া থেকে শাসন কঠোর গোপনীয়তা

ইরানের সরকারি কর্মকর্তা দেশটির কয়েকজন শীর্ষস্থানীয় সূত্রের দাবি, মোজতবা এখনও ক্ষমতা গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণের পুরো নিয়ন্ত্রণে রয়েছেন। কঠোর নিরাপত্তার কারণে তিনি প্রকাশ্যে আসছেন না এবং গুরুতর আঘাত থেকে সুস্থ হওয়ার প্রক্রিয়া চলার পাশাপাশি দৈনন্দিন প্রশাসনিক দায়িত্বের বড় একটি অংশ তিনি কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তার হাতে অর্পণ করেছেন।

তবে দায়িত্ব নেওয়ার এক সপ্তাহ পর থেকে এখন পর্যন্ত তাঁর কোনো ছবি, ভিডিও বা মোটেও কোনো অডিও বার্তা জনসমক্ষে প্রকাশ করা হয়নি। ইসলামি প্রজাতন্ত্রের রাজনৈতিক কাঠামোয় সর্বোচ্চ নেতার বক্তব্যকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়ে থাকে।

ফলে তাঁর এই দীর্ঘ অনুপস্থিতি নিয়ে সাধারণ সাধারণ মানুষ সমর্থকদের মনে নানা সন্দেহের সৃষ্টি হচ্ছে। ওয়াশিংটনের মিডল ইস্ট ইনস্টিটিউটের বিশ্লেষক অ্যালেক্স ভাতানকা এই প্রসঙ্গে বলেন, এখন প্রশ্ন কেবল মোজতবা বেঁচে আছেন কি না, তা নয়; বরং ইরানের কার্যকর সর্বোচ্চ নেতা আদনান আদৌ কেউ আছেন কি না, সেটিই সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মোজতবার পক্ষ থেকে দেশের জনগণের উদ্দেশে এখন পর্যন্ত যেসব বার্তা দেওয়া হয়েছে, সেগুলোর সবই কেবল কয়েকটি লিখিত বিবৃতির মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছে এবং এসব বিবৃতি দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমে শুধু পড়ে শোনানো হয়েছে। এমনকি গত মাসে তাঁর বাবা প্রয়াত আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যুর পর আয়োজিত জাঁকজমকপূর্ণ সপ্তাহব্যাপী শোক শেষকৃত্যের অনুষ্ঠানেও মোজতবাকে প্রকাশ্যে দেখা যায়নি।

হত্যার আশঙ্কা জনমনে সংশয়

ইরানের শীর্ষ কর্মকর্তারা সরকারের অতিঘনিষ্ঠ ব্যক্তিরা দাবি করছেন, মোজতবার প্রকাশ্যে না আসার মূল কারণ সর্বোচ্চ পর্যায়ের নিরাপত্তা। তাঁর ওপর হামলা বা তাঁকে হত্যার তীব্র আশঙ্কা রয়েছে বলেই তিনি আড়ালে রয়েছেন।

তাঁদের ভাষ্য অনুযায়ী, মোজতবা আড়ালে থেকেও নিয়মিত শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে গোপন বৈঠক করছেন, সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ গোয়েন্দা প্রতিবেদন পাচ্ছেন এবং দেশের স্পর্শকাতর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত তিনিই গ্রহণ করে চলেছেন। ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান ১০ আগস্ট দাবি করেছিলেন যে তিনি মোজতবার সঙ্গে একটানা সাত ঘণ্টার একটি দীর্ঘ বৈঠক করেছেন।

তবে দেশের কট্টরপন্থি সমর্থকদের মধ্যেও এখন এই পরিস্থিতি নিয়ে তীব্র সংশয় দেখা দিয়েছে। কোম শহরের বাসিজ স্বেচ্ছাসেবী বাহিনীর এক সদস্য বলেন, দেশের নেতৃত্বে মোজতবার উপস্থিতি সম্পর্কে সাধারণ মানুষের আস্থা বাড়াতে তাঁর সরাসরি কণ্ঠ শোনা কিংবা তিনি যে বাস্তবে নেতৃত্ব দিচ্ছেনএমন কোনো দৃশ্যমান প্রমাণ পাওয়া অত্যন্ত জরুরি।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই ব্যক্তি জানান, তিনি বিশ্বাস করেন মোজতবা এখনও সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন, কিন্তু তাঁর একটি ছবি বা প্রমাণ না থাকায় জনমনে মনোবল ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

অন্যদিকে, ইরানের শাসকগোষ্ঠীর বিরোধী সংস্কারপন্থিদের সন্দেহ আরও তীব্র আকার ধারণ করেছে।

তেহরানের সংস্কারপন্থি ব্যবসায়ী শাহরোখ প্রশ্ন তুলে বলেন, মোজতবা যে বিমান হামলায় নিহত হননি, তার শতভাগ নিশ্চয়তা জনগণ কীভাবে পাবে?

তাঁর মতে, নেতার একটিমাত্র জীবিত ছবি না থাকলে তিনি দেশের সিদ্ধান্তে যুক্ত আছেন কি না, তা বিশ্বাস করা অসম্ভব।

ক্ষমতার কাঠামোয় রেভল্যুশনারি গার্ডসের দাপট

সবচেয়ে শক্তিশালী প্রতিপক্ষগুলোর সঙ্গে টানা ছয় মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর ইরান নানাভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হলেও রাষ্ট্র হিসেবে এখনো টিকে আছে। দেশটির রাজনৈতিক কাঠামো শাসনব্যবস্থা এখনো কার্যকর রয়েছে এবং সামরিক বাহিনীর কাছে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের প্রভাব ফেলার পাশাপাশি উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্রদের ওপর পাল্টা হামলা চালানোর সামরিক সক্ষমতাও বজায় রয়েছে।

এই জটিল পরিস্থিতিতে ইরানের মূল ক্ষমতার কাঠামোয় ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডসের ভূমিকা অত্যন্ত নির্ণায়ক শক্তিশালী হয়ে উঠেছে। মোজতবা খামেনি দীর্ঘদিন ধরে জনচক্ষুর অন্তরালে থাকায় তাঁর শাসনতান্ত্রিক নেতৃত্ব কতটা কার্যকর এবং অদূর ভবিষ্যতে দেশটির ক্ষমতার ভারসাম্য কোন বিপজ্জনক মোড় নেয়, তা নিয়ে বিশ্বজুড়ে অনিশ্চয়তা বেড়েই চলেছে।

 


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত