ভারী বর্ষণে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদ এবং সংলগ্ন রাওয়ালপিন্ডি শহরের বিভিন্ন এলাকা মারাত্মকভাবে প্লাবিত হয়েছে।
মঙ্গলবার
সকাল থেকে শুরু হওয়া
মুষলধারে বৃষ্টির কারণে দুই শহরের নিচু
এলাকাগুলো পানিতে তলিয়ে গেছে। জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়ায় জরুরি
পদক্ষেপ হিসেবে রাওয়ালপিন্ডির সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি ঘোষণা করেছে
জেলা প্রশাসন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে স্থানীয় বাসিন্দাদের অপ্রয়োজনে ঘর থেকে বের
না হওয়ার কঠোর নির্দেশ দেওয়া
হয়েছে।
পাকিস্তানের
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায়
শহরগুলোতে ২০০ মিলিমিটারের বেশি
বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এর
মধ্যে শামসাবাদে ২০১ মিলিমিটার এবং
নিউ কাটারিয়ানে ১৮৬ মিলিমিটার বৃষ্টি
হয়েছে। অতিরিক্ত বৃষ্টির কারণে লেহ নুল্লা খালের
পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করে কাটারিয়ানে ২৯
ফুট এবং গাওয়ালমান্ডিতে ২৩
দশমিক ৫ ফুটে পৌঁছেছে।
এই পরিস্থিতির জেরে কাটারিয়ান ও
গাওয়ালমান্ডি এলাকার বাসিন্দাদের দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার কাজ শুরু করেছে
উদ্ধারকারী দল।
এদিকে
পানি বৃদ্ধির কারণে চরম ঝুঁকি তৈরি
হওয়ায় রাওয়াল বাঁধের স্পিলওয়ে দুপুর ২টায় খুলে দিয়ে
অতিরিক্ত পানি নিষ্কাশনের সিদ্ধান্ত
নিয়েছেন ইসলামাবাদের ডেপুটি কমিশনার ইরফান নওয়াজ মেমন।
তিনি
আশপাশের নাগরিকদের পানির নালা ও জলপ্রবাহের
কাছাকাছি না যাওয়ার জন্য
বিশেষ সতর্কবার্তা দিয়েছেন। রেসকিউ ১১২২ জানিয়েছে, জলাবদ্ধ
এলাকায় আটকে পড়া মানুষদের
উদ্ধারে তারা কাজ চালিয়ে
যাচ্ছেন এবং দুপুর পর্যন্ত
প্রায় ৬০ জনকে নিরাপদে
সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
বৃষ্টির
তীব্রতার কারণে প্রধান সড়কগুলোতে তীব্র যানজট ও জলাবদ্ধতা সৃষ্টি
হয়েছে। ইসলামাবাদ এক্সপ্রেসওয়ের বিভিন্ন অংশ পানিতে ডুবে
যাওয়ায় বহু গাড়ি আটকা
পড়েছে। ট্রাফিক পুলিশ চালকদের বাড়তি সময় নিয়ে সাবধানে
গাড়ি চালাতে এবং ফগ লাইট
ব্যবহার করার পরামর্শ দিয়েছে।
সাংবাদিক
হামিদ মীর এবং সাবেক
জলবায়ুমন্ত্রী শেরি রহমান সামাজিক
যোগাযোগমাধ্যমে বন্যার ভিডিও প্রকাশ করে উদ্বেগ প্রকাশ
করেছেন।
শেরি
রহমান জানিয়েছেন, সোমবার রাত থেকে চলা
এই বৃষ্টি শহর দুটিকে বিপজ্জনক
অবস্থার দিকে ঠেলে দিয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর আগামী ৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত
আরও বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।

বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ভারী বর্ষণে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদ এবং সংলগ্ন রাওয়ালপিন্ডি শহরের বিভিন্ন এলাকা মারাত্মকভাবে প্লাবিত হয়েছে।
মঙ্গলবার
সকাল থেকে শুরু হওয়া
মুষলধারে বৃষ্টির কারণে দুই শহরের নিচু
এলাকাগুলো পানিতে তলিয়ে গেছে। জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়ায় জরুরি
পদক্ষেপ হিসেবে রাওয়ালপিন্ডির সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি ঘোষণা করেছে
জেলা প্রশাসন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে স্থানীয় বাসিন্দাদের অপ্রয়োজনে ঘর থেকে বের
না হওয়ার কঠোর নির্দেশ দেওয়া
হয়েছে।
পাকিস্তানের
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায়
শহরগুলোতে ২০০ মিলিমিটারের বেশি
বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এর
মধ্যে শামসাবাদে ২০১ মিলিমিটার এবং
নিউ কাটারিয়ানে ১৮৬ মিলিমিটার বৃষ্টি
হয়েছে। অতিরিক্ত বৃষ্টির কারণে লেহ নুল্লা খালের
পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করে কাটারিয়ানে ২৯
ফুট এবং গাওয়ালমান্ডিতে ২৩
দশমিক ৫ ফুটে পৌঁছেছে।
এই পরিস্থিতির জেরে কাটারিয়ান ও
গাওয়ালমান্ডি এলাকার বাসিন্দাদের দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার কাজ শুরু করেছে
উদ্ধারকারী দল।
এদিকে
পানি বৃদ্ধির কারণে চরম ঝুঁকি তৈরি
হওয়ায় রাওয়াল বাঁধের স্পিলওয়ে দুপুর ২টায় খুলে দিয়ে
অতিরিক্ত পানি নিষ্কাশনের সিদ্ধান্ত
নিয়েছেন ইসলামাবাদের ডেপুটি কমিশনার ইরফান নওয়াজ মেমন।
তিনি
আশপাশের নাগরিকদের পানির নালা ও জলপ্রবাহের
কাছাকাছি না যাওয়ার জন্য
বিশেষ সতর্কবার্তা দিয়েছেন। রেসকিউ ১১২২ জানিয়েছে, জলাবদ্ধ
এলাকায় আটকে পড়া মানুষদের
উদ্ধারে তারা কাজ চালিয়ে
যাচ্ছেন এবং দুপুর পর্যন্ত
প্রায় ৬০ জনকে নিরাপদে
সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
বৃষ্টির
তীব্রতার কারণে প্রধান সড়কগুলোতে তীব্র যানজট ও জলাবদ্ধতা সৃষ্টি
হয়েছে। ইসলামাবাদ এক্সপ্রেসওয়ের বিভিন্ন অংশ পানিতে ডুবে
যাওয়ায় বহু গাড়ি আটকা
পড়েছে। ট্রাফিক পুলিশ চালকদের বাড়তি সময় নিয়ে সাবধানে
গাড়ি চালাতে এবং ফগ লাইট
ব্যবহার করার পরামর্শ দিয়েছে।
সাংবাদিক
হামিদ মীর এবং সাবেক
জলবায়ুমন্ত্রী শেরি রহমান সামাজিক
যোগাযোগমাধ্যমে বন্যার ভিডিও প্রকাশ করে উদ্বেগ প্রকাশ
করেছেন।
শেরি
রহমান জানিয়েছেন, সোমবার রাত থেকে চলা
এই বৃষ্টি শহর দুটিকে বিপজ্জনক
অবস্থার দিকে ঠেলে দিয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর আগামী ৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত
আরও বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।

আপনার মতামত লিখুন