মহাকাশবিজ্ঞান নিয়ে শিশু-কিশোরদের আগ্রহ ও কৌতূহল বাড়াতে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হলো তৃতীয় ‘স্পেস এক্সপ্লোরেশন অলিম্পিয়াড’। শনিবার (৩০ আগস্ট) আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ (এআইইউবি) ক্যাম্পাসে আয়োজিত গ্র্যান্ড ফিনালেতে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে বাছাই হয়ে আসা ২০২ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়।
৬ থেকে ১৬ বছর বয়সী শিক্ষার্থীদের চারটি বয়সভিত্তিক ক্যাটাগরিতে প্রতিযোগিতার সুযোগ দেওয়া হয়। ছোটদের জন্য সৌরজগৎ, গ্রহ-নক্ষত্র, রকেট ও স্যাটেলাইটের মতো মৌলিক বিষয় এবং বড়দের জন্য মহাকাশ রোবোটিকস, মঙ্গলগ্রহের রোভার, স্পেস স্টেশন ও ভবিষ্যৎ মহাকাশ প্রযুক্তির মতো বিষয় রাখা হয়।
চূড়ান্ত পর্বের আগে অনলাইনে কয়েক ধাপে বাছাই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বাংলাদেশে থাকা শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি বিদেশে অবস্থানরত শিক্ষার্থীরাও অংশ নেয়।
অনুষ্ঠানে এআইইউবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. সাইফুল ইসলাম বলেন, আজকের শিশুরাই আগামী দিনের বিজ্ঞানী, প্রকৌশলী ও উদ্ভাবক। মহাকাশবিজ্ঞানের মতো বিষয় আনন্দের সঙ্গে শেখার সুযোগ পেলে শিক্ষার্থীদের শেখা আরও গভীর ও কার্যকর হবে।
আইইউবির সহযোগী অধ্যাপক ড. সৈয়দ আশরাফ উদ্দিন বলেন, ছোটবেলা থেকেই মহাকাশ ও পদার্থবিজ্ঞানের প্রতি আগ্রহ তৈরি করা প্রয়োজন। এ ধরনের আয়োজন শিক্ষার্থীদের পাঠ্যবইয়ের বাইরে চিন্তা করতে শেখায়।
স্পেস ইনোভেশন ক্যাম্পের সভাপতি আরিফুল হাসান বলেন, শিশু-কিশোরদের মধ্যেই ভবিষ্যতের বিজ্ঞানী ও উদ্ভাবকদের সম্ভাবনা রয়েছে। তাদের মধ্যে বিজ্ঞানমনস্কতা ও মহাকাশ বিষয়ে আগ্রহ তৈরিই এ আয়োজনের অন্যতম লক্ষ্য।
দিনব্যাপী প্রতিযোগিতা শেষে চারটি ক্যাটাগরিতে ৩৩ জন শিক্ষার্থীকে পুরস্কার দেওয়া হয়। আয়োজকদের আশা, ভবিষ্যতে এ আয়োজন আরও বড় পরিসরে অনুষ্ঠিত হবে।

রোববার, ৩০ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ আগস্ট ২০২৬
মহাকাশবিজ্ঞান নিয়ে শিশু-কিশোরদের আগ্রহ ও কৌতূহল বাড়াতে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হলো তৃতীয় ‘স্পেস এক্সপ্লোরেশন অলিম্পিয়াড’। শনিবার (৩০ আগস্ট) আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ (এআইইউবি) ক্যাম্পাসে আয়োজিত গ্র্যান্ড ফিনালেতে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে বাছাই হয়ে আসা ২০২ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়।
৬ থেকে ১৬ বছর বয়সী শিক্ষার্থীদের চারটি বয়সভিত্তিক ক্যাটাগরিতে প্রতিযোগিতার সুযোগ দেওয়া হয়। ছোটদের জন্য সৌরজগৎ, গ্রহ-নক্ষত্র, রকেট ও স্যাটেলাইটের মতো মৌলিক বিষয় এবং বড়দের জন্য মহাকাশ রোবোটিকস, মঙ্গলগ্রহের রোভার, স্পেস স্টেশন ও ভবিষ্যৎ মহাকাশ প্রযুক্তির মতো বিষয় রাখা হয়।
চূড়ান্ত পর্বের আগে অনলাইনে কয়েক ধাপে বাছাই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বাংলাদেশে থাকা শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি বিদেশে অবস্থানরত শিক্ষার্থীরাও অংশ নেয়।
অনুষ্ঠানে এআইইউবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. সাইফুল ইসলাম বলেন, আজকের শিশুরাই আগামী দিনের বিজ্ঞানী, প্রকৌশলী ও উদ্ভাবক। মহাকাশবিজ্ঞানের মতো বিষয় আনন্দের সঙ্গে শেখার সুযোগ পেলে শিক্ষার্থীদের শেখা আরও গভীর ও কার্যকর হবে।
আইইউবির সহযোগী অধ্যাপক ড. সৈয়দ আশরাফ উদ্দিন বলেন, ছোটবেলা থেকেই মহাকাশ ও পদার্থবিজ্ঞানের প্রতি আগ্রহ তৈরি করা প্রয়োজন। এ ধরনের আয়োজন শিক্ষার্থীদের পাঠ্যবইয়ের বাইরে চিন্তা করতে শেখায়।
স্পেস ইনোভেশন ক্যাম্পের সভাপতি আরিফুল হাসান বলেন, শিশু-কিশোরদের মধ্যেই ভবিষ্যতের বিজ্ঞানী ও উদ্ভাবকদের সম্ভাবনা রয়েছে। তাদের মধ্যে বিজ্ঞানমনস্কতা ও মহাকাশ বিষয়ে আগ্রহ তৈরিই এ আয়োজনের অন্যতম লক্ষ্য।
দিনব্যাপী প্রতিযোগিতা শেষে চারটি ক্যাটাগরিতে ৩৩ জন শিক্ষার্থীকে পুরস্কার দেওয়া হয়। আয়োজকদের আশা, ভবিষ্যতে এ আয়োজন আরও বড় পরিসরে অনুষ্ঠিত হবে।

আপনার মতামত লিখুন