সংবাদ

দীঘিনালায় দিনে-দুপুরে পাহাড় ধ্বংসের মহোৎসব


প্রতিনিধি, খাগড়াছড়ি
প্রতিনিধি, খাগড়াছড়ি
প্রকাশ: ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৫৫ পিএম

দীঘিনালায় দিনে-দুপুরে পাহাড় ধ্বংসের মহোৎসব
ছবি : সংবাদ

খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলায় পরিবেশ আইনকে তোয়াক্কা না করে প্রকাশ্যে পাহাড় কাটার অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) উপজেলার মেরুং ইউনিয়নের উত্তর রশিকনগর এলাকায় পেলোডার (পাহাড় কাটার যন্ত্র) দিয়ে এই ধ্বংসযজ্ঞ চালানো হয়। পরিবেশ অধিদপ্তরের কোনো অনুমতি ছাড়াই একটি প্রভাবশালী চক্র এই কাজ করছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উত্তর রশিকনগর এলাকার সোলেমান নামের এক ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে পেলোডার দিয়ে ওই এলাকার পাহাড় কেটে আসছেন। মঙ্গলবার সকালে পুনরায় পাহাড় কাটা শুরু হলে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে বিকেলে গণমাধ্যমকর্মীরা ঘটনাস্থলে গেলে কাউকেই পাওয়া যায়নি, তবে পাহাড় কাটার সুষ্পষ্ট চিহ্ন ও ক্ষত দেখা গেছে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, এভাবে নির্বিচারে পাহাড় কাটার ফলে পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে। আসন্ন বর্ষা মৌসুমে এই এলাকায় পাহাড়ধসের ঝুঁকিও বাড়ছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন বলেন, পাহাড় কাটার ফলে বন্য প্রাণীদের আবাসস্থল ধ্বংস হচ্ছে এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ম্লান হয়ে যাচ্ছে।

এ বিষয়ে দীঘিনালা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকবাল বাহার চৌধুরী বলেন, ‘উত্তর রশিকনগরে পাহাড় কাটার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশের একটি দল পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে এবং এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।’

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ (সংশোধিত) অনুযায়ী, পরিবেশ অধিদপ্তরের পূর্বানুমতি ছাড়া পাহাড় বা টিলা কাটা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ও দণ্ডনীয় অপরাধ।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬


দীঘিনালায় দিনে-দুপুরে পাহাড় ধ্বংসের মহোৎসব

প্রকাশের তারিখ : ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলায় পরিবেশ আইনকে তোয়াক্কা না করে প্রকাশ্যে পাহাড় কাটার অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) উপজেলার মেরুং ইউনিয়নের উত্তর রশিকনগর এলাকায় পেলোডার (পাহাড় কাটার যন্ত্র) দিয়ে এই ধ্বংসযজ্ঞ চালানো হয়। পরিবেশ অধিদপ্তরের কোনো অনুমতি ছাড়াই একটি প্রভাবশালী চক্র এই কাজ করছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উত্তর রশিকনগর এলাকার সোলেমান নামের এক ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে পেলোডার দিয়ে ওই এলাকার পাহাড় কেটে আসছেন। মঙ্গলবার সকালে পুনরায় পাহাড় কাটা শুরু হলে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে বিকেলে গণমাধ্যমকর্মীরা ঘটনাস্থলে গেলে কাউকেই পাওয়া যায়নি, তবে পাহাড় কাটার সুষ্পষ্ট চিহ্ন ও ক্ষত দেখা গেছে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, এভাবে নির্বিচারে পাহাড় কাটার ফলে পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে। আসন্ন বর্ষা মৌসুমে এই এলাকায় পাহাড়ধসের ঝুঁকিও বাড়ছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন বলেন, পাহাড় কাটার ফলে বন্য প্রাণীদের আবাসস্থল ধ্বংস হচ্ছে এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ম্লান হয়ে যাচ্ছে।

এ বিষয়ে দীঘিনালা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকবাল বাহার চৌধুরী বলেন, ‘উত্তর রশিকনগরে পাহাড় কাটার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশের একটি দল পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে এবং এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।’

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ (সংশোধিত) অনুযায়ী, পরিবেশ অধিদপ্তরের পূর্বানুমতি ছাড়া পাহাড় বা টিলা কাটা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ও দণ্ডনীয় অপরাধ।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত