সংবাদ

স্মরণ

হেমন্ত মুখোপাধ্যায়: বাংলাদেশে তাঁর শেষ সাক্ষাৎকার


হোসেন আবদুল মান্নান
হোসেন আবদুল মান্নান
প্রকাশ: ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:১১ এএম

হেমন্ত মুখোপাধ্যায়: বাংলাদেশে তাঁর শেষ সাক্ষাৎকার
শিল্পী হেমন্ত মুখোপাধ্যায়


১৯৮৯ সালের সেপ্টেম্বর মাস। বাংলা গানের হিরণ¥য় কণ্ঠশিল্পী ও সুরের কিংবদন্তি হেমন্ত মুখোপাধ্যায় ঢাকায় এসেছিলেন। ৬ সেপ্টেম্বর থেকে ১৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তিনি ঢাকায় ছিলেন।

তাঁর সফরসঙ্গী ছিলেন স্ত্রী বেলা মুখোপাধ্যায়, কন্যা রানু মুখোপাধ্যায় ও জামাতা গৌতম মুখোপাধ্যায়। হেমন্ত মুখোপাধ্যায় প্রথমবার বাংলাদেশে আসেন স্বাধীনতার অব্যবহিত পরে ১৯৭২ সালে। ১৭ বছর পরে দ্বিতীয়বার এসেছিলেন তিনি। এবং এটাই ছিল এদেশে তাঁর শেষ আগমন। সে সফরকালে বাংলাদেশ টেলিভিশন তাঁর একটি সাক্ষাৎকার গ্রহণ করেছিল। সে বছর বিটিভির ২৫ বছর পূর্তি বা রজতজয়ন্তীতে তাঁর একটা শুভেচ্ছা বাণী ছিল। বলেছিলেন, ‘একদিন আধুনিক যন্ত্রপাতি আসবে, ভবিষ্যতে সেরা প্রচার মাধ্যম হিসেবে বিটিভি পরিচিতি পাবে’।

হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের বিখ্যাত সে সাক্ষাৎকার নিয়েছিলেন এদেশের আরেক প্রতিভাবান কবি, গীতিকার, উপস্থাপক ও অধ্যাপক ড. আবু হেনা মোস্তফা কামাল। অনুষ্ঠানের নাম করা হয়েছিল ‘স্বরলিপি লেখা রবে’ । বলাবাহুল্য , এ সাক্ষাৎকার অনুষ্ঠানটি সরাসরি সম্প্রচারকালে মুহসীন হলের টিভি রুমে উপস্থিত ছিলাম। এবং ড. আবু হেনা মোস্তফা কামাল কিছুদিন আগেও এ হলের প্রভোস্ট ছিলেন। গোটা সাক্ষাৎকারে তিনি হেমন্ত মুখোপাধ্যায়কে হেমন্ত মুখার্জী বলে সম্বোধন করেছিলেন। অনুষ্ঠানে হেমন্ত মুখোপাধ্যায় মোট চারটি গান গেয়েছিলেন, ১. নীল আকাশের নিচে এই পৃথিবী, ২. সুরের আকাশে তুমি ওগো শুকতারা, ৩. মনে কি দ্বিধা রেখে গেলে, ৪. আমার গানের স্বরলিপি লেখা রবে। প্রশ্ন করা হয়েছিল, তাঁর প্রিয় গানের কথা বলতে, বলেছিলেন মাত্র দুটো গানের কথা— ১. মুছে যাওয়া দিনগুলি আমায় যে পিছু ডাকে, ২. সুরের আকাশে তুমি যে গো শুকতারা।

অসাধারণ সেই মজলিশি  আলাপে তাঁর গানে আসার পটভূমি উল্লেখ করে বলেন, ইঞ্জিনিয়ারিং পড়তেন, মাঝেমধ্যে শখের বশে গানবাজনা করতেন তখন প্রিয় বন্ধু বিখ্যাত কবি সুভাষ মুখোপাধ্যায়ের ইচ্ছায় আনুষ্ঠানিকভাবে গানের জগতে পদার্পণ হয়। বলেন, কবি সুভাষই তাঁর সংগীত জীবনের পথের সাথী। সেদিন উপস্থাপক নান্দনিক শব্দমালা দিয়ে বলেছিলেন, হেমন্ত মুখার্জী আপনার গলার সবচেয়ে বড় ঐশ্বর্য হলো, পৌরুষ, কমনীয়তা ও মাধুর্য। তিনি বললেন, ১৯৩৫ সাল থেকে রেডিওতে গান করেন। ১৯৪৫ সালে মিউজিক ডিরেক্টর হন। তিনি আরও বলেন, প্রথম রবীন্দ্রনাথের গান রেকর্ড করি ‘কেন পান্থ এ চঞ্চলতা’ এবং ‘আমার আর হবে না দেরি’। সেদিন এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেছিলেন, তাঁর প্রিয় শিল্পী লতা মুঙ্গেশকর আর প্রিয় গীতিকার গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার। উপস্থাপক আবু হেনা মোস্তফা কামাল আরও একটা প্রশ্ন করেছিলেন, বাংলাদেশের কোনো শিল্পীর গান তিনি শুনেছেন কিনা। তাঁর উত্তর ছিল, না। এতে অবশ্য তাৎক্ষণিক কিছু শ্রোতা নাখোশ হয়েছিল। সেদিন হেমন্ত মুখোপাধ্যায় বলেছিলেন, গায়ক জীবনের ৫০ বছর পূর্তি দেখা তাঁর কাছে বড় সৌভাগ্যের বিষয়। প্রশ্নোত্তরের মাঝে তিনি খানিকটা স্বতঃস্ফূর্ততায় বললেন, “আমার কণ্ঠের সবচেয়ে সার্থক ব্যবহার যিনি করেছেন, তিনি উত্তম কুমার। আমার গলার সাথে তাঁর কোনো পার্থক্য ছিল না। ‘হারানো সুর’ সিনেমায় রমা রমা ডাক আমার কণ্ঠই ছিল।”

সেবার বাংলাদেশে আসার পরে হেমন্ত মুখোপাধ্যায় বেশ কিছু তিক্ত ও অপ্রীতিকর অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছিলেন। আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন ‘রেঁনেসা সাংস্কৃতিক পরিষদ’ নামের একটি সংগঠন । তিনি এসেছিলেন মাইকেল মধুসূদন পুরস্কার ’৮৯ গ্রহণ করার জন্য। উদ্যোক্তার নাম ছিল জনৈক আজাদ যশোরী। তাঁর অপকর্ম ও অপ্রত্যাশিত আচরণের কারণে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছিল।

কলকাতায় ফেরার মাত্র ১২ দিনের মাথায় তাঁর জীবনাবসান হয়। ২৬ সেপ্টেম্বর ১৯৮৯ সালে ৬৯ বছর বয়সে তিনি অনন্তলোকে পাড়ি জমান। উল্লেখ্য যে, ২৩ সেপ্টেম্বর মৃত্যুবরণ করেন সে অনুষ্ঠানের উপস্থাপক ড. আবু হেনা মোস্তফা কামাল। তাঁর বয়স হয়েছিল মাত্র ৫৩ বছর। তখন তিনি বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক ছিলেন। এর আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা সাহিত্যের অধ্যাপক ছিলেন। আশ্চর্যের বিষয় হলো, অনুষ্ঠানে তাঁরা উভয়েই উভয়কে বলেছিলেন, এটাই মনে হয় তাঁদের মধ্যে শেষ সাক্ষাৎকার। আরও উল্লেখ করা যায় যে, অনুষ্ঠানটি ২৫ ডিসেম্বর বিটিভির রজতজয়ন্তীতে প্রচারের কথা ছিল। পরে আকস্মিকভাবে ১৮ সেপ্টেম্বর প্রচারের সিদ্ধান্ত হয়। যার ফলশ্রুতিতে বরেণ্য উপস্থাপক ড. আবু হেনা মোস্তফা কামাল নিজেও দেখে যেতে পারেন। সেসময় উপমহাদেশের প্রখ্যাত কণ্ঠশিল্পী ও অনন্য সুরস্রষ্টা হেমন্ত মুখোপাধ্যায় এবং অধ্যাপক আবু হেনা মোস্তফা কামালের অকাল প্রয়াণ দুই বাংলার বাঙালির মননে অপরিমেয় বেদনা ও শোকের ছায়া ফেলেছিল।

হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের মৃত্যুর পরে ‘দেশ’ পত্রিকা তাঁকে নিয়ে একটি সংখ্যা প্রকাশ করেছিল। তারা লিখেছে— ‘শরতেই বাঙালির চোখে হেমন্তের অশ্রুশিশির। প্রায় অর্ধশতাব্দী বঙ্গের সুরের আকাশ ভরে রেখেছিল যার কিন্নরকণ্ঠ, সেই হেমন্ত মুখোপাধ্যায় চলে গেলেন। অবসান হলো সংগীত জগতের এক স্বর্ণযুগের— হেমন্তযুগের। কিন্তু অবিচ্ছিন্ন পাঁচটি দশক যাঁর গানের হাওয়ায় প্রাণের নিঃশ্বাস নিয়েছে আপামর বাঙালি, তাঁর ‘শেষ নিঃশ্বাস’ নেই। 

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬


হেমন্ত মুখোপাধ্যায়: বাংলাদেশে তাঁর শেষ সাক্ষাৎকার

প্রকাশের তারিখ : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image


১৯৮৯ সালের সেপ্টেম্বর মাস। বাংলা গানের হিরণ¥য় কণ্ঠশিল্পী ও সুরের কিংবদন্তি হেমন্ত মুখোপাধ্যায় ঢাকায় এসেছিলেন। ৬ সেপ্টেম্বর থেকে ১৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তিনি ঢাকায় ছিলেন।

তাঁর সফরসঙ্গী ছিলেন স্ত্রী বেলা মুখোপাধ্যায়, কন্যা রানু মুখোপাধ্যায় ও জামাতা গৌতম মুখোপাধ্যায়। হেমন্ত মুখোপাধ্যায় প্রথমবার বাংলাদেশে আসেন স্বাধীনতার অব্যবহিত পরে ১৯৭২ সালে। ১৭ বছর পরে দ্বিতীয়বার এসেছিলেন তিনি। এবং এটাই ছিল এদেশে তাঁর শেষ আগমন। সে সফরকালে বাংলাদেশ টেলিভিশন তাঁর একটি সাক্ষাৎকার গ্রহণ করেছিল। সে বছর বিটিভির ২৫ বছর পূর্তি বা রজতজয়ন্তীতে তাঁর একটা শুভেচ্ছা বাণী ছিল। বলেছিলেন, ‘একদিন আধুনিক যন্ত্রপাতি আসবে, ভবিষ্যতে সেরা প্রচার মাধ্যম হিসেবে বিটিভি পরিচিতি পাবে’।

হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের বিখ্যাত সে সাক্ষাৎকার নিয়েছিলেন এদেশের আরেক প্রতিভাবান কবি, গীতিকার, উপস্থাপক ও অধ্যাপক ড. আবু হেনা মোস্তফা কামাল। অনুষ্ঠানের নাম করা হয়েছিল ‘স্বরলিপি লেখা রবে’ । বলাবাহুল্য , এ সাক্ষাৎকার অনুষ্ঠানটি সরাসরি সম্প্রচারকালে মুহসীন হলের টিভি রুমে উপস্থিত ছিলাম। এবং ড. আবু হেনা মোস্তফা কামাল কিছুদিন আগেও এ হলের প্রভোস্ট ছিলেন। গোটা সাক্ষাৎকারে তিনি হেমন্ত মুখোপাধ্যায়কে হেমন্ত মুখার্জী বলে সম্বোধন করেছিলেন। অনুষ্ঠানে হেমন্ত মুখোপাধ্যায় মোট চারটি গান গেয়েছিলেন, ১. নীল আকাশের নিচে এই পৃথিবী, ২. সুরের আকাশে তুমি ওগো শুকতারা, ৩. মনে কি দ্বিধা রেখে গেলে, ৪. আমার গানের স্বরলিপি লেখা রবে। প্রশ্ন করা হয়েছিল, তাঁর প্রিয় গানের কথা বলতে, বলেছিলেন মাত্র দুটো গানের কথা— ১. মুছে যাওয়া দিনগুলি আমায় যে পিছু ডাকে, ২. সুরের আকাশে তুমি যে গো শুকতারা।

অসাধারণ সেই মজলিশি  আলাপে তাঁর গানে আসার পটভূমি উল্লেখ করে বলেন, ইঞ্জিনিয়ারিং পড়তেন, মাঝেমধ্যে শখের বশে গানবাজনা করতেন তখন প্রিয় বন্ধু বিখ্যাত কবি সুভাষ মুখোপাধ্যায়ের ইচ্ছায় আনুষ্ঠানিকভাবে গানের জগতে পদার্পণ হয়। বলেন, কবি সুভাষই তাঁর সংগীত জীবনের পথের সাথী। সেদিন উপস্থাপক নান্দনিক শব্দমালা দিয়ে বলেছিলেন, হেমন্ত মুখার্জী আপনার গলার সবচেয়ে বড় ঐশ্বর্য হলো, পৌরুষ, কমনীয়তা ও মাধুর্য। তিনি বললেন, ১৯৩৫ সাল থেকে রেডিওতে গান করেন। ১৯৪৫ সালে মিউজিক ডিরেক্টর হন। তিনি আরও বলেন, প্রথম রবীন্দ্রনাথের গান রেকর্ড করি ‘কেন পান্থ এ চঞ্চলতা’ এবং ‘আমার আর হবে না দেরি’। সেদিন এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেছিলেন, তাঁর প্রিয় শিল্পী লতা মুঙ্গেশকর আর প্রিয় গীতিকার গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার। উপস্থাপক আবু হেনা মোস্তফা কামাল আরও একটা প্রশ্ন করেছিলেন, বাংলাদেশের কোনো শিল্পীর গান তিনি শুনেছেন কিনা। তাঁর উত্তর ছিল, না। এতে অবশ্য তাৎক্ষণিক কিছু শ্রোতা নাখোশ হয়েছিল। সেদিন হেমন্ত মুখোপাধ্যায় বলেছিলেন, গায়ক জীবনের ৫০ বছর পূর্তি দেখা তাঁর কাছে বড় সৌভাগ্যের বিষয়। প্রশ্নোত্তরের মাঝে তিনি খানিকটা স্বতঃস্ফূর্ততায় বললেন, “আমার কণ্ঠের সবচেয়ে সার্থক ব্যবহার যিনি করেছেন, তিনি উত্তম কুমার। আমার গলার সাথে তাঁর কোনো পার্থক্য ছিল না। ‘হারানো সুর’ সিনেমায় রমা রমা ডাক আমার কণ্ঠই ছিল।”

সেবার বাংলাদেশে আসার পরে হেমন্ত মুখোপাধ্যায় বেশ কিছু তিক্ত ও অপ্রীতিকর অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছিলেন। আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন ‘রেঁনেসা সাংস্কৃতিক পরিষদ’ নামের একটি সংগঠন । তিনি এসেছিলেন মাইকেল মধুসূদন পুরস্কার ’৮৯ গ্রহণ করার জন্য। উদ্যোক্তার নাম ছিল জনৈক আজাদ যশোরী। তাঁর অপকর্ম ও অপ্রত্যাশিত আচরণের কারণে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছিল।

কলকাতায় ফেরার মাত্র ১২ দিনের মাথায় তাঁর জীবনাবসান হয়। ২৬ সেপ্টেম্বর ১৯৮৯ সালে ৬৯ বছর বয়সে তিনি অনন্তলোকে পাড়ি জমান। উল্লেখ্য যে, ২৩ সেপ্টেম্বর মৃত্যুবরণ করেন সে অনুষ্ঠানের উপস্থাপক ড. আবু হেনা মোস্তফা কামাল। তাঁর বয়স হয়েছিল মাত্র ৫৩ বছর। তখন তিনি বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক ছিলেন। এর আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা সাহিত্যের অধ্যাপক ছিলেন। আশ্চর্যের বিষয় হলো, অনুষ্ঠানে তাঁরা উভয়েই উভয়কে বলেছিলেন, এটাই মনে হয় তাঁদের মধ্যে শেষ সাক্ষাৎকার। আরও উল্লেখ করা যায় যে, অনুষ্ঠানটি ২৫ ডিসেম্বর বিটিভির রজতজয়ন্তীতে প্রচারের কথা ছিল। পরে আকস্মিকভাবে ১৮ সেপ্টেম্বর প্রচারের সিদ্ধান্ত হয়। যার ফলশ্রুতিতে বরেণ্য উপস্থাপক ড. আবু হেনা মোস্তফা কামাল নিজেও দেখে যেতে পারেন। সেসময় উপমহাদেশের প্রখ্যাত কণ্ঠশিল্পী ও অনন্য সুরস্রষ্টা হেমন্ত মুখোপাধ্যায় এবং অধ্যাপক আবু হেনা মোস্তফা কামালের অকাল প্রয়াণ দুই বাংলার বাঙালির মননে অপরিমেয় বেদনা ও শোকের ছায়া ফেলেছিল।

হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের মৃত্যুর পরে ‘দেশ’ পত্রিকা তাঁকে নিয়ে একটি সংখ্যা প্রকাশ করেছিল। তারা লিখেছে— ‘শরতেই বাঙালির চোখে হেমন্তের অশ্রুশিশির। প্রায় অর্ধশতাব্দী বঙ্গের সুরের আকাশ ভরে রেখেছিল যার কিন্নরকণ্ঠ, সেই হেমন্ত মুখোপাধ্যায় চলে গেলেন। অবসান হলো সংগীত জগতের এক স্বর্ণযুগের— হেমন্তযুগের। কিন্তু অবিচ্ছিন্ন পাঁচটি দশক যাঁর গানের হাওয়ায় প্রাণের নিঃশ্বাস নিয়েছে আপামর বাঙালি, তাঁর ‘শেষ নিঃশ্বাস’ নেই। 


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত