সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার (এসসিও) বার্ষিক সম্মেলনে যোগ দিতে কিরগিজস্তানে একত্রিত হয়েছেন বিশ্বনেতারা। সোমবার (৩১ আগস্ট) দেশটির রাজধানী বিশকেকে শুরু হওয়া এই সম্মেলনে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন, চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংসহ এক ডজনেরও বেশি দেশের শীর্ষ নেতারা অংশ নিচ্ছেন।
এসসিও প্রতিষ্ঠার ২৫ বছর পূর্তিতে আয়োজিত এবারের সম্মেলনটি ভূ-রাজনীতির প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। বিশেষ করে চীন ও রাশিয়ার ওপর পশ্চিমা দেশগুলোর ক্রমবর্ধমান চাপের মুখে এই জোটের গুরুত্ব বেড়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, প্রেসিডেন্ট পুতিন ও শি জিনপিং এই মঞ্চকে ‘বহুমেরুকেন্দ্রিক বিশ্বের’ ধারণা তুলে ধরতে এবং পশ্চিমাদের বিরুদ্ধে এককাট্টা হওয়ার বার্তা দিতে ব্যবহার করতে পারেন।
এবারের সম্মেলনে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান এবং তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানও উপস্থিত থাকছেন। সম্মেলনের ফাঁকে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিনের সঙ্গে ইরানের প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ানের দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। এ ছাড়া পূর্ণ সদস্য হিসেবে ভারত ও পাকিস্তানের প্রতিনিধিরাও সম্মেলনে যোগ দেবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
এসসিও জোটের দাবি অনুযায়ী, তারা বিশ্বের মোট জনসংখ্যার প্রায় ৪০ শতাংশ এবং বৈশ্বিক জিডিপির ২৫ শতাংশের প্রতিনিধিত্ব করে। তুরস্ক, সৌদি আরব ও কাতারের মতো দেশগুলো এই জোটের ‘ডায়ালগ পার্টনার’ হিসেবে যুক্ত রয়েছে।
এদিকে এসসিও সম্মেলন যখন চলছে, তখন ওয়াশিংটন থেকে চীনের বাণিজ্য উদ্বৃত্ত নিয়ে কড়া বার্তা এসেছে। মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট বেইজিংয়ের ১ দশমিক ২ ট্রিলিয়ন ডলারের বাণিজ্য উদ্বৃত্তকে ‘অস্থিতিশীল’ বলে আখ্যা দিয়েছেন। তিনি জানান, জি২০ সম্মেলনে তিনি চীনা প্রতিনিধিদের সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা করবেন।
\

সোমবার, ৩১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ আগস্ট ২০২৬
সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার (এসসিও) বার্ষিক সম্মেলনে যোগ দিতে কিরগিজস্তানে একত্রিত হয়েছেন বিশ্বনেতারা। সোমবার (৩১ আগস্ট) দেশটির রাজধানী বিশকেকে শুরু হওয়া এই সম্মেলনে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন, চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংসহ এক ডজনেরও বেশি দেশের শীর্ষ নেতারা অংশ নিচ্ছেন।
এসসিও প্রতিষ্ঠার ২৫ বছর পূর্তিতে আয়োজিত এবারের সম্মেলনটি ভূ-রাজনীতির প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। বিশেষ করে চীন ও রাশিয়ার ওপর পশ্চিমা দেশগুলোর ক্রমবর্ধমান চাপের মুখে এই জোটের গুরুত্ব বেড়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, প্রেসিডেন্ট পুতিন ও শি জিনপিং এই মঞ্চকে ‘বহুমেরুকেন্দ্রিক বিশ্বের’ ধারণা তুলে ধরতে এবং পশ্চিমাদের বিরুদ্ধে এককাট্টা হওয়ার বার্তা দিতে ব্যবহার করতে পারেন।
এবারের সম্মেলনে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান এবং তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানও উপস্থিত থাকছেন। সম্মেলনের ফাঁকে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিনের সঙ্গে ইরানের প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ানের দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। এ ছাড়া পূর্ণ সদস্য হিসেবে ভারত ও পাকিস্তানের প্রতিনিধিরাও সম্মেলনে যোগ দেবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
এসসিও জোটের দাবি অনুযায়ী, তারা বিশ্বের মোট জনসংখ্যার প্রায় ৪০ শতাংশ এবং বৈশ্বিক জিডিপির ২৫ শতাংশের প্রতিনিধিত্ব করে। তুরস্ক, সৌদি আরব ও কাতারের মতো দেশগুলো এই জোটের ‘ডায়ালগ পার্টনার’ হিসেবে যুক্ত রয়েছে।
এদিকে এসসিও সম্মেলন যখন চলছে, তখন ওয়াশিংটন থেকে চীনের বাণিজ্য উদ্বৃত্ত নিয়ে কড়া বার্তা এসেছে। মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট বেইজিংয়ের ১ দশমিক ২ ট্রিলিয়ন ডলারের বাণিজ্য উদ্বৃত্তকে ‘অস্থিতিশীল’ বলে আখ্যা দিয়েছেন। তিনি জানান, জি২০ সম্মেলনে তিনি চীনা প্রতিনিধিদের সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা করবেন।
\

আপনার মতামত লিখুন