মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার সিংজুরী ইউনিয়নে কালীগঙ্গা নদী থেকে অবৈধভাবে মাটি ও বালু তোলায় বাধা দেওয়ায় রক্তক্ষয়ী সংঘাত ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। ভাঙন থেকে বসতভিটা ও ফসলি জমি রক্ষার দাবি জানান স্থানীয় বাসিন্দারা। আর তখনই ড্রেজার-ভলগেট নিয়ে আসা চক্রটি তাদের ওপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে নারী-পুরুষসহ অন্তত আটজন আহত হয়েছেন।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুর আনুমানিক ২টার দিকে সিংজুরী ইউনিয়নের পূর্ব কোশুন্ডা সড়কঘাটা (আশাপুর) এলাকা সংলগ্ন কালীগঙ্গা নদীর তীরে এ ঘটনা ঘটে।
সংঘর্ষে স্থানীয়দের পক্ষে আহত আব্দুল মান্নান, কাশেম, নান্নু, আবদুল্লাহ, জাহিদ, পলাশ ও রফিকসহ অন্যদের মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, আহত ব্যক্তিদের মধ্যে কারও অবস্থা আশঙ্কাজনক নয়।
স্থানীয় বাসিন্দা ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দুপুরে একাধিক ড্রেজার, ট্রলার ও ভলগেট নিয়ে নদীঘাটে মাটি ও বালু কাটতে আসে ২০-২৫ জনের একটি দল। এতে বসতভিটা ও ফসলি জমি নদীভাঙনের কবলে পড়ার আশঙ্কায় প্রতিবাদ জানান এলাকার বাসিন্দারা। এ নিয়ে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে ড্রেজার নিয়ে আসা চক্রটি লাঠিসোটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে স্থানীয়দের ওপর চড়াও হলে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ বেঁধে যায়।
ঘটনার পর থেকে এলাকায় চরম আতঙ্ক ও উত্তেজনা বিরাজ করছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারি রয়েছে। তবে নদীভাঙন ঠেকাতে ড্রেজিং পুরোপুরি বন্ধ এবং হামলায় জড়িত ব্যক্তিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী।
এ বিষয়ে ঘিওর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর মাহবুবুর রহমান জানান, খবর পেয়েই দ্রুত পুলিশ পাঠিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার সিংজুরী ইউনিয়নে কালীগঙ্গা নদী থেকে অবৈধভাবে মাটি ও বালু তোলায় বাধা দেওয়ায় রক্তক্ষয়ী সংঘাত ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। ভাঙন থেকে বসতভিটা ও ফসলি জমি রক্ষার দাবি জানান স্থানীয় বাসিন্দারা। আর তখনই ড্রেজার-ভলগেট নিয়ে আসা চক্রটি তাদের ওপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে নারী-পুরুষসহ অন্তত আটজন আহত হয়েছেন।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুর আনুমানিক ২টার দিকে সিংজুরী ইউনিয়নের পূর্ব কোশুন্ডা সড়কঘাটা (আশাপুর) এলাকা সংলগ্ন কালীগঙ্গা নদীর তীরে এ ঘটনা ঘটে।
সংঘর্ষে স্থানীয়দের পক্ষে আহত আব্দুল মান্নান, কাশেম, নান্নু, আবদুল্লাহ, জাহিদ, পলাশ ও রফিকসহ অন্যদের মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, আহত ব্যক্তিদের মধ্যে কারও অবস্থা আশঙ্কাজনক নয়।
স্থানীয় বাসিন্দা ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দুপুরে একাধিক ড্রেজার, ট্রলার ও ভলগেট নিয়ে নদীঘাটে মাটি ও বালু কাটতে আসে ২০-২৫ জনের একটি দল। এতে বসতভিটা ও ফসলি জমি নদীভাঙনের কবলে পড়ার আশঙ্কায় প্রতিবাদ জানান এলাকার বাসিন্দারা। এ নিয়ে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে ড্রেজার নিয়ে আসা চক্রটি লাঠিসোটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে স্থানীয়দের ওপর চড়াও হলে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ বেঁধে যায়।
ঘটনার পর থেকে এলাকায় চরম আতঙ্ক ও উত্তেজনা বিরাজ করছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারি রয়েছে। তবে নদীভাঙন ঠেকাতে ড্রেজিং পুরোপুরি বন্ধ এবং হামলায় জড়িত ব্যক্তিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী।
এ বিষয়ে ঘিওর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর মাহবুবুর রহমান জানান, খবর পেয়েই দ্রুত পুলিশ পাঠিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন