দেশের অন্যতম ব্যস্ত নৌরুট দৌলতদিয়া–পাটুরিয়ায় পদ্মা নদীতে তীব্র স্রোতের কারণে ফেরি চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। এতে নদীর দুই পাড়েই শত শত যানবাহনের দীর্ঘ সারি তৈরি হয়েছে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষায় থেকে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রী, শ্রমিক ও পণ্যবাহী গাড়ির চালকেরা।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টায় দৌলতদিয়া ফেরিঘাট এলাকায় সরেজমিনে দেখা যায়, জিরো পয়েন্ট থেকে ক্যানালঘাট পর্যন্ত প্রায় দেড় কিলোমিটারজুড়ে দুই সারিতে যানবাহন পারাপারের অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে আছে। এর মধ্যে রয়েছে যাত্রীবাহী বাস, পণ্যবাহী ট্রাক, কাভার্ডভ্যানসহ নানা ধরনের যানবাহন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পদ্মায় গত কয়েকদিন ধরে তীব্র স্রোত থাকায় ফেরি চলাচলে স্বাভাবিকের তুলনায় দ্বিগুণের বেশি সময় লাগছে। অনেক ফেরিই ঘাটে ভিড়তে পারছে না; কিছু পকেট অচল হয়ে পড়ায় ফেরির সংখ্যা কমিয়ে সীমিত আকারে পারাপার চলছে।
যাত্রী জাহাঙ্গীর ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘এক ঘণ্টার বেশি সময় পার হয়ে গেছে, কিন্তু এখনো ফেরিতে উঠতে পারিনি। পরিবার নিয়ে রোদে ও গরমে থাকতে হচ্ছে, যা খুবই কষ্টকর।’
পণ্যবাহী ট্রাকের চালক ফয়সাল বলেন, ‘নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য নিয়ে এসেছি। দীর্ঘ সময় আটকে থাকলে পণ্য নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা থাকে।’ আরেক চালক মফিজুল ইসলাম বলেন, ‘ঘণ্টার পর ঘণ্টা পড়ে আছি। খাওয়া–ঘুমের কোনো ব্যবস্থা নেই।’
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) দৌলতদিয়া ঘাট শাখার সহকারী মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ সালাউদ্দিন জানান, বর্তমানে ১৭টি ফেরির মধ্যে পর্যায়ক্রমে ৭টি দিয়ে পারাপার করা হচ্ছে। ‘তীব্র স্রোতে ইঞ্জিন অতিরিক্ত গরম হওয়ার ঝুঁকি থাকে, তাই নিরাপত্তায় ফেরি সংখ্যা কমানো হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে বাড়ানো হবে।’
নদীর স্রোত অব্যাহত থাকলে আগামী দিনগুলোতেও ভোগান্তি বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা। দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
দেশের অন্যতম ব্যস্ত নৌরুট দৌলতদিয়া–পাটুরিয়ায় পদ্মা নদীতে তীব্র স্রোতের কারণে ফেরি চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। এতে নদীর দুই পাড়েই শত শত যানবাহনের দীর্ঘ সারি তৈরি হয়েছে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষায় থেকে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রী, শ্রমিক ও পণ্যবাহী গাড়ির চালকেরা।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টায় দৌলতদিয়া ফেরিঘাট এলাকায় সরেজমিনে দেখা যায়, জিরো পয়েন্ট থেকে ক্যানালঘাট পর্যন্ত প্রায় দেড় কিলোমিটারজুড়ে দুই সারিতে যানবাহন পারাপারের অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে আছে। এর মধ্যে রয়েছে যাত্রীবাহী বাস, পণ্যবাহী ট্রাক, কাভার্ডভ্যানসহ নানা ধরনের যানবাহন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পদ্মায় গত কয়েকদিন ধরে তীব্র স্রোত থাকায় ফেরি চলাচলে স্বাভাবিকের তুলনায় দ্বিগুণের বেশি সময় লাগছে। অনেক ফেরিই ঘাটে ভিড়তে পারছে না; কিছু পকেট অচল হয়ে পড়ায় ফেরির সংখ্যা কমিয়ে সীমিত আকারে পারাপার চলছে।
যাত্রী জাহাঙ্গীর ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘এক ঘণ্টার বেশি সময় পার হয়ে গেছে, কিন্তু এখনো ফেরিতে উঠতে পারিনি। পরিবার নিয়ে রোদে ও গরমে থাকতে হচ্ছে, যা খুবই কষ্টকর।’
পণ্যবাহী ট্রাকের চালক ফয়সাল বলেন, ‘নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য নিয়ে এসেছি। দীর্ঘ সময় আটকে থাকলে পণ্য নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা থাকে।’ আরেক চালক মফিজুল ইসলাম বলেন, ‘ঘণ্টার পর ঘণ্টা পড়ে আছি। খাওয়া–ঘুমের কোনো ব্যবস্থা নেই।’
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) দৌলতদিয়া ঘাট শাখার সহকারী মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ সালাউদ্দিন জানান, বর্তমানে ১৭টি ফেরির মধ্যে পর্যায়ক্রমে ৭টি দিয়ে পারাপার করা হচ্ছে। ‘তীব্র স্রোতে ইঞ্জিন অতিরিক্ত গরম হওয়ার ঝুঁকি থাকে, তাই নিরাপত্তায় ফেরি সংখ্যা কমানো হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে বাড়ানো হবে।’
নদীর স্রোত অব্যাহত থাকলে আগামী দিনগুলোতেও ভোগান্তি বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা। দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

আপনার মতামত লিখুন