নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় এক মাংস ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে মরা গরুর মাংস এনে বাজারে বিক্রির অভিযোগ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওকে কেন্দ্র করে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছেন স্থানীয় মাংস ব্যবসায়ী মো. আরাধন মিয়া। তবে সব ধরনের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তিনি।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কেন্দুয়া উপজেলার নওপাড়া ইউনিয়নের দুর্গাপুর মোড় বাজারের মাংস ব্যবসায়ী আরাধন মিয়ার একটি ভিডিও ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। অভিযোগ ওঠে, তিনি পার্শ্ববর্তী ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলা এলাকা থেকে মরা গরুর মাংস কিনে এনে নিজ দোকানে বিক্রি করেছেন।
তবে সাংবাদিকদের কাছে দেওয়া এক লিখিত বক্তব্যে ব্যবসায়ী আরাধন মিয়া দাবি করেন, গত ৮ সেপ্টেম্বর গৌরীপুরে গরু কেনার বিষয়ে আলোচনা হলেও সেটি জীবিত ছিল এবং তিনি নিজে সেখানে যাননি। তিনি জানান, মাংস কেন্দুয়ায় পৌঁছানোর পর অসঙ্গতির খবর পেয়ে এক ছটাক মাংসও বিক্রি না করে মাটির নিচে আমানত হিসেবে পুঁতে রাখেন।
ঘটনা জানাজানি হলে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার নির্দেশে অফিস সহকারী কামরুল ইসলাম ঘটনাস্থলে গিয়ে মাটিতে পুঁতে রাখা গরুর মাংসের সত্যতা পান। তবে মাংসটি সত্যিই মরা গরুর ছিল কি না এবং এর কিছু অংশ বাজারে বিক্রি হয়েছে কি না - তা নিয়ে প্রশাসনিক কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিবেদন মেলেনি।
জনস্বাস্থ্যের বিষয়টি বিবেচনা করে দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

রোববার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় এক মাংস ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে মরা গরুর মাংস এনে বাজারে বিক্রির অভিযোগ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওকে কেন্দ্র করে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছেন স্থানীয় মাংস ব্যবসায়ী মো. আরাধন মিয়া। তবে সব ধরনের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তিনি।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কেন্দুয়া উপজেলার নওপাড়া ইউনিয়নের দুর্গাপুর মোড় বাজারের মাংস ব্যবসায়ী আরাধন মিয়ার একটি ভিডিও ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। অভিযোগ ওঠে, তিনি পার্শ্ববর্তী ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলা এলাকা থেকে মরা গরুর মাংস কিনে এনে নিজ দোকানে বিক্রি করেছেন।
তবে সাংবাদিকদের কাছে দেওয়া এক লিখিত বক্তব্যে ব্যবসায়ী আরাধন মিয়া দাবি করেন, গত ৮ সেপ্টেম্বর গৌরীপুরে গরু কেনার বিষয়ে আলোচনা হলেও সেটি জীবিত ছিল এবং তিনি নিজে সেখানে যাননি। তিনি জানান, মাংস কেন্দুয়ায় পৌঁছানোর পর অসঙ্গতির খবর পেয়ে এক ছটাক মাংসও বিক্রি না করে মাটির নিচে আমানত হিসেবে পুঁতে রাখেন।
ঘটনা জানাজানি হলে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার নির্দেশে অফিস সহকারী কামরুল ইসলাম ঘটনাস্থলে গিয়ে মাটিতে পুঁতে রাখা গরুর মাংসের সত্যতা পান। তবে মাংসটি সত্যিই মরা গরুর ছিল কি না এবং এর কিছু অংশ বাজারে বিক্রি হয়েছে কি না - তা নিয়ে প্রশাসনিক কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিবেদন মেলেনি।
জনস্বাস্থ্যের বিষয়টি বিবেচনা করে দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

আপনার মতামত লিখুন