বগুড়ার শেরপুরে শিশু রাজু হোসেনকে (১১) নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় দ্রুত রহস্য উদ্ঘাটন, দুই আসামিকে গ্রেপ্তার, আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ড ও লুণ্ঠিত ইজিবাইক উদ্ধারের স্বীকৃতি হিসেবে শেরপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) জয়নুল আবেদীনকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) তাকে এই অর্থ পুরস্কার প্রদান করেন রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মো. আশিক সাঈদ।
ঘটনার বিবরণে জানা যায়, ৪ আগস্ট মঙ্গলবার দুপুরে ব্যাটারিচালিত ইজিবাইকসহ নিখোঁজ হয় শিশু রাজু। সে শেরপুর উপজেলার সীমাবাড়ী ইউনিয়নের রোরোয়া গ্রামের আলম মিয়ার ছেলে। নিখোঁজের পর তার বাবা শেরপুর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগের ভিত্তিতে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ২২ ঘণ্টার অভিযান চালিয়ে সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ এলাকা থেকে প্রতিবেশী মোস্তাকিম নামের এক যুবককে আটক করে পুলিশ। পরে মোস্তাকিমের দেওয়া তথ্যে শেরপুরের মির্জাপুর রানীরহাট মোড়ের ভাঙারি ও চোরাই ইজিবাইক ব্যবসায়ী করিমকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং উদ্ধার করা হয় ছিনতাই হওয়া ইজিবাইকটি।
গ্রেপ্তারকৃতরা জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করে, মোস্তাকিম রাজুকে ভুল বুঝিয়ে ইজিবাইকসহ মির্জাপুরে নিয়ে করিমের কাছে বিক্রি করে দেয়। এরপর চোরাই ইজিবাইক ক্রেতা করিম পরামর্শ দেয়, রাজু বিষয়টি সবাইকে বলে দিলে দুজনই বিপদে পড়বে। চুরির ঘটনা গোপন রাখতে ও কোনো সাক্ষী না রাখতে দুজন মিলে রাজুকে নৃশংসভাবে হত্যা করে। পরবর্তীতে তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার গাভরগাড়ী এলাকার ধানখেত থেকে ৬ আগস্ট বিকেলে শিশুটির লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
দ্রুততম সময়ের মধ্যে মামলার রহস্য উন্মোচন, আসামি গ্রেপ্তার ও মালামাল উদ্ধার করায় শেরপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) জয়নুল আবেদীনকে এই বিশেষ পুরস্কার দেওয়া হয়।

মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বগুড়ার শেরপুরে শিশু রাজু হোসেনকে (১১) নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় দ্রুত রহস্য উদ্ঘাটন, দুই আসামিকে গ্রেপ্তার, আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ড ও লুণ্ঠিত ইজিবাইক উদ্ধারের স্বীকৃতি হিসেবে শেরপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) জয়নুল আবেদীনকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) তাকে এই অর্থ পুরস্কার প্রদান করেন রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মো. আশিক সাঈদ।
ঘটনার বিবরণে জানা যায়, ৪ আগস্ট মঙ্গলবার দুপুরে ব্যাটারিচালিত ইজিবাইকসহ নিখোঁজ হয় শিশু রাজু। সে শেরপুর উপজেলার সীমাবাড়ী ইউনিয়নের রোরোয়া গ্রামের আলম মিয়ার ছেলে। নিখোঁজের পর তার বাবা শেরপুর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগের ভিত্তিতে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ২২ ঘণ্টার অভিযান চালিয়ে সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ এলাকা থেকে প্রতিবেশী মোস্তাকিম নামের এক যুবককে আটক করে পুলিশ। পরে মোস্তাকিমের দেওয়া তথ্যে শেরপুরের মির্জাপুর রানীরহাট মোড়ের ভাঙারি ও চোরাই ইজিবাইক ব্যবসায়ী করিমকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং উদ্ধার করা হয় ছিনতাই হওয়া ইজিবাইকটি।
গ্রেপ্তারকৃতরা জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করে, মোস্তাকিম রাজুকে ভুল বুঝিয়ে ইজিবাইকসহ মির্জাপুরে নিয়ে করিমের কাছে বিক্রি করে দেয়। এরপর চোরাই ইজিবাইক ক্রেতা করিম পরামর্শ দেয়, রাজু বিষয়টি সবাইকে বলে দিলে দুজনই বিপদে পড়বে। চুরির ঘটনা গোপন রাখতে ও কোনো সাক্ষী না রাখতে দুজন মিলে রাজুকে নৃশংসভাবে হত্যা করে। পরবর্তীতে তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার গাভরগাড়ী এলাকার ধানখেত থেকে ৬ আগস্ট বিকেলে শিশুটির লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
দ্রুততম সময়ের মধ্যে মামলার রহস্য উন্মোচন, আসামি গ্রেপ্তার ও মালামাল উদ্ধার করায় শেরপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) জয়নুল আবেদীনকে এই বিশেষ পুরস্কার দেওয়া হয়।

আপনার মতামত লিখুন