সংবাদ

হাসপাতালে স্ত্রীর মরদেহ ফেলে পালানোর সময় স্বামী আটক


প্রতিনিধি, ​গাইবান্ধা
প্রতিনিধি, ​গাইবান্ধা
প্রকাশ: ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৫২ পিএম

হাসপাতালে স্ত্রীর মরদেহ ফেলে পালানোর সময় স্বামী আটক
ছবি : সংগৃহীত

গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে প্রাইভেটকারে মুমূর্ষু স্ত্রীকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসার পর চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করতেই মরদেহ ফেলে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছেন এক স্বামী। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় অভিযুক্ত স্বামী মোরসেলিম আকাশ সিয়ামকে আটক করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টার দিকে পলাশবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এ ঘটনা ঘটে। শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পলাশবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সরোয়ারে আলম খান।

নিহত শাহিনা আক্তার (২২) সাদুল্লাপুর উপজেলার ইদিলপুর গ্রামের মৃত শাহাজাদা মিয়ার মেয়ে এবং পলাশবাড়ী সরকারি কলেজের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। অভিযুক্ত স্বামী সিয়াম উপজেলার হোসেনপুর ইউনিয়নের মাজহারুল ইসলাম মিতুর ছেলে।

পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় সিয়াম নিজে প্রাইভেটকার চালিয়ে স্ত্রীকে হাসপাতালে নিয়ে আসেন। ইসিজি পরীক্ষার পর চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করলে সিয়াম দ্রুত গাড়ি নিয়ে হাসপাতাল থেকে পালানোর চেষ্টা করেন। স্থানীয় জনতা পরে তাকে আটকে রেখে পুলিশে সোপর্দ করে। নিহতের স্বজনদের অভিযোগ, সিয়াম মাদকাসক্ত ছিলেন এবং যৌতুকের জন্য শাহিনাকে নিয়মিত মারধর করতেন। মারধরের কারণেই তার মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি পরিবারের।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. শামা তাবাসসুম জানান, হাসপাতালে আনার আগেই শাহিনার মৃত্যু হয়েছিল এবং তার গলায় আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। পলাশবাড়ী থানার ওসি সরোয়ারে আলম খান জানান, সুরতহালে নিহতের শরীরে একাধিক আঘাতের দাগ পাওয়া গেছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে এবং আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬


হাসপাতালে স্ত্রীর মরদেহ ফেলে পালানোর সময় স্বামী আটক

প্রকাশের তারিখ : ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে প্রাইভেটকারে মুমূর্ষু স্ত্রীকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসার পর চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করতেই মরদেহ ফেলে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছেন এক স্বামী। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় অভিযুক্ত স্বামী মোরসেলিম আকাশ সিয়ামকে আটক করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টার দিকে পলাশবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এ ঘটনা ঘটে। শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পলাশবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সরোয়ারে আলম খান।

নিহত শাহিনা আক্তার (২২) সাদুল্লাপুর উপজেলার ইদিলপুর গ্রামের মৃত শাহাজাদা মিয়ার মেয়ে এবং পলাশবাড়ী সরকারি কলেজের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। অভিযুক্ত স্বামী সিয়াম উপজেলার হোসেনপুর ইউনিয়নের মাজহারুল ইসলাম মিতুর ছেলে।

পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় সিয়াম নিজে প্রাইভেটকার চালিয়ে স্ত্রীকে হাসপাতালে নিয়ে আসেন। ইসিজি পরীক্ষার পর চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করলে সিয়াম দ্রুত গাড়ি নিয়ে হাসপাতাল থেকে পালানোর চেষ্টা করেন। স্থানীয় জনতা পরে তাকে আটকে রেখে পুলিশে সোপর্দ করে। নিহতের স্বজনদের অভিযোগ, সিয়াম মাদকাসক্ত ছিলেন এবং যৌতুকের জন্য শাহিনাকে নিয়মিত মারধর করতেন। মারধরের কারণেই তার মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি পরিবারের।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. শামা তাবাসসুম জানান, হাসপাতালে আনার আগেই শাহিনার মৃত্যু হয়েছিল এবং তার গলায় আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। পলাশবাড়ী থানার ওসি সরোয়ারে আলম খান জানান, সুরতহালে নিহতের শরীরে একাধিক আঘাতের দাগ পাওয়া গেছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে এবং আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত