কক্সবাজারের রামুতে দীর্ঘ ১৪ বছর ধরে পলাতক থাকা বহুল আলোচিত মাইনুদ্দীন রাসেল হত্যা মামলার পরোয়ানাভুক্ত আসামি মো. শাহজাহানকে (৩১) গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-১৫)।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) রাতে রামুর চেইন্দা বাজার এলাকায় ঝটিকা অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত শাহজাহান দক্ষিণ মিঠাছড়ি ইউনিয়নের চরপাড়া গ্রামের মুরত আলমের ছেলে।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে র্যাব-১৫-এর সহকারী পরিচালক (ল অ্যান্ড মিডিয়া) সহকারী পুলিশ সুপার আ. ম. ফারুক স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
মামলার বিবরণ থেকে জানা গেছে, ২০১২ সালের ৬ জানুয়ারি কক্সবাজার সদর উপজেলার ঝিলংজা ইউনিয়নের মুহুরী পাড়ার বাসিন্দা মাইনুদ্দীন রাসেলকে লিংক রোড এলাকা থেকে অপহরণ করে দুর্বৃত্তরা। ওই দিনই সন্ধ্যায় রামু উপজেলার দক্ষিণ মিঠাছড়ির চর এলাকা থেকে তার ক্ষতবিক্ষত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ওই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় রামু থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।
র্যাব জানায়, ঘটনার পর থেকেই আসামি শাহজাহান ছদ্মবেশ ধারণ করে আত্মগোপনে ছিলেন। আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করার পর তাকে আইনের আওতায় আনতে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করে র্যাব-১৫। এর ধারাবাহিকতায় গোপন তথ্যের ভিত্তিতে চেইন্দা বাজার এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে আসামিকে রামু থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

রোববার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কক্সবাজারের রামুতে দীর্ঘ ১৪ বছর ধরে পলাতক থাকা বহুল আলোচিত মাইনুদ্দীন রাসেল হত্যা মামলার পরোয়ানাভুক্ত আসামি মো. শাহজাহানকে (৩১) গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-১৫)।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) রাতে রামুর চেইন্দা বাজার এলাকায় ঝটিকা অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত শাহজাহান দক্ষিণ মিঠাছড়ি ইউনিয়নের চরপাড়া গ্রামের মুরত আলমের ছেলে।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে র্যাব-১৫-এর সহকারী পরিচালক (ল অ্যান্ড মিডিয়া) সহকারী পুলিশ সুপার আ. ম. ফারুক স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
মামলার বিবরণ থেকে জানা গেছে, ২০১২ সালের ৬ জানুয়ারি কক্সবাজার সদর উপজেলার ঝিলংজা ইউনিয়নের মুহুরী পাড়ার বাসিন্দা মাইনুদ্দীন রাসেলকে লিংক রোড এলাকা থেকে অপহরণ করে দুর্বৃত্তরা। ওই দিনই সন্ধ্যায় রামু উপজেলার দক্ষিণ মিঠাছড়ির চর এলাকা থেকে তার ক্ষতবিক্ষত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ওই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় রামু থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।
র্যাব জানায়, ঘটনার পর থেকেই আসামি শাহজাহান ছদ্মবেশ ধারণ করে আত্মগোপনে ছিলেন। আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করার পর তাকে আইনের আওতায় আনতে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করে র্যাব-১৫। এর ধারাবাহিকতায় গোপন তথ্যের ভিত্তিতে চেইন্দা বাজার এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে আসামিকে রামু থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন