সার ব্যবস্থাপনা ও বিতরণ কার্যক্রমকে সুশৃঙ্খল রাখতে দেশের ৬৪টি জেলাতেই মনিটরিং সেল গঠন করা হয়েছে। সারের কৃত্রিম সংকট রোধ এবং বাজার তদারকি জোরদার করতে সরকারের পক্ষ থেকে এসব পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জাতীয় সংসদে জানানো হয়েছে।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে পাবনা-১ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ নাজিবুর রহমান কার্যপ্রণালী বিধির ৬৮ বিধিতে সার সংকট নিয়ে আলোচনার সুযোগ নিলে সরকারের পক্ষ থেকে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এ তথ্য জানান।
সংসদে জানানো হয়, প্রতিটি মনিটরিং সেল পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছেন দুজন করে যুগ্মসচিব ও উপসচিব। সারাদেশের যেকোনো স্থান থেকে কোনো অনিয়ম বা অভিযোগ পাওয়া গেলেই তৎক্ষণাৎ ব্যবস্থা নিচ্ছেন তারা।
প্রতিমন্ত্রী জানান, দেশে সারের মোট চাহিদা ৩৫ লাখ ৮৭ হাজার টন। বিপরীতে বর্তমানে সারের মজুদ রয়েছে ৫১ লাখ ৭১ হাজার টন। ফলে দেশে প্রায় ১৫ লাখ ৮৪ হাজার টন সার উদ্বৃত্ত থাকবে। তাই দেশে সারের কোনো ঘাটতি হওয়ার আশঙ্কা নেই।
ডিলার নিয়োগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিগত সরকারের আমলে নিয়োগ পাওয়া প্রায় ৩ হাজার ৭৫ ৯ জন ডিলার বর্তমানে আত্মগোপনে বা পলাতক রয়েছেন। এই শূন্যতা পূরণে ইউনিয়ন পর্যায়ে সরকার ৪ হাজার ৯১৮ জন নতুন ডিলার নিয়োগের উদ্যোগ নিয়েছে। এসব ডিলার নিয়োগ চূড়ান্ত হলে সার বিতরণ আরও গতিশীল হবে। ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ডিলার নিয়োগের আবেদন জমা নেওয়া হয়েছে।
আলোচনায় অংশ নিয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম সংসদে সারের সুনির্দিষ্ট মজুদের হিসাব তুলে ধরেন। তিনি জানান, ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশে ৪ লাখ ১৮ হাজার টন ইউরিয়া, ৩ লাখ ৪৩ হাজার টন টিএসপি, ৩ লাখ ২ হাজার টন ডিএপি এবং ১ লাখ ৭৮ হাজার ৯০০ টন এমওপি সারের মজুত রয়েছে। এ ছাড়া বিপুল পরিমাণ সার বর্তমানে পরিবহনজনিত প্রক্রিয়ায় রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, নতুন 'সার ডিলার নিয়োগ ও বিতরণ সমন্বিত নীতিমালা-২০২৬' বাস্তবায়নের ফলে তৃণমূল পর্যায়ে সারের অপচয় ও দুর্নীতির সুযোগ অনেকাংশে কমে আসবে।

বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সার ব্যবস্থাপনা ও বিতরণ কার্যক্রমকে সুশৃঙ্খল রাখতে দেশের ৬৪টি জেলাতেই মনিটরিং সেল গঠন করা হয়েছে। সারের কৃত্রিম সংকট রোধ এবং বাজার তদারকি জোরদার করতে সরকারের পক্ষ থেকে এসব পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জাতীয় সংসদে জানানো হয়েছে।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে পাবনা-১ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ নাজিবুর রহমান কার্যপ্রণালী বিধির ৬৮ বিধিতে সার সংকট নিয়ে আলোচনার সুযোগ নিলে সরকারের পক্ষ থেকে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এ তথ্য জানান।
সংসদে জানানো হয়, প্রতিটি মনিটরিং সেল পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছেন দুজন করে যুগ্মসচিব ও উপসচিব। সারাদেশের যেকোনো স্থান থেকে কোনো অনিয়ম বা অভিযোগ পাওয়া গেলেই তৎক্ষণাৎ ব্যবস্থা নিচ্ছেন তারা।
প্রতিমন্ত্রী জানান, দেশে সারের মোট চাহিদা ৩৫ লাখ ৮৭ হাজার টন। বিপরীতে বর্তমানে সারের মজুদ রয়েছে ৫১ লাখ ৭১ হাজার টন। ফলে দেশে প্রায় ১৫ লাখ ৮৪ হাজার টন সার উদ্বৃত্ত থাকবে। তাই দেশে সারের কোনো ঘাটতি হওয়ার আশঙ্কা নেই।
ডিলার নিয়োগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিগত সরকারের আমলে নিয়োগ পাওয়া প্রায় ৩ হাজার ৭৫ ৯ জন ডিলার বর্তমানে আত্মগোপনে বা পলাতক রয়েছেন। এই শূন্যতা পূরণে ইউনিয়ন পর্যায়ে সরকার ৪ হাজার ৯১৮ জন নতুন ডিলার নিয়োগের উদ্যোগ নিয়েছে। এসব ডিলার নিয়োগ চূড়ান্ত হলে সার বিতরণ আরও গতিশীল হবে। ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ডিলার নিয়োগের আবেদন জমা নেওয়া হয়েছে।
আলোচনায় অংশ নিয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম সংসদে সারের সুনির্দিষ্ট মজুদের হিসাব তুলে ধরেন। তিনি জানান, ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশে ৪ লাখ ১৮ হাজার টন ইউরিয়া, ৩ লাখ ৪৩ হাজার টন টিএসপি, ৩ লাখ ২ হাজার টন ডিএপি এবং ১ লাখ ৭৮ হাজার ৯০০ টন এমওপি সারের মজুত রয়েছে। এ ছাড়া বিপুল পরিমাণ সার বর্তমানে পরিবহনজনিত প্রক্রিয়ায় রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, নতুন 'সার ডিলার নিয়োগ ও বিতরণ সমন্বিত নীতিমালা-২০২৬' বাস্তবায়নের ফলে তৃণমূল পর্যায়ে সারের অপচয় ও দুর্নীতির সুযোগ অনেকাংশে কমে আসবে।

আপনার মতামত লিখুন