সম্প্রতি জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের অ্যানালিটিক্যাল সাপোর্ট অ্যান্ড স্যাংশনস মনিটরিং টিম-এর ৩৮তম প্রতিবেদনে বাংলাদেশে আল কায়েদার তৎপরতা নিয়ে স্পষ্ট উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। রিপোর্টে বলা হয়েছে, ‘আল-কায়েদা ইন দ্য ইণ্ডিয়ান সাবকন্টিনেন্ট’ বা একিউআইএস একটি খণ্ডিত গোষ্ঠী থেকে আঞ্চলিক সন্ত্রাসী নেটওয়ার্কে রূপান্তরিত হচ্ছে। বড় ইউনিটের বদলে তারা এখন ছোট ছোট, ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা সেলের মাধ্যমে কাজ করছে। ২০২৫ সালের নভেম্বরে দিল্লির লাল কেল্লায় হামলার দায়ও আনুষ্ঠানিকভাবে একিউআইএস-এর ওপর চাপানো হয়েছে। রিপোর্টের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো, এই গোষ্ঠীটি বাংলাদেশকে ব্যবহার করে স্থায়ী ঘাঁটি ও গোপন সেল গড়ে তোলার চেষ্টা করছে।
সরকারের অবস্থান ঠিক এর বিপরীত। বর্তমান বিএনপি সরকার এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রকাশ্যেই বলেছেন, বাংলাদেশে কোনো জঙ্গি তৎপরতা নেই। শঙ্কা না থাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও অযথা আতঙ্কিত না হতে বলেছে। এমনকি জাতিসংঘের রিপোর্টকে ‘অনুমান নির্ভর’ আখ্যা দিয়ে উড়িয়ে দেয়ার চেষ্টা হয়েছে। কিন্তু মাঠের বাস্তবতা অন্য কথা বলছে। ঢাকা ও এর আশপাশে গত কয়েক মাসে বোমা ও বিস্ফোরক তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধারের ঘটনা একাধিকবার ঘটেছে। গত ১২ আগস্ট সাভারের একটি বাড়িতে পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট অভিযান চালিয়ে ৯টি বিস্ফোরক, বিপুল পরিমাণ গানপাউডার ও বিস্ফোরক তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করেছে। এর আগে আশুলিয়া এবং মতিঝিল মেট্রোরেল স্টেশনের নিচ থেকেও বোমা উদ্ধার হয়েছে। এসব ঘটনার পর পুলিশ সদর দপ্তর সারা দেশে সতর্কতা জারি করতে বাধ্য হয়েছে।
জঙ্গি তৎপরতা বাংলাদেশে নতুন নয়, বরং সুযোগ পেলেই মাথাচাড়া দেয়। ৫ আগস্ট ক্ষমতার পটপরিবর্তনের পর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির সুযোগে উগ্রপন্থী ধর্মীয় গোষ্ঠীগুলো আবার উজ্জীবিত হচ্ছে। কারাগার ভেঙে কিংবা জামিনে সেসময় এমন কিছু ব্যক্তি বেরিয়ে এসেছেন যাদের বিরুদ্ধে উগ্র সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগ ছিল। কারা অধিদপ্তরের প্রধান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ মো. মোতাহের হোসেন জানিয়েছেন, কারাগার থেকে পালিয়ে যাওয়া বা জামিনে থাকা বিপুল সংখ্যক জঙ্গির নথি নেই। অর্থাৎ নথিগুলো নষ্ট বা গায়েব করে দেয়া হয়েছে। এদের বেশিরভাগকেই গ্রেপ্তার করা হয়েছিল আগের আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে। ৫ আগস্টের পর তারা বেরিয়ে গেছে, বের করে দেয়া হয়েছে, জামিনে মুক্তি পেয়েছে।
বিএনপি, জামায়াত এবং তাদের ঘরানার একটি অংশের বক্তব্য হলো, দেশে জঙ্গি নেই, এসব আওয়ামী লীগের অপপ্রচার। অথচ ইতিহাস ভিন্ন কথা বলে। বিএনপির শাসনামলে ‘বাংলাভাই’ রাজশাহী অঞ্চলে পুলিশের ছত্রছায়ায় প্রকাশ্যে মানুষ ধরে এনে গাছে ঝুলিয়ে পিটিয়েছে, মেরেছে। তখন জামায়াতের নেতা মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী সংসদে দাঁড়িয়ে বলেছিলেন, বাংলাভাই বলে কেউ নেই, এটা মিডিয়ার সৃষ্টি। অথচ সেই সরকারই বহুদিন পর তাকে গ্রেপ্তার করে এবং বিচারে তার ফাঁসি হয়। জঙ্গি না থাকলে ২০০৫ সালে দেশের ৬৩ জেলায় একযোগে বোমা ফুটাল কারা? কারা আদালতে বোমা মেরে ‘তাগুত’ আইনের বিরুদ্ধে জেহাদ ঘোষণা করল? প্রশ্নগুলো আজও অমীমাংসিত।
এই ধারাবাহিকতার সবচেয়ে নারকীয় অধ্যায় ছিল ২০১৬ সালের ১ জুলাই গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারিতে হামলা। ওই রাতে জেএমবির কথিত নব্য শাখার উগ্রপন্থীরা ১৭ জন বিদেশিসহ ২০ জনকে নির্মমভাবে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা করে। এ ঘটনার পর বাংলাদেশের ভাবমূর্তি আন্তর্জাতিকভাবে বড় ধাক্কা খায়। বিদেশি বিনিয়োগ, পর্যটন ও প্রবাসীদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। হলি আর্টিজান প্রমাণ করেছিল, দেশীয় জঙ্গিরা আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত হয়ে বড় হামলার সক্ষমতা রাখে। সেই ক্ষত এখনও শুকায়নি।
যখন দেশের ভেতরে একের পর এক বোমা উদ্ধার ও বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটছে, তখন তা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের নজর এড়ায় না। নজরে না এলে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ তাদের রিপোর্টে এত সুনির্দিষ্টভাবে বাংলাদেশের নাম উল্লেখ করত না। নিরাপত্তা পরিষদের সিদ্ধান্ত সদস্য রাষ্ট্রগুলোর জন্য বাধ্যতামূলক। তাই ‘অনুমান নির্ভর’ বলে রিপোর্ট উড়িয়ে দেয়ার সুযোগ কম। অথচ একই জাতিসংঘের মানবাধিকার সংস্থার ভলকার তুর্কের জুলাই গণআন্দোলন বিষয়ক প্রতিবেদনকে অক্ষরে অক্ষরে সত্য মেনে নেয়া হয়েছে। টিআইবি-র দুর্নীতি বিষয়ক রিপোর্টও বাংলাদেশের প্রতিটি সরকার প্রথমে অস্বীকার করেছে, হুমকি দিয়েছে, পরে সেই রিপোর্ট উপেক্ষার খেসারত দেশকে দুর্নীতির আখড়া হিসেবে দিতে হয়েছে।
শেষ কথা হলো, অস্বীকার দিয়ে বিপদ দূর হয় না। যদি সরকার এখনই জাতিসংঘের সতর্কতাকে গুরুত্ব না দেয়, সময়মতো সেলগুলো ভেঙে না দেয়, তাহলে বাংলাদেশ পাকিস্তানের পথেই হাঁটবে। একসময় পাসপোর্টে পাকিস্তানের ভিসা থাকলে ইউরোপ-আমেরিকার মতো উন্নত দেশগুলো সেই পাসপোর্টে ভিসা দিতে চাইতো না। বাংলাদেশকে যদি সেই তালিকায় যেতে হয়, তার দায় সরকারকেই নিতে হবে। জাতিসংঘের রিপোর্ট কোনো রাজনৈতিক অস্ত্র নয়, এটি রাষ্ট্রের জন্য একটি আয়না। আয়নায় মুখ দেখে যদি আমরা বলি মুখ নেই, তাহলে বাস্তবতা বদলাবে না। বরং সেল বাড়বে, বিস্ফোরক বাড়বে, আর আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম একটি অস্থির ও বিচ্ছিন্ন বাংলাদেশ পাবে। এখন সময় রাজনীতির হিসাব ভুলে জাতীয় ঐক্যের ভিত্তিতে জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়ার। নইলে ইতিহাস আমাদের ক্ষমা করবে না।
(লেখকের নিজস্ব মত)
[লেখক: সাবেক নির্বাহী পরিচালক, বাংলাদেশ ব্যাংক]

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ আগস্ট ২০২৬
