স্থানীয় সরকার নির্বাচন দলীয় প্রতীক ও মনোনয়ন ছাড়া অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। তিনি বলেছেন, আইন অনুযায়ী যোগ্যতা পূরণ করে বৈধ প্রার্থী হিসেবে মনোনীত হলেই যে কেউ নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুকের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী। বৈঠকে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খানও উপস্থিত ছিলেন।
মীর শাহে আলম বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন দলীয়ভাবে না করার সিদ্ধান্তের কারণে কোনো দলের মনোনয়ন বা দলীয় প্রতীকে প্রার্থী হওয়ার সুযোগ থাকছে না। ফলে আইন অনুযায়ী নির্বাচনে অংশ নেওয়ার যোগ্য সব বৈধ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবেন।
আওয়ামী লীগের (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) নেতাকর্মীরা স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নিলে সরকারের অবস্থান কী হবে–এমন প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দলীয়ভাবে নির্বাচন হচ্ছে না। তাই কোনো দলের পরিচয়ে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ নেই। বৈধ প্রার্থী হিসেবে যাদের যোগ্যতা রয়েছে, তারা নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন।
তিনি জানান, চলতি অর্থবছরের মধ্যেই পাঁচটি স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের বিষয়ে সরকার বদ্ধপরিকর। নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে নির্বাচন কমিশনকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেওয়া হবে।
স্থানীয় পর্যায়ে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলেও জানান মীর শাহে আলম। দলের নীতিনির্ধারণী পর্যায় থেকে স্থানীয় নেতাদের প্রতিটি ইউনিয়নে সম্ভব হলে একক সমর্থিত প্রার্থী রাখার চেষ্টা করতে বলা হয়েছে। তবে এটিকে দলীয় নির্বাচন হিসেবে বিএনপি কোনো আনুষ্ঠানিক অবস্থান নেবে না বলে জানান তিনি।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, বৈধ প্রার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং তাঁরা যাতে নির্বিঘ্নে প্রচার-প্রচারণা চালাতে পারেন, সে জন্য স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় প্রশাসন নির্বাচন কমিশনকে সহযোগিতা করবে। অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বৈঠকে ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়েও জানতে চান। একই সঙ্গে সিটি করপোরেশনের বর্জ্য ও মেডিকেল বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং ‘ওয়েস্ট টু এনার্জি’ খাতে সহযোগিতা ও বিনিয়োগে যুক্তরাজ্যের আগ্রহের কথা জানান তিনি। সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের (পিপিপি) ভিত্তিতে এসব খাতে বিনিয়োগের বিষয়েও আলোচনা হয়।
/

বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্থানীয় সরকার নির্বাচন দলীয় প্রতীক ও মনোনয়ন ছাড়া অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। তিনি বলেছেন, আইন অনুযায়ী যোগ্যতা পূরণ করে বৈধ প্রার্থী হিসেবে মনোনীত হলেই যে কেউ নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুকের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী। বৈঠকে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খানও উপস্থিত ছিলেন।
মীর শাহে আলম বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন দলীয়ভাবে না করার সিদ্ধান্তের কারণে কোনো দলের মনোনয়ন বা দলীয় প্রতীকে প্রার্থী হওয়ার সুযোগ থাকছে না। ফলে আইন অনুযায়ী নির্বাচনে অংশ নেওয়ার যোগ্য সব বৈধ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবেন।
আওয়ামী লীগের (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) নেতাকর্মীরা স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নিলে সরকারের অবস্থান কী হবে–এমন প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দলীয়ভাবে নির্বাচন হচ্ছে না। তাই কোনো দলের পরিচয়ে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ নেই। বৈধ প্রার্থী হিসেবে যাদের যোগ্যতা রয়েছে, তারা নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন।
তিনি জানান, চলতি অর্থবছরের মধ্যেই পাঁচটি স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের বিষয়ে সরকার বদ্ধপরিকর। নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে নির্বাচন কমিশনকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেওয়া হবে।
স্থানীয় পর্যায়ে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলেও জানান মীর শাহে আলম। দলের নীতিনির্ধারণী পর্যায় থেকে স্থানীয় নেতাদের প্রতিটি ইউনিয়নে সম্ভব হলে একক সমর্থিত প্রার্থী রাখার চেষ্টা করতে বলা হয়েছে। তবে এটিকে দলীয় নির্বাচন হিসেবে বিএনপি কোনো আনুষ্ঠানিক অবস্থান নেবে না বলে জানান তিনি।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, বৈধ প্রার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং তাঁরা যাতে নির্বিঘ্নে প্রচার-প্রচারণা চালাতে পারেন, সে জন্য স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় প্রশাসন নির্বাচন কমিশনকে সহযোগিতা করবে। অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বৈঠকে ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়েও জানতে চান। একই সঙ্গে সিটি করপোরেশনের বর্জ্য ও মেডিকেল বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং ‘ওয়েস্ট টু এনার্জি’ খাতে সহযোগিতা ও বিনিয়োগে যুক্তরাজ্যের আগ্রহের কথা জানান তিনি। সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের (পিপিপি) ভিত্তিতে এসব খাতে বিনিয়োগের বিষয়েও আলোচনা হয়।
/

আপনার মতামত লিখুন