ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধি ও দেশীয় প্রজাতির মাছের বিলুপ্তি রোধে ২৮৫ কেজি পোনা মাছ অবমুক্ত করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা মৎস্য দপ্তরের যৌথ উদ্যোগে এই কর্মসূচি পালন করা হয়।
রাজস্ব বাজেটের আওতায় উপজেলার বিভিন্ন প্রাতিষ্ঠানিক পুকুর ও উন্মুক্ত জলাশয়ে এসব পোনা অবমুক্ত করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ (নাসিরনগর) আসনের সংসদ সদস্য এম এ হান্নান।
মৎস্য বিভাগ জানায়, মেদির হাওর, শাপলা বিল, উপজেলা পরিষদের পুকুর ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পুকুরসহ বিভিন্ন জলাশয়ে এসব মাছ ছাড়া হয়েছে। প্রাকৃতিক জলাশয়ে মাছের উৎপাদন বাড়ানো এবং স্থানীয় জনগণের প্রাণিজ আমিষের চাহিদা মেটাতেই এ উদ্যোগ।
পোনা অবমুক্তকালে সংসদ সদস্য এম এ হান্নান বলেন, প্রাকৃতিক জলাশয়ে পোনা মাছ ছাড়ার ফলে মাছের বংশবৃদ্ধির পাশাপাশি স্থানীয় জনগোষ্ঠীর পুষ্টি ও আর্থসামাজিক উন্নয়নে বড় ভূমিকা রাখবে। তিনি মৎস্যসম্পদ রক্ষায় কারেন্ট জালের ব্যবহার বন্ধ এবং জলাশয়ের জীববৈচিত্র্য রক্ষায় সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহীনা নাছরিন, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ফাহিমুল আরিফিন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ইমরান হোসেন, প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা সামিউল বাসির, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা রাখেশ পালসহ প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তা ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধি ও দেশীয় প্রজাতির মাছের বিলুপ্তি রোধে ২৮৫ কেজি পোনা মাছ অবমুক্ত করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা মৎস্য দপ্তরের যৌথ উদ্যোগে এই কর্মসূচি পালন করা হয়।
রাজস্ব বাজেটের আওতায় উপজেলার বিভিন্ন প্রাতিষ্ঠানিক পুকুর ও উন্মুক্ত জলাশয়ে এসব পোনা অবমুক্ত করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ (নাসিরনগর) আসনের সংসদ সদস্য এম এ হান্নান।
মৎস্য বিভাগ জানায়, মেদির হাওর, শাপলা বিল, উপজেলা পরিষদের পুকুর ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পুকুরসহ বিভিন্ন জলাশয়ে এসব মাছ ছাড়া হয়েছে। প্রাকৃতিক জলাশয়ে মাছের উৎপাদন বাড়ানো এবং স্থানীয় জনগণের প্রাণিজ আমিষের চাহিদা মেটাতেই এ উদ্যোগ।
পোনা অবমুক্তকালে সংসদ সদস্য এম এ হান্নান বলেন, প্রাকৃতিক জলাশয়ে পোনা মাছ ছাড়ার ফলে মাছের বংশবৃদ্ধির পাশাপাশি স্থানীয় জনগোষ্ঠীর পুষ্টি ও আর্থসামাজিক উন্নয়নে বড় ভূমিকা রাখবে। তিনি মৎস্যসম্পদ রক্ষায় কারেন্ট জালের ব্যবহার বন্ধ এবং জলাশয়ের জীববৈচিত্র্য রক্ষায় সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহীনা নাছরিন, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ফাহিমুল আরিফিন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ইমরান হোসেন, প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা সামিউল বাসির, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা রাখেশ পালসহ প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তা ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

আপনার মতামত লিখুন