লিবিয়ার বিভিন্ন ডিটেনশন সেন্টারে আটকে পড়া ১৭৪ জন বাংলাদেশি নাগরিক মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) দেশে ফিরছেন। আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) সহায়তায় তাদের বিশেষ ফ্লাইটে প্রত্যাবাসন করা হয়েছে।
ত্রিপোলির বাংলাদেশ দূতাবাস এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, সোমবার (৩১ আগস্ট) লিবিয়ার তাজুরা ডিটেনশন সেন্টার থেকে এই ১৭৪ জন নাগরিককে দেশের উদ্দেশ্যে পাঠানো হয়। লিবিয়ার বুরাক এয়ারের একটি ফ্লাইটে মঙ্গলবার সকাল ৭টার দিকে তাদের হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর কথা।
দূতাবাস সূত্র জানায়, এই অভিবাসীরা অবৈধভাবে সমুদ্রপথে ইউরোপ যাওয়ার সময় ভূমধ্যসাগর থেকে উদ্ধার হয়েছিলেন। এরপর দীর্ঘদিন তাদের লিবিয়ার ডিটেনশন সেন্টারে বন্দি জীবন কাটাতে হয়েছে। তাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ দূতাবাস স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ও আইওএম-এর সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করেছে।
লিবিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশ দূতাবাসের একটি প্রতিনিধিদল মেতিগা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে উপস্থিত থেকে প্রত্যাবাসন কার্যক্রম তদারকি করেন। দূতাবাস আরও জানিয়েছে, জীবনের ঝুঁকি নিয়ে অনিয়মিত পথে সমুদ্র পাড়ি দেওয়া অভিবাসীদের মৃত্যু, নিখোঁজ বা জিম্মি হওয়ার প্রধান কারণ। দালালদের খপ্পরে পড়ে বা প্ররোচনায় বিভ্রান্ত না হয়ে অনিয়মিত পথে বিদেশ গমনে বিরত থাকতে সকলকে অনুরোধ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, লিবিয়ার অন্যান্য ডিটেনশন সেন্টারে আটকে পড়া বাকি বাংলাদেশিদেরও দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে দূতাবাস।
/

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
লিবিয়ার বিভিন্ন ডিটেনশন সেন্টারে আটকে পড়া ১৭৪ জন বাংলাদেশি নাগরিক মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) দেশে ফিরছেন। আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) সহায়তায় তাদের বিশেষ ফ্লাইটে প্রত্যাবাসন করা হয়েছে।
ত্রিপোলির বাংলাদেশ দূতাবাস এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, সোমবার (৩১ আগস্ট) লিবিয়ার তাজুরা ডিটেনশন সেন্টার থেকে এই ১৭৪ জন নাগরিককে দেশের উদ্দেশ্যে পাঠানো হয়। লিবিয়ার বুরাক এয়ারের একটি ফ্লাইটে মঙ্গলবার সকাল ৭টার দিকে তাদের হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর কথা।
দূতাবাস সূত্র জানায়, এই অভিবাসীরা অবৈধভাবে সমুদ্রপথে ইউরোপ যাওয়ার সময় ভূমধ্যসাগর থেকে উদ্ধার হয়েছিলেন। এরপর দীর্ঘদিন তাদের লিবিয়ার ডিটেনশন সেন্টারে বন্দি জীবন কাটাতে হয়েছে। তাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ দূতাবাস স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ও আইওএম-এর সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করেছে।
লিবিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশ দূতাবাসের একটি প্রতিনিধিদল মেতিগা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে উপস্থিত থেকে প্রত্যাবাসন কার্যক্রম তদারকি করেন। দূতাবাস আরও জানিয়েছে, জীবনের ঝুঁকি নিয়ে অনিয়মিত পথে সমুদ্র পাড়ি দেওয়া অভিবাসীদের মৃত্যু, নিখোঁজ বা জিম্মি হওয়ার প্রধান কারণ। দালালদের খপ্পরে পড়ে বা প্ররোচনায় বিভ্রান্ত না হয়ে অনিয়মিত পথে বিদেশ গমনে বিরত থাকতে সকলকে অনুরোধ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, লিবিয়ার অন্যান্য ডিটেনশন সেন্টারে আটকে পড়া বাকি বাংলাদেশিদেরও দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে দূতাবাস।
/

আপনার মতামত লিখুন