সংবাদ

শিগগিরই চালুর পথে মৈত্রী এক্সপ্রেস


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:০৯ পিএম

শিগগিরই চালুর পথে মৈত্রী এক্সপ্রেস

ঢাকা-কলকাতা রুটের যাত্রীবাহী জনপ্রিয় ট্রেন মৈত্রী এক্সপ্রেস পুনরায় চালুর বিষয়ে খুব শিগগিরই সুখবর আসতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী।

মঙ্গলবার সচিবালয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলমের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

হাইকমিশনার জানান, ট্রেনটি চালুর বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে বর্তমানে ইতিবাচক আলোচনা চলছে এবং খুব শিগগিরই একটি নির্দিষ্ট তারিখ ঘোষণা করা সম্ভব হবে।

সাক্ষাৎ শেষে গণমাধ্যমকে দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, এখন আমরা এরোপ্লেনে যাই, ওইটা হচ্ছে একটা আলাদা ক্লাস। সেখানে কোনো সমস্যা নেই। কিন্তু সাধারণ মানুষ সড়ক, রেল দিয়ে যাতায়াত করে। আমি তো রেলমন্ত্রী ছিলাম। রেলমন্ত্রী মানে সাধারণ মানুষ।

তিনি আরও যোগ করেন, একটা ট্রেন ছিল, যার নাম ছিল গরিব রথ। মানে যারা একদম সাধারণ মানুষ, তারা রেলে যায়। তাই রেল যোগাযোগ বন্ধ থাকলেও মালবাহী ট্রেন বা ফ্রেট চালু রয়েছে এবং এর কার্যক্রম প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

মৈত্রী এক্সপ্রেস চালুর বিষয়ে দীনেশ ত্রিবেদী স্পষ্টভাবে বলেন, আর মনে হচ্ছে খুব শিগগির আমরা একটা ভালো খবর দিতে পারব, মৈত্রী এক্সপ্রেসের। অনেক কিছু আছে, খবরের কাগজে আমি দেখলাম। আর ওই দিশাতে আমরা একটা শুভ খবর, আমার মনে হচ্ছে, আসছে। আর খুব শিগগির আসবে। চেষ্টা হচ্ছে আর্লিয়েস্ট। খুব শিগগির আমরা একটা ফিক্সড ডেট দিয়ে দিতে পারব।

দুই দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ করার বিষয়ে তিনি বলেন, মন্ত্রী মহোদয় একটা কথা বললেন যে, একটা রুটে এখন ছয় ঘণ্টা, সাত ঘণ্টা লাগছে, কীভাবে তিন ঘণ্টা কমানো যায়। ওইটা পদ্মা ব্রিজ নিয়ে কিংবা ওইসব টেকনিক্যালি কথা হচ্ছে।

এর আগে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম জানান, ভারতীয় হাইকমিশনারের সঙ্গে তার দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রণালয়গুলোর চলমান বিভিন্ন কাজ ও এর অগ্রগতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, আমার দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রণালয়গুলোর সঙ্গে প্রতিবেশী দেশ ভারতের কাজ আছে, কাজ চলমান আছে। তার আবার অগ্রগতিরও প্রয়োজন আছে। কীভাবে সামনে এগিয়ে যাওয়া যায়, কীভাবে আরও দুই দেশকে লাভবান করা যায়, দুই দেশের স্বার্থ রক্ষা করে বাণিজ্য, যোগাযোগ, অর্থনীতি এগুলো কীভাবে প্রসারিত করা যায়, সে বিষয়ে খুব ইতিবাচক চিন্তা নিয়ে উনি এসেছেন।

যাত্রীবাহী ট্রেন চালুর বিষয়ে মন্ত্রী জানান, ভারতের তরফ থেকে সিকিউরিটি রিজনে সেটা বন্ধ করা হয়েছে। তো সেটা বন্ধ আছে। আবার কীভাবে চালু করারও প্রয়োজন আছে, এখন কীভাবে চালু করা যায়, সে বিষয়ে দুই রাষ্ট্রই ইতিবাচকভাবে ভাবছে।

এছাড়া সকালে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের অভিজ্ঞতা শেয়ার করে ভারতীয় হাইকমিশনার জানান, বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির সুদীর্ঘ রাজনৈতিক ও পেশাগত অভিজ্ঞতা থেকে তার অনেক কিছু শেখার আছে এবং আজকের আলোচনা সম্পূর্ণভাবে দুই দেশের সাধারণ মানুষ ও জনকল্যাণকে ঘিরেই আবর্তিত হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬


শিগগিরই চালুর পথে মৈত্রী এক্সপ্রেস

প্রকাশের তারিখ : ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

ঢাকা-কলকাতা রুটের যাত্রীবাহী জনপ্রিয় ট্রেন মৈত্রী এক্সপ্রেস পুনরায় চালুর বিষয়ে খুব শিগগিরই সুখবর আসতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী।

মঙ্গলবার সচিবালয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলমের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

হাইকমিশনার জানান, ট্রেনটি চালুর বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে বর্তমানে ইতিবাচক আলোচনা চলছে এবং খুব শিগগিরই একটি নির্দিষ্ট তারিখ ঘোষণা করা সম্ভব হবে।

সাক্ষাৎ শেষে গণমাধ্যমকে দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, এখন আমরা এরোপ্লেনে যাই, ওইটা হচ্ছে একটা আলাদা ক্লাস। সেখানে কোনো সমস্যা নেই। কিন্তু সাধারণ মানুষ সড়ক, রেল দিয়ে যাতায়াত করে। আমি তো রেলমন্ত্রী ছিলাম। রেলমন্ত্রী মানে সাধারণ মানুষ।

তিনি আরও যোগ করেন, একটা ট্রেন ছিল, যার নাম ছিল গরিব রথ। মানে যারা একদম সাধারণ মানুষ, তারা রেলে যায়। তাই রেল যোগাযোগ বন্ধ থাকলেও মালবাহী ট্রেন বা ফ্রেট চালু রয়েছে এবং এর কার্যক্রম প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

মৈত্রী এক্সপ্রেস চালুর বিষয়ে দীনেশ ত্রিবেদী স্পষ্টভাবে বলেন, আর মনে হচ্ছে খুব শিগগির আমরা একটা ভালো খবর দিতে পারব, মৈত্রী এক্সপ্রেসের। অনেক কিছু আছে, খবরের কাগজে আমি দেখলাম। আর ওই দিশাতে আমরা একটা শুভ খবর, আমার মনে হচ্ছে, আসছে। আর খুব শিগগির আসবে। চেষ্টা হচ্ছে আর্লিয়েস্ট। খুব শিগগির আমরা একটা ফিক্সড ডেট দিয়ে দিতে পারব।

দুই দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ করার বিষয়ে তিনি বলেন, মন্ত্রী মহোদয় একটা কথা বললেন যে, একটা রুটে এখন ছয় ঘণ্টা, সাত ঘণ্টা লাগছে, কীভাবে তিন ঘণ্টা কমানো যায়। ওইটা পদ্মা ব্রিজ নিয়ে কিংবা ওইসব টেকনিক্যালি কথা হচ্ছে।

এর আগে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম জানান, ভারতীয় হাইকমিশনারের সঙ্গে তার দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রণালয়গুলোর চলমান বিভিন্ন কাজ ও এর অগ্রগতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, আমার দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রণালয়গুলোর সঙ্গে প্রতিবেশী দেশ ভারতের কাজ আছে, কাজ চলমান আছে। তার আবার অগ্রগতিরও প্রয়োজন আছে। কীভাবে সামনে এগিয়ে যাওয়া যায়, কীভাবে আরও দুই দেশকে লাভবান করা যায়, দুই দেশের স্বার্থ রক্ষা করে বাণিজ্য, যোগাযোগ, অর্থনীতি এগুলো কীভাবে প্রসারিত করা যায়, সে বিষয়ে খুব ইতিবাচক চিন্তা নিয়ে উনি এসেছেন।

যাত্রীবাহী ট্রেন চালুর বিষয়ে মন্ত্রী জানান, ভারতের তরফ থেকে সিকিউরিটি রিজনে সেটা বন্ধ করা হয়েছে। তো সেটা বন্ধ আছে। আবার কীভাবে চালু করারও প্রয়োজন আছে, এখন কীভাবে চালু করা যায়, সে বিষয়ে দুই রাষ্ট্রই ইতিবাচকভাবে ভাবছে।

এছাড়া সকালে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের অভিজ্ঞতা শেয়ার করে ভারতীয় হাইকমিশনার জানান, বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির সুদীর্ঘ রাজনৈতিক ও পেশাগত অভিজ্ঞতা থেকে তার অনেক কিছু শেখার আছে এবং আজকের আলোচনা সম্পূর্ণভাবে দুই দেশের সাধারণ মানুষ ও জনকল্যাণকে ঘিরেই আবর্তিত হয়েছে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত