চট্টগ্রাম বন্দরে মিথ্যা ঘোষণায় আমদানি করা তিনটি বিলাসবহুল গাড়ি আটক করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের (সিআইআইডি) কর্মকর্তারা। ‘ইউজড স্পেয়ার পার্টস’ (পুরোনো যন্ত্রাংশ) ঘোষণায় আসা কনটেইনারে প্রায় ১২ কোটি টাকা মূল্যের তিনটি বিলাসবহুল গাড়ি আটকের ঘটনায় বন্দরে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।
সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) আমদানি করা একটি কনটেইনার খুলতেই বিলাসবহুল তিন মডেলের গাড়ির বিচ্ছিন্ন অংশ দেখতে পান। গাড়িগুলোর মধ্যে বিএমডব্লিউ, লেক্সাস এলএক্স-৬০০ ও লেক্সাস এসসি-৪৩০ মডেল রয়েছে। পাশাপাশি টায়ারসহ বিপুল পরিমাণ গাড়ির যন্ত্রাংশ পাওয়া গেছে।
কাস্টমস গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে, জাপান থেকে আসা কনটেইনারটিতে পণ্য হিসেবে ‘ইউজড স্পেয়ার পার্টস’ ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু কনটেইনার খোলার পর ঘোষণার সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে বিলাসবহুল গাড়ির বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অংশ পাওয়া যায়।
কাস্টমস গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের প্রাথমিক ধারণা, উদ্ধার করা গাড়ির অংশ, ইঞ্জিন ও অন্যান্য যন্ত্রাংশের সম্মিলিত আনুমানিক বাজারমূল্য ৯ কোটি ৫০ লাখ থেকে ১২ কোটি টাকা পর্যন্ত হতে পারে। তবে বিস্তারিত যাচাই ও মূল্যায়ন শেষে প্রকৃত মূল্য নির্ধারণ করা হবে।
পণ্য চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছানোর পর প্রায় এক মাস পার হলেও সংশ্লিষ্ট আমদানিকারক বিল অব এন্ট্রি দাখিল করেননি। এ অবস্থায় চালানটি নিলাম প্রক্রিয়ার মাধ্যমে খালাসের চেষ্টা করা হচ্ছিল বলে প্রাথমিকভাবে তথ্য পাওয়া গেছে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিষয়টি জানতে পেরে কাস্টমস গোয়েন্দা কর্মকর্তারা এ অভিযান চালান।
চালানটির আমদানি মূল্য, পেমেন্টের ধরন, বাণিজ্যিক দলিলপত্র এবং সংশ্লিষ্ট লেনদেনও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে ঘোষিত পণ্যের সঙ্গে প্রকৃত পণ্যের পার্থক্য, মূল্য নির্ধারণ এবং অর্থের উৎস ও লেনদেনের প্রকৃতি যাচাই করে সম্ভাব্য মানিলন্ডারিংয়ের কোনো সংশ্লিষ্টতা আছে কি না, তাও পরীক্ষা করা হচ্ছে। এ কারণে চালানটির প্রতিটি অংশের ধরন, ব্যবহার, মূল্য ও প্রকৃত পরিচয় যাচাই করা হচ্ছে।
কাস্টমস গোয়েন্দা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পরীক্ষার পর চালানটির প্রকৃত পণ্য, আমদানি মূল্য, শুল্ক-কর সংক্রান্ত বিষয় এবং আইন লঙ্ঘনের কোনো ঘটনা ঘটেছে কি না, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যাবে। তদন্ত শেষে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
চট্টগ্রাম বন্দরে মিথ্যা ঘোষণায় আমদানি করা তিনটি বিলাসবহুল গাড়ি আটক করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের (সিআইআইডি) কর্মকর্তারা। ‘ইউজড স্পেয়ার পার্টস’ (পুরোনো যন্ত্রাংশ) ঘোষণায় আসা কনটেইনারে প্রায় ১২ কোটি টাকা মূল্যের তিনটি বিলাসবহুল গাড়ি আটকের ঘটনায় বন্দরে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।
সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) আমদানি করা একটি কনটেইনার খুলতেই বিলাসবহুল তিন মডেলের গাড়ির বিচ্ছিন্ন অংশ দেখতে পান। গাড়িগুলোর মধ্যে বিএমডব্লিউ, লেক্সাস এলএক্স-৬০০ ও লেক্সাস এসসি-৪৩০ মডেল রয়েছে। পাশাপাশি টায়ারসহ বিপুল পরিমাণ গাড়ির যন্ত্রাংশ পাওয়া গেছে।
কাস্টমস গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে, জাপান থেকে আসা কনটেইনারটিতে পণ্য হিসেবে ‘ইউজড স্পেয়ার পার্টস’ ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু কনটেইনার খোলার পর ঘোষণার সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে বিলাসবহুল গাড়ির বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অংশ পাওয়া যায়।
কাস্টমস গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের প্রাথমিক ধারণা, উদ্ধার করা গাড়ির অংশ, ইঞ্জিন ও অন্যান্য যন্ত্রাংশের সম্মিলিত আনুমানিক বাজারমূল্য ৯ কোটি ৫০ লাখ থেকে ১২ কোটি টাকা পর্যন্ত হতে পারে। তবে বিস্তারিত যাচাই ও মূল্যায়ন শেষে প্রকৃত মূল্য নির্ধারণ করা হবে।
পণ্য চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছানোর পর প্রায় এক মাস পার হলেও সংশ্লিষ্ট আমদানিকারক বিল অব এন্ট্রি দাখিল করেননি। এ অবস্থায় চালানটি নিলাম প্রক্রিয়ার মাধ্যমে খালাসের চেষ্টা করা হচ্ছিল বলে প্রাথমিকভাবে তথ্য পাওয়া গেছে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিষয়টি জানতে পেরে কাস্টমস গোয়েন্দা কর্মকর্তারা এ অভিযান চালান।
চালানটির আমদানি মূল্য, পেমেন্টের ধরন, বাণিজ্যিক দলিলপত্র এবং সংশ্লিষ্ট লেনদেনও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে ঘোষিত পণ্যের সঙ্গে প্রকৃত পণ্যের পার্থক্য, মূল্য নির্ধারণ এবং অর্থের উৎস ও লেনদেনের প্রকৃতি যাচাই করে সম্ভাব্য মানিলন্ডারিংয়ের কোনো সংশ্লিষ্টতা আছে কি না, তাও পরীক্ষা করা হচ্ছে। এ কারণে চালানটির প্রতিটি অংশের ধরন, ব্যবহার, মূল্য ও প্রকৃত পরিচয় যাচাই করা হচ্ছে।
কাস্টমস গোয়েন্দা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পরীক্ষার পর চালানটির প্রকৃত পণ্য, আমদানি মূল্য, শুল্ক-কর সংক্রান্ত বিষয় এবং আইন লঙ্ঘনের কোনো ঘটনা ঘটেছে কি না, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যাবে। তদন্ত শেষে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন