চাঁদপুরের চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-১ এবং সদর সিনিয়র সহকারী জজ আদালত অনির্দিষ্টকালের জন্য বর্জন করেছেন জেলা আইনজীবী সমিতির আইনজীবীরা। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকালে আইনজীবী সমিতি ভবনে এক জরুরি সাধারণ সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. শামছুল ইসলাম মন্টু এবং পরিচালনা করেন সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. জাকির হোসেন তালুকদার (ফয়সাল)। সমিতির নেতৃবৃন্দ ও সাধারণ আইনজীবীরা উপস্থিত ছিলেন।
আইনজীবী সমিতি সূত্রে জানা যায়, বিচারকদের কিছু অনিয়ম, পেশাগত অসদাচরণ এবং আইনজীবীদের প্রতি অপেশাদারসুলভ আচরণের প্রতিবাদে এই বর্জনের ডাক দেওয়া হয়েছে। সভায় বক্তারা বলেন, বিচার বিভাগে আইনজীবীদের যথাযথ সম্মান ও ন্যায়বিচারের পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে এই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া ছাড়া বিকল্প ছিল না।
এতে উল্লেখিত আদালতগুলোর মামলার কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে। দূর–দূরান্ত থেকে আসা বিচারপ্রার্থীরা বিচার না পেয়ে ফিরে গেছেন।
আইনজীবী সমিতির নেতারা জানান, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত বর্জন অব্যাহত থাকবে। প্রয়োজনে আরও কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।

বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
চাঁদপুরের চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-১ এবং সদর সিনিয়র সহকারী জজ আদালত অনির্দিষ্টকালের জন্য বর্জন করেছেন জেলা আইনজীবী সমিতির আইনজীবীরা। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকালে আইনজীবী সমিতি ভবনে এক জরুরি সাধারণ সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. শামছুল ইসলাম মন্টু এবং পরিচালনা করেন সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. জাকির হোসেন তালুকদার (ফয়সাল)। সমিতির নেতৃবৃন্দ ও সাধারণ আইনজীবীরা উপস্থিত ছিলেন।
আইনজীবী সমিতি সূত্রে জানা যায়, বিচারকদের কিছু অনিয়ম, পেশাগত অসদাচরণ এবং আইনজীবীদের প্রতি অপেশাদারসুলভ আচরণের প্রতিবাদে এই বর্জনের ডাক দেওয়া হয়েছে। সভায় বক্তারা বলেন, বিচার বিভাগে আইনজীবীদের যথাযথ সম্মান ও ন্যায়বিচারের পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে এই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া ছাড়া বিকল্প ছিল না।
এতে উল্লেখিত আদালতগুলোর মামলার কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে। দূর–দূরান্ত থেকে আসা বিচারপ্রার্থীরা বিচার না পেয়ে ফিরে গেছেন।
আইনজীবী সমিতির নেতারা জানান, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত বর্জন অব্যাহত থাকবে। প্রয়োজনে আরও কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন