চট্টগ্রামে সাগরে ইলিশ আহরণে ডিজেলের বাড়তি দর বড় বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে। সাগরে কাঙ্ক্ষিত মাছ না পাওয়া এবং অন্যদিকে জ্বালানি খরচ বেড়ে যাওয়ার সরাসরি প্রভাব পড়েছে বাজারে। ফলে ভরা মৌসুমেও চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে ইলিশ।
জেলা মৎস্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রামে নিবন্ধিত ৫ হাজার ৬৭৬টি মাছ ধরার ট্রলার রয়েছে। চলতি বছর এপ্রিলে লিটারপ্রতি ডিজেলের দাম ১০ টাকা বেড়ে ১১৫ টাকা হওয়ায় ট্রলারগুলোর পরিচালনা ব্যয় কয়েক গুণ বেড়েছে। জেলা মৎস্য কর্মকর্তা সালমা বেগম জানান, সাগরে বেশি সময় অবস্থান করলে জ্বালানি ব্যবহার বাড়ে, যা আহরণ খরচের পাশাপাশি সরাসরি বাজারদরে প্রভাব ফেলে।
বর্তমানে আনোয়ারা ও নগরের বিভিন্ন ঘাটে আকারভেদে মাঝারি ও বড় আকারের ইলিশ চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে। সাগরে দীর্ঘ সময় অবস্থান করেও কাঙ্ক্ষিত ইলিশ না পেয়ে অনেক ট্রলারকে খালি হাতে ফিরতে হচ্ছে। চলতি মৌসুমে চট্টগ্রামে ১৭ হাজার মেট্রিক টন ইলিশ আহরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হলেও বাড়তি জ্বালানি খরচ ও প্রতিকূল আবহাওয়া লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
চট্টগ্রামে সাগরে ইলিশ আহরণে ডিজেলের বাড়তি দর বড় বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে। সাগরে কাঙ্ক্ষিত মাছ না পাওয়া এবং অন্যদিকে জ্বালানি খরচ বেড়ে যাওয়ার সরাসরি প্রভাব পড়েছে বাজারে। ফলে ভরা মৌসুমেও চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে ইলিশ।
জেলা মৎস্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রামে নিবন্ধিত ৫ হাজার ৬৭৬টি মাছ ধরার ট্রলার রয়েছে। চলতি বছর এপ্রিলে লিটারপ্রতি ডিজেলের দাম ১০ টাকা বেড়ে ১১৫ টাকা হওয়ায় ট্রলারগুলোর পরিচালনা ব্যয় কয়েক গুণ বেড়েছে। জেলা মৎস্য কর্মকর্তা সালমা বেগম জানান, সাগরে বেশি সময় অবস্থান করলে জ্বালানি ব্যবহার বাড়ে, যা আহরণ খরচের পাশাপাশি সরাসরি বাজারদরে প্রভাব ফেলে।
বর্তমানে আনোয়ারা ও নগরের বিভিন্ন ঘাটে আকারভেদে মাঝারি ও বড় আকারের ইলিশ চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে। সাগরে দীর্ঘ সময় অবস্থান করেও কাঙ্ক্ষিত ইলিশ না পেয়ে অনেক ট্রলারকে খালি হাতে ফিরতে হচ্ছে। চলতি মৌসুমে চট্টগ্রামে ১৭ হাজার মেট্রিক টন ইলিশ আহরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হলেও বাড়তি জ্বালানি খরচ ও প্রতিকূল আবহাওয়া লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন