রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার (অতিরিক্ত সচিব) মো. ইউসুফ আলী বলেছেন, ডিলাররা যাতে কোনো কৃত্রিম সংকট তৈরি করতে না পারেন, সে জন্য প্রতিটি ইউনিয়ন ও ডিলারের দোকানে সার আসার সময় এবং বিক্রির সুনির্দিষ্ট রেকর্ড রাখতে হবে। ক্যাশ মেমো ও মোবাইল নম্বর সংরক্ষণ করতে হবে, যেন কোনো কৃষক সারের জন্য ঘুরে না যান।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বগুড়া জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
বিভাগীয় কমিশনার জানান, বগুড়ায় সারের কোনো ঘাটতি নেই। অহেতুক বিভ্রান্তি ও কৃত্রিম সংকট রোধে মাঠপর্যায়ে কঠোর মনিটরিং করা হচ্ছে। তিনি কর্মকর্তা–কর্মচারীদের দুর্নীতির ঊর্ধ্বে থেকে সরকারের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের আহ্বান জানান।
ডেঙ্গু প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ কেবল স্বাস্থ্য বিভাগের কাজ নয়। বাসাবাড়ি, ছাদ, ফুলের টব ও নির্মাণাধীন ভবনে জমা পানি পরিষ্কার রাখতে হবে। সিটি করপোরেশন ও পৌরসভায় নিয়মিত মশকনিধন ওষুধ সঠিক মাত্রায় স্প্রে করতে হবে।’
সভায় স্মার্ট কৃষক কার্ড ও ফ্যামিলি কার্ড জরিপের অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়। আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক কৃষক কার্ডের তৃতীয় ধাপ উদ্বোধনের আওতায় বগুড়ার কাহালু, সদর, দুপচাঁচিয়া ও মোকামতলা অঞ্চলের প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা হয়। পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ এবং শহরের যানজট নিরসন নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মো. তৌফিকুর রহমান। বক্তব্য রাখেন মোহাম্মদ আলী হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মজিদুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামান প্রমুখ।

বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার (অতিরিক্ত সচিব) মো. ইউসুফ আলী বলেছেন, ডিলাররা যাতে কোনো কৃত্রিম সংকট তৈরি করতে না পারেন, সে জন্য প্রতিটি ইউনিয়ন ও ডিলারের দোকানে সার আসার সময় এবং বিক্রির সুনির্দিষ্ট রেকর্ড রাখতে হবে। ক্যাশ মেমো ও মোবাইল নম্বর সংরক্ষণ করতে হবে, যেন কোনো কৃষক সারের জন্য ঘুরে না যান।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বগুড়া জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
বিভাগীয় কমিশনার জানান, বগুড়ায় সারের কোনো ঘাটতি নেই। অহেতুক বিভ্রান্তি ও কৃত্রিম সংকট রোধে মাঠপর্যায়ে কঠোর মনিটরিং করা হচ্ছে। তিনি কর্মকর্তা–কর্মচারীদের দুর্নীতির ঊর্ধ্বে থেকে সরকারের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের আহ্বান জানান।
ডেঙ্গু প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ কেবল স্বাস্থ্য বিভাগের কাজ নয়। বাসাবাড়ি, ছাদ, ফুলের টব ও নির্মাণাধীন ভবনে জমা পানি পরিষ্কার রাখতে হবে। সিটি করপোরেশন ও পৌরসভায় নিয়মিত মশকনিধন ওষুধ সঠিক মাত্রায় স্প্রে করতে হবে।’
সভায় স্মার্ট কৃষক কার্ড ও ফ্যামিলি কার্ড জরিপের অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়। আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক কৃষক কার্ডের তৃতীয় ধাপ উদ্বোধনের আওতায় বগুড়ার কাহালু, সদর, দুপচাঁচিয়া ও মোকামতলা অঞ্চলের প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা হয়। পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ এবং শহরের যানজট নিরসন নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মো. তৌফিকুর রহমান। বক্তব্য রাখেন মোহাম্মদ আলী হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মজিদুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামান প্রমুখ।

আপনার মতামত লিখুন