সম্প্রতি জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের অ্যানালিটিক্যাল সাপোর্ট অ্যান্ড স্যাংশনস মনিটরিং টিম-এর ৩৮তম প্রতিবেদনে বাংলাদেশে আল কায়েদার তৎপরতা নিয়ে স্পষ্ট উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। রিপোর্টে বলা হয়েছে, ‘আল-কায়েদা ইন দ্য ইণ্ডিয়ান সাবকন্টিনেন্ট’ বা একিউআইএস একটি খণ্ডিত গোষ্ঠী থেকে আঞ্চলিক সন্ত্রাসী নেটওয়ার্কে রূপান্তরিত হচ্ছে। বড় ইউনিটের বদলে তারা এখন ছোট ছোট, ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা সেলের মাধ্যমে কাজ করছে। ২০২৫ সালের নভেম্বরে দিল্লির লাল কেল্লায় হামলার দায়ও আনুষ্ঠানিকভাবে একিউআইএস-এর ওপর চাপানো হয়েছে। রিপোর্টের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো, এই গোষ্ঠীটি বাংলাদেশকে ব্যবহার করে স্থায়ী ঘাঁটি ও গোপন সেল গড়ে তোলার চেষ্টা করছে।
সরকারের অবস্থান ঠিক এর বিপরীত। বর্তমান বিএনপি সরকার এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রকাশ্যেই বলেছেন, বাংলাদেশে কোনো জঙ্গি তৎপরতা নেই। শঙ্কা না থাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও অযথা আতঙ্কিত না হতে বলেছে। এমনকি জাতিসংঘের রিপোর্টকে ‘অনুমান নির্ভর’ আখ্যা দিয়ে উড়িয়ে দেয়ার চেষ্টা হয়েছে। কিন্তু মাঠের বাস্তবতা অন্য কথা বলছে। ঢাকা ও এর আশপাশে গত কয়েক মাসে বোমা ও বিস্ফোরক তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধারের ঘটনা একাধিকবার ঘটেছে। গত ১২ আগস্ট সাভারের একটি বাড়িতে পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট অভিযান চালিয়ে ৯টি বিস্ফোরক, বিপুল পরিমাণ গানপাউডার ও বিস্ফোরক তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করেছে। এর আগে আশুলিয়া এবং মতিঝিল মেট্রোরেল স্টেশনের নিচ থেকেও বোমা উদ্ধার হয়েছে। এসব ঘটনার পর পুলিশ সদর দপ্তর সারা দেশে সতর্কতা জারি করতে বাধ্য হয়েছে।
জঙ্গি তৎপরতা বাংলাদেশে নতুন নয়, বরং সুযোগ পেলেই মাথাচাড়া দেয়। ৫ আগস্ট ক্ষমতার পটপরিবর্তনের পর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির সুযোগে উগ্রপন্থী ধর্মীয় গোষ্ঠীগুলো আবার উজ্জীবিত হচ্ছে। কারাগার ভেঙে কিংবা জামিনে সেসময় এমন কিছু ব্যক্তি বেরিয়ে এসেছেন যাদের বিরুদ্ধে উগ্র সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগ ছিল। কারা অধিদপ্তরের প্রধান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ মো. মোতাহের হোসেন জানিয়েছেন, কারাগার থেকে পালিয়ে যাওয়া বা জামিনে থাকা বিপুল সংখ্যক জঙ্গির নথি নেই। অর্থাৎ নথিগুলো নষ্ট বা গায়েব করে দেয়া হয়েছে। এদের বেশিরভাগকেই গ্রেপ্তার করা হয়েছিল আগের আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে। ৫ আগস্টের পর তারা বেরিয়ে গেছে, বের করে দেয়া হয়েছে, জামিনে মুক্তি পেয়েছে।
বিএনপি, জামায়াত এবং তাদের ঘরানার একটি অংশের বক্তব্য হলো, দেশে জঙ্গি নেই, এসব আওয়ামী লীগের অপপ্রচার। অথচ ইতিহাস ভিন্ন কথা বলে। বিএনপির শাসনামলে ‘বাংলাভাই’ রাজশাহী অঞ্চলে পুলিশের ছত্রছায়ায় প্রকাশ্যে মানুষ ধরে এনে গাছে ঝুলিয়ে পিটিয়েছে, মেরেছে। তখন জামায়াতের নেতা মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী সংসদে দাঁড়িয়ে বলেছিলেন, বাংলাভাই বলে কেউ নেই, এটা মিডিয়ার সৃষ্টি। অথচ সেই সরকারই বহুদিন পর তাকে গ্রেপ্তার করে এবং বিচারে তার ফাঁসি হয়। জঙ্গি না থাকলে ২০০৫ সালে দেশের ৬৩ জেলায় একযোগে বোমা ফুটাল কারা? কারা আদালতে বোমা মেরে ‘তাগুত’ আইনের বিরুদ্ধে জেহাদ ঘোষণা করল? প্রশ্নগুলো আজও অমীমাংসিত।
এই ধারাবাহিকতার সবচেয়ে নারকীয় অধ্যায় ছিল ২০১৬ সালের ১ জুলাই গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারিতে হামলা। ওই রাতে জেএমবির কথিত নব্য শাখার উগ্রপন্থীরা ১৭ জন বিদেশিসহ ২০ জনকে নির্মমভাবে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা করে। এ ঘটনার পর বাংলাদেশের ভাবমূর্তি আন্তর্জাতিকভাবে বড় ধাক্কা খায়। বিদেশি বিনিয়োগ, পর্যটন ও প্রবাসীদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। হলি আর্টিজান প্রমাণ করেছিল, দেশীয় জঙ্গিরা আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত হয়ে বড় হামলার সক্ষমতা রাখে। সেই ক্ষত এখনও শুকায়নি।
যখন দেশের ভেতরে একের পর এক বোমা উদ্ধার ও বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটছে, তখন তা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের নজর এড়ায় না। নজরে না এলে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ তাদের রিপোর্টে এত সুনির্দিষ্টভাবে বাংলাদেশের নাম উল্লেখ করত না। নিরাপত্তা পরিষদের সিদ্ধান্ত সদস্য রাষ্ট্রগুলোর জন্য বাধ্যতামূলক। তাই ‘অনুমান নির্ভর’ বলে রিপোর্ট উড়িয়ে দেয়ার সুযোগ কম। অথচ একই জাতিসংঘের মানবাধিকার সংস্থার ভলকার তুর্কের জুলাই গণআন্দোলন বিষয়ক প্রতিবেদনকে অক্ষরে অক্ষরে সত্য মেনে নেয়া হয়েছে। টিআইবি-র দুর্নীতি বিষয়ক রিপোর্টও বাংলাদেশের প্রতিটি সরকার প্রথমে অস্বীকার করেছে, হুমকি দিয়েছে, পরে সেই রিপোর্ট উপেক্ষার খেসারত দেশকে দুর্নীতির আখড়া হিসেবে দিতে হয়েছে।
শেষ কথা হলো, অস্বীকার দিয়ে বিপদ দূর হয় না। যদি সরকার এখনই জাতিসংঘের সতর্কতাকে গুরুত্ব না দেয়, সময়মতো সেলগুলো ভেঙে না দেয়, তাহলে বাংলাদেশ পাকিস্তানের পথেই হাঁটবে। একসময় পাসপোর্টে পাকিস্তানের ভিসা থাকলে ইউরোপ-আমেরিকার মতো উন্নত দেশগুলো সেই পাসপোর্টে ভিসা দিতে চাইতো না। বাংলাদেশকে যদি সেই তালিকায় যেতে হয়, তার দায় সরকারকেই নিতে হবে। জাতিসংঘের রিপোর্ট কোনো রাজনৈতিক অস্ত্র নয়, এটি রাষ্ট্রের জন্য একটি আয়না। আয়নায় মুখ দেখে যদি আমরা বলি মুখ নেই, তাহলে বাস্তবতা বদলাবে না। বরং সেল বাড়বে, বিস্ফোরক বাড়বে, আর আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম একটি অস্থির ও বিচ্ছিন্ন বাংলাদেশ পাবে। এখন সময় রাজনীতির হিসাব ভুলে জাতীয় ঐক্যের ভিত্তিতে জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়ার। নইলে ইতিহাস আমাদের ক্ষমা করবে না।
(লেখকের নিজস্ব মত)
[লেখক: সাবেক নির্বাহী পরিচালক, বাংলাদেশ ব্যাংক]

আপনার মতামত লিখুন