গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে তিস্তা নদীর তীব্র ভাঙনে একের পর এক বসতভিটা, ফসলি জমি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও রাস্তাঘাট নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। মাথা গোঁজার শেষ সম্বল হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়া শত শত পরিবার এখন চরম অনিশ্চয়তা ও মানবেতর দিন কাটাচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তিস্তার অব্যাহত ভাঙনে উপজেলার লালচামার মৌজার ভোরের পাখি ও সিংগীজানি পাড়ার বিস্তীর্ণ জনপদ নদীগর্ভে তলিয়ে গেছে। গৃহহীন পরিবারগুলো এখন খোলা আকাশের নিচে, গাছতলায়, বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের রাস্তায় কিংবা আত্মীয়–স্বজনের আশ্রয়ে দিনাতিপাত করছে। আবাদি জমি ও কাজের সুযোগ হারিয়ে কৃষক ও দিনমজুর পরিবারগুলোর আয়ের পথ পুরোপুরি বন্ধ। খাবার, বিশুদ্ধ পানি, বস্ত্র ও স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটেশনের তীব্র সংকটে স্বাস্থ্যঝুঁকি দেখা দিয়েছে।
ভাঙন ঠেকাতে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) কিছু জিওব্যাগ ডাম্পিং শুরু করলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় নগণ্য বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। উপজেলা প্রশাসন ও একটি বেসরকারি সংস্থা কিছু পরিবারকে সীমিত আর্থিক ও শুকনো খাবার সহায়তা দিলেও তা চাহিদার তুলনায় অতি সামান্য বলে অভিযোগ দুর্গত বাসিন্দা ও জনপ্রতিনিধিদের।
স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, গৃহহীনদের দ্রুত খাদ্য সহায়তা ও স্থায়ী পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা জরুরি। পাশাপাশি তিস্তার ভাঙন ঠেকাতে দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই বাঁধ নির্মাণ প্রয়োজন।
এ বিষয়ে সুন্দরগঞ্জ উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মশিয়ার রহমান এবং গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী শরিফুল ইসলামের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের পাওয়া যায়নি। খুদে বার্তা পাঠিয়েও কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে তিস্তা নদীর তীব্র ভাঙনে একের পর এক বসতভিটা, ফসলি জমি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও রাস্তাঘাট নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। মাথা গোঁজার শেষ সম্বল হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়া শত শত পরিবার এখন চরম অনিশ্চয়তা ও মানবেতর দিন কাটাচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তিস্তার অব্যাহত ভাঙনে উপজেলার লালচামার মৌজার ভোরের পাখি ও সিংগীজানি পাড়ার বিস্তীর্ণ জনপদ নদীগর্ভে তলিয়ে গেছে। গৃহহীন পরিবারগুলো এখন খোলা আকাশের নিচে, গাছতলায়, বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের রাস্তায় কিংবা আত্মীয়–স্বজনের আশ্রয়ে দিনাতিপাত করছে। আবাদি জমি ও কাজের সুযোগ হারিয়ে কৃষক ও দিনমজুর পরিবারগুলোর আয়ের পথ পুরোপুরি বন্ধ। খাবার, বিশুদ্ধ পানি, বস্ত্র ও স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটেশনের তীব্র সংকটে স্বাস্থ্যঝুঁকি দেখা দিয়েছে।
ভাঙন ঠেকাতে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) কিছু জিওব্যাগ ডাম্পিং শুরু করলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় নগণ্য বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। উপজেলা প্রশাসন ও একটি বেসরকারি সংস্থা কিছু পরিবারকে সীমিত আর্থিক ও শুকনো খাবার সহায়তা দিলেও তা চাহিদার তুলনায় অতি সামান্য বলে অভিযোগ দুর্গত বাসিন্দা ও জনপ্রতিনিধিদের।
স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, গৃহহীনদের দ্রুত খাদ্য সহায়তা ও স্থায়ী পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা জরুরি। পাশাপাশি তিস্তার ভাঙন ঠেকাতে দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই বাঁধ নির্মাণ প্রয়োজন।
এ বিষয়ে সুন্দরগঞ্জ উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মশিয়ার রহমান এবং গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী শরিফুল ইসলামের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের পাওয়া যায়নি। খুদে বার্তা পাঠিয়েও কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

আপনার মতামত লিখুন