কুড়িগ্রাম পৌর শহরের ১১ বছরের শিশু এশামনি জটিল ‘লিভার সিরোসিস’ রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে। সে কুড়িগ্রাম পিটিআই স্কুলের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী। চার মাস আগে শ্রেণিকক্ষে হঠাৎ জ্ঞান হারিয়ে ফেলার পর তাকে প্রথমে কুড়িগ্রাম সদর ও পরে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর চিকিৎসকেরা তার লিভার সিরোসিস রোগ শনাক্ত করেন।
এশামনির বাবা ইব্রাহিম আহমেদ একজন সাধারণ কাঁচামাল ব্যবসায়ী। তিনি কুড়িগ্রাম পৌর শহরের রেজিস্ট্রি পাড়ায় স্ত্রী ও দুই কন্যাকে নিয়ে ভাড়া বাসায় থাকেন। এশামনির জীবন বাঁচাতে ও শরীরের ফোলা কমাতে নিয়মিত অত্যন্ত ব্যয়বহুল ‘অ্যালবুমিন প্রোটিন’ ইনজেকশন দিতে হচ্ছে, যার প্রতিটির খরচ পড়ে প্রায় ১০ হাজার টাকা। এ পর্যন্ত চিকিৎসার খরচ চালাতে গিয়ে ইব্রাহিম তাঁর ব্যবসার বরাদ্দকৃত দোকান ছেড়ে দিয়ে জমানো প্রায় দুই লাখ টাকা শেষ করে ফেলেছেন।
চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, বাংলাদেশে এ রোগের পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসা সম্ভব নয়। শিশুটিকে বাঁচানো ও সুস্থ জীবনে ফিরিয়ে আনতে ভারতের হায়দরাবাদের কোনো বিশেষায়িত হাসপাতালে জরুরি ভিত্তিতে লিভার প্রতিস্থাপন (ট্রান্সপ্ল্যান্ট) করা প্রয়োজন, যার জন্য প্রয়োজন প্রায় ৫০ থেকে ৭০ লাখ টাকা। দরিদ্র কাঁচামাল ব্যবসায়ীর পক্ষে এই বিশাল অঙ্ক যোগাড় করা অসম্ভব হয়ে পড়েছে।
বিশিষ্ট চিকিৎসক ও সাবেক সিভিল সার্জন ড. এস. এম. আমিনুল ইসলাম জানান, একমাত্র লিভার ট্রান্সপ্ল্যান্টের মাধ্যমেই এশামনিকে বাঁচিয়ে রাখা সম্ভব। নিষ্পাপ শিশুটির জীবন বাঁচাতে এবং তাকে স্কুলে ফিরিয়ে নিতে ইব্রাহিম-মারুফা দম্পতি ও স্থানীয়রা বিত্তবান ব্যক্তি, সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কাছে আকুল আর্থিক সহায়তার আবেদন জানিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কুড়িগ্রাম পৌর শহরের ১১ বছরের শিশু এশামনি জটিল ‘লিভার সিরোসিস’ রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে। সে কুড়িগ্রাম পিটিআই স্কুলের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী। চার মাস আগে শ্রেণিকক্ষে হঠাৎ জ্ঞান হারিয়ে ফেলার পর তাকে প্রথমে কুড়িগ্রাম সদর ও পরে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর চিকিৎসকেরা তার লিভার সিরোসিস রোগ শনাক্ত করেন।
এশামনির বাবা ইব্রাহিম আহমেদ একজন সাধারণ কাঁচামাল ব্যবসায়ী। তিনি কুড়িগ্রাম পৌর শহরের রেজিস্ট্রি পাড়ায় স্ত্রী ও দুই কন্যাকে নিয়ে ভাড়া বাসায় থাকেন। এশামনির জীবন বাঁচাতে ও শরীরের ফোলা কমাতে নিয়মিত অত্যন্ত ব্যয়বহুল ‘অ্যালবুমিন প্রোটিন’ ইনজেকশন দিতে হচ্ছে, যার প্রতিটির খরচ পড়ে প্রায় ১০ হাজার টাকা। এ পর্যন্ত চিকিৎসার খরচ চালাতে গিয়ে ইব্রাহিম তাঁর ব্যবসার বরাদ্দকৃত দোকান ছেড়ে দিয়ে জমানো প্রায় দুই লাখ টাকা শেষ করে ফেলেছেন।
চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, বাংলাদেশে এ রোগের পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসা সম্ভব নয়। শিশুটিকে বাঁচানো ও সুস্থ জীবনে ফিরিয়ে আনতে ভারতের হায়দরাবাদের কোনো বিশেষায়িত হাসপাতালে জরুরি ভিত্তিতে লিভার প্রতিস্থাপন (ট্রান্সপ্ল্যান্ট) করা প্রয়োজন, যার জন্য প্রয়োজন প্রায় ৫০ থেকে ৭০ লাখ টাকা। দরিদ্র কাঁচামাল ব্যবসায়ীর পক্ষে এই বিশাল অঙ্ক যোগাড় করা অসম্ভব হয়ে পড়েছে।
বিশিষ্ট চিকিৎসক ও সাবেক সিভিল সার্জন ড. এস. এম. আমিনুল ইসলাম জানান, একমাত্র লিভার ট্রান্সপ্ল্যান্টের মাধ্যমেই এশামনিকে বাঁচিয়ে রাখা সম্ভব। নিষ্পাপ শিশুটির জীবন বাঁচাতে এবং তাকে স্কুলে ফিরিয়ে নিতে ইব্রাহিম-মারুফা দম্পতি ও স্থানীয়রা বিত্তবান ব্যক্তি, সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কাছে আকুল আর্থিক সহায়তার আবেদন জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন