চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় একটি দোকান থেকে বিরিয়ানি কিনে খাওয়ার পর শিশুসহ তিন পরিবারের ৯ জন অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। বমি ও ডায়রিয়া নিয়ে তারা এখন চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, আলমডাঙ্গা থানা-সংলগ্ন ‘হাজী বিরিয়ানি হাউজ’-এর খাবার খেয়েই তাদের এই দশা হয়েছে।
সোমবার (৩১ আগস্ট) বিকেল থেকে সন্ধ্যার মধ্যে ওই দোকান থেকে বিরিয়ানি কেনেন ভুক্তভোগীরা। রাতে খাওয়ার পর থেকেই শুরু হয় পেটব্যথা, বমি ও ডায়রিয়া। অবস্থার অবনতি হলে পরদিন মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
অসুস্থ ব্যক্তিরা হলেন–আলমডাঙ্গার জোড়গাছা গ্রামের মরিয়ম খাতুন (২৭) ও তার দুই সন্তান তাওহিদ (২) ও তাওসিফ (৮); রোয়াকুলি গ্রামের জিনারুল ইসলাম (৪৬), তার স্ত্রী পান্না খাতুন (৪২) ও ছেলে সাহেদ (১৩); এবং চুয়াডাঙ্গার রাজাপুর গ্রামের জাহিদ হোসেনের স্ত্রী (৩৫), মেয়ে জান্নাতুল শ্রাবণী (১৫) ও আত্মীয় সুবর্ণা খাতুন (২১)।
ভুক্তভোগী ফারুক হোসেন বলেন, ‘অফিস থেকে ফেরার পথে হাজী বিরিয়ানি হাউজ থেকে খাবার কিনে নিয়েছিলাম। রাতে স্ত্রী ও সন্তানরা খাওয়ার পর থেকেই অসুস্থ হয়ে পড়ে। আমার ধারণা, খাবারের মান ভালো ছিল না। বিষয়টি প্রশাসনের খতিয়ে দেখা দরকার।’
আরেক ভুক্তভোগী জাহিদ হোসেন জানান, আলমডাঙ্গায় বেড়াতে গিয়ে ফেরার পথে ওই দোকান থেকে বিরিয়ানি কিনেছিলেন। সেটি খেয়ে পরিবারের তিনজনই অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। হাসপাতালে এসে জানতে পারেন, একই দোকানের বিরিয়ানি খেয়ে আরও অনেকেই ভর্তি হয়েছেন।
চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) ফারহানা ওয়াহিদ বলেন, বমি ও ডায়রিয়া নিয়ে শিশুসহ ৯ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাদের ডায়রিয়া ওয়ার্ডে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। রোগীদের দাবি, বিরিয়ানি খাওয়ার পর থেকেই তারা অসুস্থ বোধ করছেন।
জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের চুয়াডাঙ্গা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ মামুনুল হাসান জানান, এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় একটি দোকান থেকে বিরিয়ানি কিনে খাওয়ার পর শিশুসহ তিন পরিবারের ৯ জন অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। বমি ও ডায়রিয়া নিয়ে তারা এখন চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, আলমডাঙ্গা থানা-সংলগ্ন ‘হাজী বিরিয়ানি হাউজ’-এর খাবার খেয়েই তাদের এই দশা হয়েছে।
সোমবার (৩১ আগস্ট) বিকেল থেকে সন্ধ্যার মধ্যে ওই দোকান থেকে বিরিয়ানি কেনেন ভুক্তভোগীরা। রাতে খাওয়ার পর থেকেই শুরু হয় পেটব্যথা, বমি ও ডায়রিয়া। অবস্থার অবনতি হলে পরদিন মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
অসুস্থ ব্যক্তিরা হলেন–আলমডাঙ্গার জোড়গাছা গ্রামের মরিয়ম খাতুন (২৭) ও তার দুই সন্তান তাওহিদ (২) ও তাওসিফ (৮); রোয়াকুলি গ্রামের জিনারুল ইসলাম (৪৬), তার স্ত্রী পান্না খাতুন (৪২) ও ছেলে সাহেদ (১৩); এবং চুয়াডাঙ্গার রাজাপুর গ্রামের জাহিদ হোসেনের স্ত্রী (৩৫), মেয়ে জান্নাতুল শ্রাবণী (১৫) ও আত্মীয় সুবর্ণা খাতুন (২১)।
ভুক্তভোগী ফারুক হোসেন বলেন, ‘অফিস থেকে ফেরার পথে হাজী বিরিয়ানি হাউজ থেকে খাবার কিনে নিয়েছিলাম। রাতে স্ত্রী ও সন্তানরা খাওয়ার পর থেকেই অসুস্থ হয়ে পড়ে। আমার ধারণা, খাবারের মান ভালো ছিল না। বিষয়টি প্রশাসনের খতিয়ে দেখা দরকার।’
আরেক ভুক্তভোগী জাহিদ হোসেন জানান, আলমডাঙ্গায় বেড়াতে গিয়ে ফেরার পথে ওই দোকান থেকে বিরিয়ানি কিনেছিলেন। সেটি খেয়ে পরিবারের তিনজনই অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। হাসপাতালে এসে জানতে পারেন, একই দোকানের বিরিয়ানি খেয়ে আরও অনেকেই ভর্তি হয়েছেন।
চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) ফারহানা ওয়াহিদ বলেন, বমি ও ডায়রিয়া নিয়ে শিশুসহ ৯ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাদের ডায়রিয়া ওয়ার্ডে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। রোগীদের দাবি, বিরিয়ানি খাওয়ার পর থেকেই তারা অসুস্থ বোধ করছেন।
জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের চুয়াডাঙ্গা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ মামুনুল হাসান জানান, এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন