সংবাদ

চলতি সপ্তাহে একনেকে অনুমোদন পেতে পারে ৪৪২ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র


সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক
প্রকাশ: ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৪৬ এএম

চলতি সপ্তাহে একনেকে অনুমোদন পেতে পারে ৪৪২ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র
ছবি : সংগৃহীত

আমদানিনির্ভর জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর চাপ কমাতে বাগেরহাটের রামপালে ৪৪২ মেগাওয়াটের একটি সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প হাতে নিতে যাচ্ছে সরকার। ২ হাজার ৫০২ কোটি ৪০ লাখ টাকা ব্যয়ের এই বৃহৎ প্রকল্পটি চলতি সপ্তাহের জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় অনুমোদন পেতে পারে।

বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) তথ্য অনুযায়ী, রামপালে বিদ্যমান ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াট কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের অব্যবহৃত জমিতে ধাপে ধাপে এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে। স্থানটি আগেই ভরাট ও সীমানা সুরক্ষা করা থাকায় এটি 'গ্রিনফিল্ড' বা নতুন স্থানে নির্মাণের চেয়ে বেশ সাশ্রয়ী হবে। প্রস্তাবিত এই কেন্দ্রে উৎপাদিত প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের সম্ভাব্য দর ধরা হয়েছে ৬ টাকা ১৮ পয়সা, যা ফেনীর সোনাগাজীতে বাস্তবায়নাধীন সৌরপ্রকল্পের (৮ টাকা ৮৭ পয়সা) চেয়ে প্রায় ৪৩ শতাংশ কম।

বিপিডিবির চেয়ারম্যান প্রকৌশলী রেজাউল করিম জানান, পরিকল্পনা কমিশন ও প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটির (পিইসি) সবুজ সংকেত মেলার পর প্রস্তাবটি একনেকে পাঠানো হয়েছে। সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৮ সাল থেকে প্রকল্পের কাজ শুরু হবে। বিপিডিবির সদস্য (উৎপাদন) মো. জহুরুল ইসলাম জানান, কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্রের অধিগ্রহণ করা ৯১৮ দশমিক ৫ একর জমিতে 'পাওয়ার ডেভেলপমেন্ট ফান্ড'-এর অর্থায়নে এটি নির্মিত হবে। নতুন সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্রটি বিআইএফপিসিএলের Substation-এর মাধ্যমে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে।

জ্বালানি বিশ্লেষক ও আইইইএফএর লিড অ্যানালিস্ট শফিকুল আলম বলেন, 'কয়লাভিত্তিক কেন্দ্রের উদ্বৃত্ত জমি সৌরবিদ্যুতে ব্যবহার দেশের পরিবর্তনশীল জ্বালানি অগ্রাধিকারের প্রতিফলন। এটি পরিচ্ছন্ন জ্বালানি খাত গড়তে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।' ২০৩০ সালের মধ্যে দেশের মোট বিদ্যুতের ২০ শতাংশ নবায়নযোগ্য উৎস থেকে পূরণের যে লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে, এই কেন্দ্রটি তা অর্জনে বড় অনুঘটক হবে বলে আশা করছে বিদ্যুৎ বিভাগ।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

রোববার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬


চলতি সপ্তাহে একনেকে অনুমোদন পেতে পারে ৪৪২ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র

প্রকাশের তারিখ : ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

আমদানিনির্ভর জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর চাপ কমাতে বাগেরহাটের রামপালে ৪৪২ মেগাওয়াটের একটি সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প হাতে নিতে যাচ্ছে সরকার। ২ হাজার ৫০২ কোটি ৪০ লাখ টাকা ব্যয়ের এই বৃহৎ প্রকল্পটি চলতি সপ্তাহের জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় অনুমোদন পেতে পারে।

বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) তথ্য অনুযায়ী, রামপালে বিদ্যমান ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াট কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের অব্যবহৃত জমিতে ধাপে ধাপে এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে। স্থানটি আগেই ভরাট ও সীমানা সুরক্ষা করা থাকায় এটি 'গ্রিনফিল্ড' বা নতুন স্থানে নির্মাণের চেয়ে বেশ সাশ্রয়ী হবে। প্রস্তাবিত এই কেন্দ্রে উৎপাদিত প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের সম্ভাব্য দর ধরা হয়েছে ৬ টাকা ১৮ পয়সা, যা ফেনীর সোনাগাজীতে বাস্তবায়নাধীন সৌরপ্রকল্পের (৮ টাকা ৮৭ পয়সা) চেয়ে প্রায় ৪৩ শতাংশ কম।

বিপিডিবির চেয়ারম্যান প্রকৌশলী রেজাউল করিম জানান, পরিকল্পনা কমিশন ও প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটির (পিইসি) সবুজ সংকেত মেলার পর প্রস্তাবটি একনেকে পাঠানো হয়েছে। সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৮ সাল থেকে প্রকল্পের কাজ শুরু হবে। বিপিডিবির সদস্য (উৎপাদন) মো. জহুরুল ইসলাম জানান, কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্রের অধিগ্রহণ করা ৯১৮ দশমিক ৫ একর জমিতে 'পাওয়ার ডেভেলপমেন্ট ফান্ড'-এর অর্থায়নে এটি নির্মিত হবে। নতুন সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্রটি বিআইএফপিসিএলের Substation-এর মাধ্যমে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে।

জ্বালানি বিশ্লেষক ও আইইইএফএর লিড অ্যানালিস্ট শফিকুল আলম বলেন, 'কয়লাভিত্তিক কেন্দ্রের উদ্বৃত্ত জমি সৌরবিদ্যুতে ব্যবহার দেশের পরিবর্তনশীল জ্বালানি অগ্রাধিকারের প্রতিফলন। এটি পরিচ্ছন্ন জ্বালানি খাত গড়তে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।' ২০৩০ সালের মধ্যে দেশের মোট বিদ্যুতের ২০ শতাংশ নবায়নযোগ্য উৎস থেকে পূরণের যে লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে, এই কেন্দ্রটি তা অর্জনে বড় অনুঘটক হবে বলে আশা করছে বিদ্যুৎ বিভাগ।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত