রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়া মহল্লায় স্কুলশিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী ও তার পরিবারের চার সদস্যকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে আটক দুই আসামিকে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) ওসি জিন্নাত আলীর নেতৃত্বে তিন পুলিশ কর্মকর্তা কারাগারে যান।
আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী দুপুর ১২টা থেকে তিন ঘণ্টা আসামি মুগ্ধ দাস ও সিদ্ধার্থ দাসকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন তারা। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে কারাগার ত্যাগ করে মোটরসাইকেলযোগে চলে যান পুলিশ কর্মকর্তারা।
তবে আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদে নতুন কোনো তথ্য মিলেছে কি না, আসামিরা কী বলেছেন- সে বিষয়ে সাংবাদিকদের কোনো প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে তিনি চলে যান। তবে তিনি গণমাধ্যমকর্মীদের মহানগর ডিবি কার্যালয়ে আসার কথা বলেন।
পরে ডিবি কার্যালয়ে গেলে প্রথমে জানানো হয়, পুলিশ হেডকোয়ার্টারের নির্দেশ রয়েছে গণমাধ্যমে কোনো কথা না বলতে। পরে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) তোফায়েল আহমেদ কোনো প্রশ্ন না করার শর্তে বলেন, ‘ঘটনার রহস্য উন্মোচনের দ্বারপ্রান্তে চলে এসেছি আমরা।
তিনি আরও বলেন, ‘কারাগারে আটক দুই আসামিকে আদালতের নির্দেশ নিয়ে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। আবারও জিজ্ঞাসাবাদ শেষ হলে আমরা পরবর্তী পদক্ষেপ নেব।’
এর আগে ৩১ আগস্ট রংপুর মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রফিকুল ইসলামের আদালতে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ওসি জিন্নাত আলী আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আবেদন করেন।
আদালত বক্তব্য শুনে আসামিদের রিমান্ড আবেদন নামঞ্জুর করে দুই আসামিকে দুই দিন জেলগেটে তিন ঘণ্টা করে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দেন। তারই অংশ হিসেবে মঙ্গলবার প্রথম দিন জেলগেটে গিয়ে আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) দ্বিতীয় দিনের জিজ্ঞাসাবাদ অনুষ্ঠিত হবে।

বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়া মহল্লায় স্কুলশিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী ও তার পরিবারের চার সদস্যকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে আটক দুই আসামিকে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) ওসি জিন্নাত আলীর নেতৃত্বে তিন পুলিশ কর্মকর্তা কারাগারে যান।
আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী দুপুর ১২টা থেকে তিন ঘণ্টা আসামি মুগ্ধ দাস ও সিদ্ধার্থ দাসকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন তারা। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে কারাগার ত্যাগ করে মোটরসাইকেলযোগে চলে যান পুলিশ কর্মকর্তারা।
তবে আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদে নতুন কোনো তথ্য মিলেছে কি না, আসামিরা কী বলেছেন- সে বিষয়ে সাংবাদিকদের কোনো প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে তিনি চলে যান। তবে তিনি গণমাধ্যমকর্মীদের মহানগর ডিবি কার্যালয়ে আসার কথা বলেন।
পরে ডিবি কার্যালয়ে গেলে প্রথমে জানানো হয়, পুলিশ হেডকোয়ার্টারের নির্দেশ রয়েছে গণমাধ্যমে কোনো কথা না বলতে। পরে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) তোফায়েল আহমেদ কোনো প্রশ্ন না করার শর্তে বলেন, ‘ঘটনার রহস্য উন্মোচনের দ্বারপ্রান্তে চলে এসেছি আমরা।
তিনি আরও বলেন, ‘কারাগারে আটক দুই আসামিকে আদালতের নির্দেশ নিয়ে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। আবারও জিজ্ঞাসাবাদ শেষ হলে আমরা পরবর্তী পদক্ষেপ নেব।’
এর আগে ৩১ আগস্ট রংপুর মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রফিকুল ইসলামের আদালতে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ওসি জিন্নাত আলী আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আবেদন করেন।
আদালত বক্তব্য শুনে আসামিদের রিমান্ড আবেদন নামঞ্জুর করে দুই আসামিকে দুই দিন জেলগেটে তিন ঘণ্টা করে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দেন। তারই অংশ হিসেবে মঙ্গলবার প্রথম দিন জেলগেটে গিয়ে আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) দ্বিতীয় দিনের জিজ্ঞাসাবাদ অনুষ্ঠিত হবে।

আপনার মতামত লিখুন